শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৭:০৮ পূর্বাহ্ন
Banner
আজকের শিরোনাম :
মৌমাছি বা বোলতার হুল ফুটলে যে ভুল হতে পারে প্রাণঘাতী ইসবগুল নাকি চিয়া সিড, পেটের যত্নে কোনটি বেশি উপকারী? সর্দি-কাশি ভেবে বসে থাকবেন না, যে লক্ষণ নিউমোনিয়ার ইঙ্গিত মধ্যপ্রাচ্য সংকটের জেরে বাধ্য হয়েই জ্বালানি তেলের দাম সমন্বয় করতে হয়েছে : জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী দেশের ভবিষ্যৎ অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ খাত হতে পারে ব্লু ইকোনমি : শিক্ষামন্ত্রী সরকারের বড় সাফল্য নির্ভর করছে স্বাস্থ্য খাতের ওপর : স্বাস্থ্যমন্ত্রী ডেঙ্গু সচেতনতা ক্যাম্পেইন নিয়ে কনটেন্ট তৈরির আহ্বান স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রীর হাম উপসর্গে প্রাণ গেল আরো ৬ শিশুর ‘কোন ডিসেম্বরে আসবেন, ক্লিয়ার করেন’, শেখ হাসিনাকে দুলু স্বাস্থ্যখাত ঢেলে সাজাতে প্রযুক্তি ও গবেষণায় বড় রাষ্ট্রীয় বিনিয়োগের পরিকল্পনা : স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী

বিডিআর বিদ্রোহ : শেখ হাসিনাসহ ১১ জনের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা

প্রতিনিধির নাম / ২০০ বার দেখা হয়েছে
আপডেট : August 25, 2024
বিডিআর বিদ্রোহ : শেখ হাসিনাসহ ১১ জনের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা

নিজস্ব প্রতিবেদক :

২০০৯ সালে বাংলাদেশ রাইফেলসের (বিডিআর) সদর দপ্তর পিলখানায় বিদ্রোহের ঘটনায় দায়ের করা মামলার আসামি বিডিআরের উপ-সহকারী পরিচালক (ডিএডি) বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আব্দুর রহিমের কারাগারে মৃত্যুর ঘটনায় হত্যা মামলা হয়েছে। মামলায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, সাবেক বিজিবি মহাপরিচালক ও সাবেক সেনাপ্রধান ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আজিজ আহমেদ এবং পিলখানা বিদ্রোহ মামলার আইনজীবী মোশারফ হোসেন কাজলসহ ১১ জনকে আসামি করা হয়েছে।

রোববার (২৫ আগস্ট) ঢাকার মহানগর হাকিম মো. আখতারুজ্জামানের আদালতে মৃত আব্দুর রহিমের ছেলে অ্যাডভোকেট আব্দুল আজিজ এই মামলা করেন।

মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেন বাদীর আইনজীবী মো. দেলোয়ার হোসেন। তিনি জানান, দুপুরের দিকে এ মামলার শুনানি হবে।

মামলায় অন্য আসামিরা হলেন— সাবেক কারা মহাপরিদর্শক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. আশরাফুল ইসলাম খান, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মেয়র ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নূর তাপস, সংসদ সদস্য শেখ সেলিম, নুর আলম চৌধুরী লিটন, শেখ হেলাল, জাহাঙ্গীর কবির নানক, মির্জা আজম ও হাসানুল হক ইনু।

এ ছাড়াও ২০১০ সালের জুলাইয়ে দায়িত্বরত কেন্দ্রীয় কারাগারের জেল সুপার এবং কারাগারের চিকিৎসকদেরও আসামি করা হয়েছে। অজ্ঞাতনামা আরও ২০০ জনকে আসামি করা হয়েছে।

মামলায় বাদী অ্যাডভোকেট আব্দুল আজিজ উল্লেখ করেন, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগসহ ১৪ দলীয় প্রধান শেখ হাসিনার ফ্যাসিস্ট সরকার ২০০৯ সালের ২৫ ও ২৬ ফেব্রুয়ারি তৎকালীন বিডিআর সদর দফতর পিলখানায় সুপরিকল্পিতভাবে বিদেশি এজেন্ট নিয়োগ করে ৫৭ জন সেনা অফিসারসহ ৭৪ জনকে হত্যা করে। পরে বিডিআর বিদ্রোহের অভিযোগে চকবাজার থানায় হত্যা মামলা দায়ের করা হয়।

বাদী অভিযোগ করেন, তার বাবা বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুর রহিম বিডিআরের ডিএডি হিসেবে পিলখানায় কর্মরত ছিলেন। তাকেও বিডিআর বিদ্রোহের মামলায় আসামি করে আটক করা হয়।

তিনি আরও অভিযোগ করেন, তার বাবা আব্দুর রহিমকে ২৫ ফেব্রুয়ারি পিলখানার মধ্যে হত্যার চেষ্টা করে কয়েকজন। কিন্তু সাধারণ সৈনিকেরা তার বাবাকে ভালোবাসতেন বিধায় তারা রক্ষা করেন। ২০০৯ সালের জুলাই মাসে কোনো একদিন ডিএডি আব্দুর রহিমকে পিলখানার ঢাকা সেক্টরের দ্বিতীয় তলায় নিয়ে জেনারেল আজিজ ও আইনজীবী মোশারফ হোসেন কাজলসহ আরও কয়েকজন পিলখানার ঘটনার রাজসাক্ষী হতে বলেন। তাকে বিভিন্ন ধরনের প্রলোভন দেখিয়ে রাজসাক্ষী হয়ে মিথ্যা সাক্ষ্য দিতে বলেন।

বাদীর বাবা রাজি না হওয়ায় তাকে বিডিআর বিদ্রোহের মামলায় গ্রেফতার দেখিয়ে রিমান্ডে নেওয়া হয়। রিমান্ড শেষে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে পাঠানো হয়। পরে ২০১০ সালের ২৯ জুলাই ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে বাদীর বাবার শরীরে ইনজেকশন পুশ করার মাধ্যমে তাকে হত্যা করা হয়।

পরিকল্পিতভাবে আসামিরা তার বাবাকে হত্যা করেছেন উল্লেখ করে বিচারের দাবিতে এই মামলা দায়ের করা হয়েছে বলে বাদী অভিযোগ করেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির অন্যান্য খবর