পাইলস বা অর্শ একটি গোপন অসুখ, যা সময়ের সাথে বাড়তে থাকে। প্রাথমিকভাবে সমস্যা চেপে রাখলে ব্যথা ও রক্তপাতের ঝুঁকি বাড়ে, যা মোটেই ভাল লক্ষণ নয়। তাই পাইলসের লক্ষণ দেখা দিলেই দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।
আধুনিক চিকিৎসায় এখন পাইলস থেকে মুক্তি পাওয়া অনেকটাই সহজ। চলুন, জেনে নেওয়া যাক কীভাবে এই সমস্যার সমাধান করা যায়।
পাইলস কেন হয়
পাইলস তখনই হয় যখন মলদ্বারের শিরাগুলো ফুলে ওঠে। এটি দুই ধরনের হতে পারে—ইন্টারনাল ও এক্সটারনাল। চারটি পর্যায়ে পাইলস দেখা দেয়: প্রাথমিক পর্যায়ে শিরা বাইরে আসে না, তবে চতুর্থ পর্যায়ে তা আর ভেতরে ফেরানো যায় না।
কীভাবে বুঝবেন পাইলস হচ্ছে?
প্রথমে মলত্যাগের সময় রক্তপাত দেখা দেয়। এরপর মলদ্বারে চুলকানি ও ব্যথা হয়। রেক্টামের শিরায় রক্ত জমাট বেঁধে গেলে যন্ত্রণা বাড়ে।
পাইলসের ঝুঁকি কারা বেশি?
প্রতিরোধের উপায়
চিকিৎসা না হলে কী করবেন?
যদি সমস্যার অবনতি হয়, তবে কলোনোস্কোপি করে অর্শের বিস্তার যাচাই করা হয়। চিকিৎসায় ব্যান্ডিং এবং স্ক্লেরোথেরাপি পদ্ধতিতে শিরার রক্তচলাচল বন্ধ করে সমস্যা সমাধান করা হয়।
লেজার চিকিৎসা: আধুনিক সমাধান
বর্তমানে লেজার চিকিৎসা পাইলসের জন্য অন্যতম কার্যকরী পদ্ধতি। এতে কম কেটে দ্রুত চিকিৎসা সম্ভব হয়, রোগীর যন্ত্রণা কমে এবং পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া প্রায় নেই।