সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ০৬:২১ অপরাহ্ন
Banner
আজকের শিরোনাম :
ক্যান্সার চিকিৎসায় আসছে ১৭ রেডিওথেরাপি মেশিন, রোবটিক সার্জারির ৫টিও এ বছর ২৪ ঘণ্টায় হাম ও উপসর্গে  ৬ জনের মৃত্যু একনেকে ১৬ হাজার কোটি টাকার ১৩ প্রকল্প অনুমোদন ২ কোটি শিশু হামের টিকার আওতায়, এক মাসে আরও ৩৫ লাখকে টিকা : স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ডেঙ্গু পরিস্থিতি মোকাবিলায় সারা দেশে স্বাস্থ্যসেবা জোরদার সরকারের ওজন কমাতে কেন এই পাঁচ চা খাবেন? নারীদের হার্ট অ্যাটাকের গোপন ৪ সংকেত, যা অবহেলা করলেই বিপদ নতুন গবেষণা, গর্ভাবস্থায় সংক্রমণ হলে প্রতিবন্ধী হতে পারে শিশু এলপিজির সংকট নেই, মজুতদারি করলে ব্যবস্থা : প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা হৃদয়ের সতর্কসংকেত উপেক্ষা করা যাবে না : স্বাস্থ্যমন্ত্রী

টেকনাফে পাচারকারীদের আস্তানা থেকে ১৪ জন উদ্ধার

কক্সবাজার জেলা প্রতিনিধি / ১০৪ বার দেখা হয়েছে
আপডেট : May 11, 2025
টেকনাফে পাচারকারীদের আস্তানা থেকে ১৪ জন উদ্ধার

কক্সবাজার জেলা প্রতিনিধি : 

কক্সবাজারের টেকনাফে মানব পাচারকারীদের আস্তানা থেকে ১৪ জন অপহৃতকে উদ্ধার করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। তবে এ সময় কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি বলে জানান বিজিবি।

শনিবার (১০ মে) রাত ১১টা ৩০ মিনিটে টেকনাফ সদর দক্ষিণ লম্বরী এলাকার কুখ্যাত মানব পাচারচক্রের হোতা সাইফুলের আস্তানা থেকে তাদের উদ্ধার করা হয় বলে দাবি করে বিজিবি।

পাচারকারীদের জিম্মিঘর থেকে ১৪ জন উদ্ধারকৃত ব্যাক্তি বিভিন্ন জেলা এবং উপজেলার বাসিন্দা বলে জানা যায়। টেকনাফ ব্যাটালিয়নের (২ বিজিবি) অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল আশিকুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, টেকনাফ ও আশপাশের এলাকায় দীর্ঘ দিন ধরে মানবপাচার ও অপহরণের মতো অপরাধ সংঘটিত হয়ে আসছে। এসব অপরাধ দমনে আমরা নিয়মিত অভিযান চালিয়ে যাচ্ছি। এরই ধারাবাহিকতায় অপহরণের পর জিম্মি করে রাখা ১৪ জনকে নিরাপদে উদ্ধার করতে পেরেছি।

তিনি আরো বলেন, তাদেরকে যে ঘরে রাখা হয়েছিল, সেটা তালাবদ্ধ ছিল। পরে তালা ভেঙে তাদেরকে জিম্মি-ঘর থেকে বের করা হয়। মূলত, এদের কাছ থেকে ৫-৬ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করা হয়। অপহৃত অনেকেই এক লাখ টাকা মুক্তিপণও দিয়েছে।

আশিকুর রহমান বলেন, কারা এই অপহরণে জড়িত, কী উদ্দেশে তাদের অপহরণ করা হয়েছে- তা জানতে আমরা ভুক্তভোগীদের সঙ্গে কথা বলছি। বিষয়টি তদন্ত করে দোষীদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

উদ্ধার হওয়া মো. কাসেম ও মহিন উদ্দিন জানান, আমরা ইনানীতে বেড়াতে গিয়েছিলাম। সেখান থেকে এক সিএনজিচালিত অটোরিকশার চালকের প্রলোভনে টেকনাফে গেলে তাদের অপহরণ করে একটি বাড়িতে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে আরও বেশ কয়েকজনকে জিম্মি করে রাখা হয়। পরে তাদের মারধর করে পরিবারের কাছে ভিডিও পাঠিয়ে এক লাখ করে টাকা আদায় করা হয়। তাদের উদ্দেশ্য ছিল সাগরপথে পাচারের জন্য দালালদের কাছে বিক্রি করে দেওয়া।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির অন্যান্য খবর