বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ১১:২৫ অপরাহ্ন
Banner
আজকের শিরোনাম :
ক্যান্সার চিকিৎসায় আসছে ১৭ রেডিওথেরাপি মেশিন, রোবটিক সার্জারির ৫টিও এ বছর ২৪ ঘণ্টায় হাম ও উপসর্গে  ৬ জনের মৃত্যু একনেকে ১৬ হাজার কোটি টাকার ১৩ প্রকল্প অনুমোদন ২ কোটি শিশু হামের টিকার আওতায়, এক মাসে আরও ৩৫ লাখকে টিকা : স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ডেঙ্গু পরিস্থিতি মোকাবিলায় সারা দেশে স্বাস্থ্যসেবা জোরদার সরকারের ওজন কমাতে কেন এই পাঁচ চা খাবেন? নারীদের হার্ট অ্যাটাকের গোপন ৪ সংকেত, যা অবহেলা করলেই বিপদ নতুন গবেষণা, গর্ভাবস্থায় সংক্রমণ হলে প্রতিবন্ধী হতে পারে শিশু এলপিজির সংকট নেই, মজুতদারি করলে ব্যবস্থা : প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা হৃদয়ের সতর্কসংকেত উপেক্ষা করা যাবে না : স্বাস্থ্যমন্ত্রী

নারায়ণগঞ্জে স্বেচ্ছাসেবক দল নেতাকে গুলি করে হত্যা

প্রতিনিধির নাম / ১০৪ বার দেখা হয়েছে
আপডেট : February 7, 2025
নারায়ণগঞ্জে স্বেচ্ছাসেবক দল নেতাকে গুলি করে হত্যা

নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি : 

নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় বাসা থেকে ডেকে নিয়ে স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক মামুন হোসাইনকে (৪০) গুলি করে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা।

শুক্রবার (৭ ফেব্রুয়ারি) ভোর রাত সাড়ে চারটার দিকে ফতুল্লা মডেল থানার পূর্ব লালপুর (পাকিস্তান খাদঁ) এলাকায় নিজ ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের সামনে তাকে হত্যা করে পালিয়ে যায় দুর্বৃত্তরা।

নিহত মামুন হোসাইন ফতুল্লার পূর্ব লালপুর রেললাইন এলাকার মৃত সমন আরী বেপারীর ছেলে। তার ইট বালু সিমেন্টের ব্যবসা রয়েছে।
নিহতের পরিবারের দাবি, আওয়ামী লীগ নেতা আলাউদ্দিন হাজীর দুই পুত্র আক্তার ও সুমন এএ হত্যার সঙ্গে জড়িত। বেশ কয়েক মাস ধরেই আক্তার ও সুমন নিহত মামুনকে হুমকি দিয়ে আসছিলেন।

নিহত মামুনের বড় ভাই আমজাদ জানান, মামুন বাসায় ঘুমিয়ে ছিলেন। তাকে কে বা কারা বাসা থেকে ডেকে নিয়ে রেললাইন সংলগ্ন মামুনের মালিকানাধীন ‘মা-বাবার দোয়া’ নামের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের সামনে নিয়ে যায়। সেখানেই মামুনকে গুলি করে পালিয়ে যায় ঘাতক চক্র। গুলির শব্দ শুনে তিনি বাসা থেকে বের হয়ে দেখতে পান ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের সামনেই পড়ে আছে মামুনের নিথর দেহ। পরে পরিবারের সদস্যদের সহযোগিতায় খানপুর হাসপাতালে নিয়ে আসা হলে ডাক্তাররা তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

আমজাদের দাবি, আলাউদ্দিন হাজীর দুই পুত্র আক্তার ও সুমন বাহিনীই এই হত্যাকাণ্ডের সাথে জড়িত। বেশ কয়েক মাস ধরেই মামুনকে হত্যার হুমকি দিয়ে আসছিল এই চক্রটি।

তিনি জানান, আজাদ নামের এক ছেলে নিহত মামুনের অফিসের ভেতর ঘুমায়। আজাদ তাকে জানিয়েছে যে, গুলির শব্দ শুনতে পেয়ে তাকিয়ে দেখে দুটি ছেলে দৌড়ে কোতালেরবাগ এলাকার দিকে চলে যাচ্ছে।

ফতুল্লা মডেল থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) কামাল মিয়া বলেন, নিহত মামুন ইট-বালু ও সিমেন্টের ব্যবসা করতেন। প্রতি রাতে এসব লোড-আনলোডের সময়ে উপস্থিত থাকেন তিনি। রাত সাড়ে ৪টায় তাকে ফোন করে ডেকে আনা হয়। ওই সময় তাকে গুলি করা হয়। তার ডান চোখে অস্ত্র ঠেকিয়া গুলি করে পালিয়ে যায় দুর্বৃত্তরা।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির অন্যান্য খবর