শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ০১:৪০ অপরাহ্ন
Banner
আজকের শিরোনাম :
ক্যান্সার চিকিৎসায় আসছে ১৭ রেডিওথেরাপি মেশিন, রোবটিক সার্জারির ৫টিও এ বছর ২৪ ঘণ্টায় হাম ও উপসর্গে  ৬ জনের মৃত্যু একনেকে ১৬ হাজার কোটি টাকার ১৩ প্রকল্প অনুমোদন ২ কোটি শিশু হামের টিকার আওতায়, এক মাসে আরও ৩৫ লাখকে টিকা : স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ডেঙ্গু পরিস্থিতি মোকাবিলায় সারা দেশে স্বাস্থ্যসেবা জোরদার সরকারের ওজন কমাতে কেন এই পাঁচ চা খাবেন? নারীদের হার্ট অ্যাটাকের গোপন ৪ সংকেত, যা অবহেলা করলেই বিপদ নতুন গবেষণা, গর্ভাবস্থায় সংক্রমণ হলে প্রতিবন্ধী হতে পারে শিশু এলপিজির সংকট নেই, মজুতদারি করলে ব্যবস্থা : প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা হৃদয়ের সতর্কসংকেত উপেক্ষা করা যাবে না : স্বাস্থ্যমন্ত্রী

এসপি বাবুল আক্তারের জামিন বহাল, মুক্তিতে বাধা নেই

প্রতিনিধির নাম / ৯১ বার দেখা হয়েছে
আপডেট : December 4, 2024
এসপি বাবুল আক্তারের জামিন বহাল, মুক্তিতে বাধা নেই

নিজস্ব প্রতিবেদক : 

চট্টগ্রামের পাঁচলাইশে স্ত্রী মাহমুদা খানম মিতু হত্যা মামলার প্রধান আসামি সাবেক পুলিশ সুপার (এসপি) বাবুল আক্তারকে হাইকোর্টের দেওয়া জামিন বহাল রেখেছেন সুপ্রিম কোর্টের চেম্বার জজ আদালত। ফলে তার মুক্তিতে বাধা নেই বলে জানিয়েছেন আইনজীবীরা।

বুধবার (৪ ডিসেম্বর) মিতুর বাবার করা আবেদনের শুনানিতে এই আদেশ দেন আদালত।

এর আগে চট্টগ্রামের পাঁচলাইশে স্ত্রী মাহমুদা খানম মিতু হত্যা মামলার প্রধান আসামি সাবেক পুলিশ সুপার (এসপি) বাবুল আক্তারকে জামিন দেন হাইকোর্ট। বুধবার (২৭ নভেম্বর) বিচারপতি মো. আতোয়ার রহমান ও বিচারপতি আলী রেজার হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন। জামিনের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বাবুল আক্তারের আইনজীবী অ্যাডভোকেট শিশির মনির।

তার আগে গত ১৮ আগস্ট চট্টগ্রামের তৃতীয় অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ মো. জসিম উদ্দিনের আদালতে তার জামিন আবেদন নাকচ হয়েছিল।

এর আগে, ২৭ নভেম্বর বিচারপতি মো. আতোয়ার রহমান এবং বিচারপতি আলী রেজার নেতৃত্বে হাইকোর্ট বেঞ্চ বাবুল আক্তারকে জামিন দেন।

চট্টগ্রাম পুলিশের সাবেক এসপির জামিনের বিষয়টি ঢাকা মেইলকে নিশ্চিত করেছেন তার স্ত্রী ইসমাত জাহান মুক্তা।

গত ১৪ আগস্ট চট্টগ্রামের তৃতীয় অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ আদালতে বাবুল আক্তার জামিনের আবেদন করেছিলেন, তবে ১৮ আগস্ট আদালত তার আবেদন নামঞ্জুর করে।

২০১৬ সালের ৫ জুন চট্টগ্রামের নিজাম রোডে মিতু গুলি ও ছুরিকাঘাতে খুন হন। ওই সময় মিতুর স্বামী বাবুল আক্তার ঢাকায় ছিলেন। হত্যাকাণ্ডের পর বাবুল আক্তার পাঁচলাইশ থানায় অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে মামলা করেন। তবে তদন্তে পিবিআই জানতে পারে, মিতু হত্যায় বাবুল আক্তারের সম্পৃক্ততা রয়েছে। ২০২১ সালের ১২ মে পিবিআই চূড়ান্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার পর মিতুর বাবা সাবেক পুলিশ পরিদর্শক মোশাররফ হোসেন বাবুলকে প্রধান আসামি করে দ্বিতীয় মামলা দায়ের করেন। এর পর বাবুল আক্তারকে গ্রেফতার করা হয় এবং তিনি কারাগারে ছিলেন।

২০২১ সালের ১৪ অক্টোবর, প্রথম মামলার চূড়ান্ত প্রতিবেদন বাতিল করে এবং নারাজির আবেদন গ্রহণ করে আদালত ওই বছরের ৩ নভেম্বর মামলাটির অধিকতর তদন্তের আদেশ দেন। ২০২২ সালের ২৫ জানুয়ারি মামলার চূড়ান্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়া হয়। এরপর ২০২২ সালের ১৩ সেপ্টেম্বর, অধিকতর তদন্ত শেষে বাবুলসহ সাতজনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র জমা হয়। গত বছরের ১৩ মার্চ, আদালত এই মামলায় বাবুলসহ সাত আসামির বিরুদ্ধে চার্জ গঠন করে বিচার শুরুর নির্দেশ দেয়।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির অন্যান্য খবর