বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ০৯:০০ অপরাহ্ন
Banner
আজকের শিরোনাম :
ক্যান্সার চিকিৎসায় আসছে ১৭ রেডিওথেরাপি মেশিন, রোবটিক সার্জারির ৫টিও এ বছর ২৪ ঘণ্টায় হাম ও উপসর্গে  ৬ জনের মৃত্যু একনেকে ১৬ হাজার কোটি টাকার ১৩ প্রকল্প অনুমোদন ২ কোটি শিশু হামের টিকার আওতায়, এক মাসে আরও ৩৫ লাখকে টিকা : স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ডেঙ্গু পরিস্থিতি মোকাবিলায় সারা দেশে স্বাস্থ্যসেবা জোরদার সরকারের ওজন কমাতে কেন এই পাঁচ চা খাবেন? নারীদের হার্ট অ্যাটাকের গোপন ৪ সংকেত, যা অবহেলা করলেই বিপদ নতুন গবেষণা, গর্ভাবস্থায় সংক্রমণ হলে প্রতিবন্ধী হতে পারে শিশু এলপিজির সংকট নেই, মজুতদারি করলে ব্যবস্থা : প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা হৃদয়ের সতর্কসংকেত উপেক্ষা করা যাবে না : স্বাস্থ্যমন্ত্রী

অযোগ্য ২৫ হাজার ড্রাইভারকে লাইসেন্স দিতে তালিকা দিয়েছিলেন শাজাহান খান

নিজস্ব প্রতিবেদক / ১৪৪ বার দেখা হয়েছে
আপডেট : October 22, 2024
অযোগ্য ২৫ হাজার ড্রাইভারকে লাইসেন্স দিতে তালিকা দিয়েছিলেন শাজাহান খান

নিজস্ব প্রতিবেদক : 

বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন শ্রমিক ফেডারেশনের সভাপতি ও সাবেক নৌপরিবহনমন্ত্রী শাজাহান খান অযোগ্য ২৫ হাজার মানুষের জন্য তালিকা দিয়ে ড্রাইভিং লাইসেন্স দিয়েছেন বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের সিনিয়র সচিব ড. মোহাম্মদ আবদুল মোমেন।

মঙ্গলবার (২২ অক্টোবর) সকালে রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগ আয়োজিত ‘জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবস ২০২৪’ উপলক্ষ্যে এক আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবস উপলক্ষ্যে স্মৃতিচারণ করে মোহাম্মদ আবদুল মোমেন বলেন, ২০০৩ বা ২০০৪ সালের দিকে সড়ক নিরাপত্তা বিষয়ক একটি বৈঠকে আমি ছিলাম। সেখানে একজন বিশেষ ব্যক্তি ছিলেন, তিনিও একমত হলেন সড়ক আমাদের নিরাপদ করতে হবে। ড্রাইভারদের খুব ভালো মানের ড্রাইভার হতে হবে। এরপর আমি যখন বিআরটিএর চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পেলাম, তখন সেই ভদ্রলোক ২৫ হাজার চালকের একটি তালিকা নিয়ে এসে বললেন এদের সবাইকে ড্রাইভিং লাইসেন্স দিতে হবে। তার নাম শাজাহান খান।

তিনি বলেন, শাজাহান খান শেষ হয়ে গেছে এটা মনে করার কোনো কারণ নাই। শাজাহান খান এখনো আছে। আমি শুধু একটা নাম হিসেবে শাজাহান খান বললাম, যারা অযোগ্য মানুষকে ড্রাইভিং লাইসেন্স দেওয়ার জন্য চেষ্টা করে যান। সেদিন শাজাহান খান বললেন, রাস্তায় ড্রাইভার যদি গরু আর বলদ চিনে তাহলেই হবে। মানুষ চেনার কোনো দরকার নেই। এটা যদি একজন সড়ক হাতের নেতার বক্তব্য হয় শেষ পর্যন্ত পরিণতি কীভাবে সেটা আমরা অনুমান করতে পারি।

জননিরাপত্তা বিভাগের সিনিয়র সচিব বলেন, দুর্ভাগ্যজনকভাবে বাংলাদেশের ছাত্ররা পড়াশোনার পাশাপাশি কিছু একটা কাজ করে অর্থ উপার্জন করবে বা কিছু কাজ করে বাবা-মায়ের বোঝা লাঘব করবে সেই সুযোগটা নেই। আমরা চেষ্টা করছি ট্রাফিক দিয়ে শুরু করতে। আমরা ৩০০ জন শিক্ষার্থীকে প্রশিক্ষণ দিয়ে সড়ক নিরাপত্তার কাজে আনতে চাই। এতে করে অন্তত সড়কটা নিরাপদ হোক এবং তারা কিছু পয়সা উপার্জন করুক। এতে করে তারা নিজেদের আংশিক খরচ নিজেরা মেটাতে পারবে।

সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের সিনিয়র সচিব মো. এহছানুল হকের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় আরও বক্তব্য রাখেন সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান, বাংলাদেশ রোড ট্রান্সপোর্ট অথরিটির চেয়ারম্যান মো. ইয়াসীন, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের সিনিয়র সচিব ড. মোহাম্মদ আবদুল মোমেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির অন্যান্য খবর