শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩:৫৯ পূর্বাহ্ন
Banner
আজকের শিরোনাম :
মৌমাছি বা বোলতার হুল ফুটলে যে ভুল হতে পারে প্রাণঘাতী ইসবগুল নাকি চিয়া সিড, পেটের যত্নে কোনটি বেশি উপকারী? সর্দি-কাশি ভেবে বসে থাকবেন না, যে লক্ষণ নিউমোনিয়ার ইঙ্গিত মধ্যপ্রাচ্য সংকটের জেরে বাধ্য হয়েই জ্বালানি তেলের দাম সমন্বয় করতে হয়েছে : জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী দেশের ভবিষ্যৎ অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ খাত হতে পারে ব্লু ইকোনমি : শিক্ষামন্ত্রী সরকারের বড় সাফল্য নির্ভর করছে স্বাস্থ্য খাতের ওপর : স্বাস্থ্যমন্ত্রী ডেঙ্গু সচেতনতা ক্যাম্পেইন নিয়ে কনটেন্ট তৈরির আহ্বান স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রীর হাম উপসর্গে প্রাণ গেল আরো ৬ শিশুর ‘কোন ডিসেম্বরে আসবেন, ক্লিয়ার করেন’, শেখ হাসিনাকে দুলু স্বাস্থ্যখাত ঢেলে সাজাতে প্রযুক্তি ও গবেষণায় বড় রাষ্ট্রীয় বিনিয়োগের পরিকল্পনা : স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী

আমরা বাঁধ খুলিনি, অতিরিক্ত পানির চাপে সেটি একা একাই খুলে গেছে : ভারত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক / ২০১ বার দেখা হয়েছে
আপডেট : August 22, 2024
আমরা বাঁধ খুলিনি, অতিরিক্ত পানির চাপে সেটি একা একাই খুলে গেছে : ভারত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক :

ভারত কোনো বাঁধের মুখ খুলে দেয়নি, অতিরিক্ত পানির চাপে সেটি একা একাই খুলে গেছে বলে জানিয়েছে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।

বৃহস্পতিবার (২২ আগস্ট) সকালে এক বিবৃতিতে এ কথা জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ত্রিপুরার গোমতী নদীতে ভারতীয় বাঁধ থেকে পানি ছাড়ার কারণে বাংলাদেশে বন্যা পরিস্থিতি তৈরি হয়নি। আমরা বাংলাদেশে উদ্বেগ প্রকাশ করতে দেখেছি যে ত্রিপুরার গোমতী নদীর উজানে ডাম্বুর বাঁধ খুলে দেওয়ায় বাংলাদেশের পূর্ব সীমান্তের জেলাগুলোতে বন্যার বর্তমান পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে। বাস্তবে এটি সঠিক নয়।

সেখানে আরো বলা হয়েছে, আমরা উল্লেখ করতে চাই যে ভারত ও বাংলাদেশের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত গোমতী নদীর ক্যাচমেন্ট এলাকায় গত কয়েক দিন ধরে এই বছরের সবচেয়ে বেশি বৃষ্টিপাত হয়েছে। বাংলাদেশে এই বন্যা মূলত বাঁধের ভাটির দিকের এই বৃহৎ ক্যাচমেন্টের পানির কারণে ঘটেছে।

ডাম্বুর বাঁধটি সীমান্ত থেকে বেশ দূরে – বাংলাদেশের ১২০ কিলোমিটারেরও বেশি উজানে অবস্থিত। এটি একটি স্বল্প উচ্চতাবিশিষ্ট (প্রায় ৩০ মিটার) বাঁধ, যা বিদ্যুৎ উৎপন্ন করে একটি গ্রিডে পাঠায় এবং সেখান থেকে বাংলাদেশও ত্রিপুরা থেকে ৪০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎশক্তি গ্রহণ করে। প্রায় ১২০ কিলোমিটার দীর্ঘ এই নদীপথে অমরপুর, সোনামুড়া ও সোনামুরা ২-এ তিনটি স্থানে আমাদের জলস্তর পর্যবেক্ষণ সাইট রয়েছে।

সমগ্র ত্রিপুরা ও এর পার্শ্ববর্তী বাংলাদেশের জেলাগুলোতে ২১ আগস্ট থেকে ভারি বর্ষণ অব্যাহত রয়েছে।

ভারি প্রবাহের এই ঘটনায় পানির স্বয়ংক্রিয় মুক্তকরণ পরিলক্ষিত হয়েছে। অমরপুর স্টেশন একটি দ্বিপক্ষীয় প্রটোকলের অংশ, যার অধীনে আমরা বাংলাদেশে বন্যার তাৎক্ষণিক তথ্য প্রেরণ করছি।

বিজ্ঞপ্তিতে আরো বলা হয়েছে, ২১/০৮/২০২৪ তারিখে বিকেল ৩টা পর্যন্ত বাংলাদেশে সরবরাহকৃত তথ্যে ক্রমবর্ধমান প্রবণতা পরিলক্ষিত হয়েছে। সন্ধ্যা ৬টায়, বন্যার কারণে, বিদ্যুৎবিভ্রাট ঘটার ফলে যোগাযোগের সমস্যা দেখা দেয়। তবুও আমরা জরুরি ভিত্তিতে তথ্য পাঠানোর জন্য তৈরি অন্যান্য মাধ্যমে যোগাযোগ বজায় রাখার চেষ্টা করেছি।

ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে অভিন্ন নদীতে বন্যা একটি যৌথ সমস্যা। যা উভয় পক্ষের জনগণের জন্য দুর্ভোগ সৃষ্টি করে এবং এর সমাধানের জন্য ঘনিষ্ঠ পারস্পরিক সহযোগিতা প্রয়োজন। যেহেতু দুটি দেশের ৫৪টি অভিন্ন আন্তঃসীমান্ত নদী রয়েছে, তাই নদীর পানি-বিষয়ক সহযোগিতা আমাদের দ্বিপক্ষীয় সম্পৃক্ততার একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। আমরা দ্বিপক্ষীয় পরামর্শ ও প্রযুক্তিগত আলোচনার মাধ্যমে পানিসম্পদ ও নদীর পানি ব্যবস্থাপনার সমস্যা ও পারস্পরিক উদ্বেগগুলোর সমাধানে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

 


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির অন্যান্য খবর