মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ০১:৪০ অপরাহ্ন
Banner
আজকের শিরোনাম :
ক্যান্সার চিকিৎসায় আসছে ১৭ রেডিওথেরাপি মেশিন, রোবটিক সার্জারির ৫টিও এ বছর ২৪ ঘণ্টায় হাম ও উপসর্গে  ৬ জনের মৃত্যু একনেকে ১৬ হাজার কোটি টাকার ১৩ প্রকল্প অনুমোদন ২ কোটি শিশু হামের টিকার আওতায়, এক মাসে আরও ৩৫ লাখকে টিকা : স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ডেঙ্গু পরিস্থিতি মোকাবিলায় সারা দেশে স্বাস্থ্যসেবা জোরদার সরকারের ওজন কমাতে কেন এই পাঁচ চা খাবেন? নারীদের হার্ট অ্যাটাকের গোপন ৪ সংকেত, যা অবহেলা করলেই বিপদ নতুন গবেষণা, গর্ভাবস্থায় সংক্রমণ হলে প্রতিবন্ধী হতে পারে শিশু এলপিজির সংকট নেই, মজুতদারি করলে ব্যবস্থা : প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা হৃদয়ের সতর্কসংকেত উপেক্ষা করা যাবে না : স্বাস্থ্যমন্ত্রী

‘গুলি চালানো’ বন্ধের নির্দেশনা চেয়ে করা রিট খারিজ

প্রতিনিধির নাম / ১৯৭ বার দেখা হয়েছে
আপডেট : August 4, 2024
‘গুলি চালানো’ বন্ধের নির্দেশনা চেয়ে করা রিট খারিজ

নিজস্ব প্রতিবেদক : 

দেশের বিভিন্ন স্থানে কোটা ইস্যুতে বিক্ষোভকারী বা আন্দোলনকারীদের ওপর গুলি (লাইভ রাউন্ড) না চালাতে নির্দেশনা চেয়ে করা রিট খারিজ করে দিয়েছেন হাইকোর্ট ।

রোববার (৪ আগস্ট) বিচারপতি মোস্তফা জামান ইসলাম ও বিচারপতি এস এম মাসুদ হোসাইন দোলনের হাইকোর্ট বেঞ্চ পর্যবেক্ষণসহ এ আদেশ দেন।

আদালত বলেন, সব নাগরিকের শান্তিপূর্ণ সভা-সমাবেশে অংশগ্রহণের অধিকার আছে। পুলিশকেও আইনের নির্দেশনা মানতে হবে।

আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন অ্যাটর্নি জেনারেল এ এম আমিন উদ্দিন। রিটকারীদের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী সারা হোসেন, জেড আই খান পান্না ও অনীক আর হক।

গত বুধবার ও বৃহস্পতিবার এই রিটের শুনানি হওয়ার কথা থাকলেও বিচারপতি মাসুদ হোসেন অসুস্থ হওয়ায় এই রিটের শুনানি হয়নি।

রিটে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ‘কথিত আটক’ ছয় সমন্বয়ককে অবিলম্বে মুক্তি দেওয়ার নির্দেশনাও চাওয়া হয়েছিল। তবে গত বৃহস্পতিবার (১ আগস্ট) গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) হেফাজতে থাকা ওই ছয় সমন্বয়ককে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।

এর আগে ২৯ জুলাই সুপ্রিম কোর্টের দুই আইনজীবী এ রিট করেন। তারা হলেন মানজুর-আল-মতিন ও আইনুন্নাহার সিদ্দিকা।

রিটে আইন সচিব, স্বরাষ্ট্র সচিব, জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারম্যান, পুলিশের মহাপরিদর্শকসহ সংশ্লিষ্টদের বিবাদী করা হয়েছে।

রুলে আন্দোলনকারীদের বিরুদ্ধে সরাসরি তাজা গুলির ব্যবহার কেন আইনগত কর্তৃত্ব বহির্ভূত ঘোষণা করা হবে না এবং তাজা গুলি ব্যবহার না করার নির্দেশ কেন দেওয়া হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারির আর্জি জানানো হয়েছে।

একইসঙ্গে তথাকথিত নিরাপত্তার নামে হেফাজতে নেওয়া বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়কদের দ্রুত মুক্তি দিতে কেন নির্দেশ দেওয়া হবে না, রিটে সে মর্মেও রুল চাওয়া হয়েছে।

২৯ জুলাই ও ৩০ জুলাই এ রিটের ওপর শুনানি হয়। গত ৩১ জুলাই রিটটি আদেশের জন্য বেঞ্চটির কার্যতালিকায় ওঠে। তবে বেঞ্চের একজন বিচারপতি অসুস্থতার কারণে ছুটিতে থাকায় সেদিন দ্বৈত বেঞ্চ বসেনি। একই কারণে গত বৃহস্পতিবার দ্বৈত বেঞ্চ বসেনি। তাই শুনানি হয়নি।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির অন্যান্য খবর