বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩:২৯ পূর্বাহ্ন
Banner
আজকের শিরোনাম :
মৌমাছি বা বোলতার হুল ফুটলে যে ভুল হতে পারে প্রাণঘাতী ইসবগুল নাকি চিয়া সিড, পেটের যত্নে কোনটি বেশি উপকারী? সর্দি-কাশি ভেবে বসে থাকবেন না, যে লক্ষণ নিউমোনিয়ার ইঙ্গিত মধ্যপ্রাচ্য সংকটের জেরে বাধ্য হয়েই জ্বালানি তেলের দাম সমন্বয় করতে হয়েছে : জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী দেশের ভবিষ্যৎ অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ খাত হতে পারে ব্লু ইকোনমি : শিক্ষামন্ত্রী সরকারের বড় সাফল্য নির্ভর করছে স্বাস্থ্য খাতের ওপর : স্বাস্থ্যমন্ত্রী ডেঙ্গু সচেতনতা ক্যাম্পেইন নিয়ে কনটেন্ট তৈরির আহ্বান স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রীর হাম উপসর্গে প্রাণ গেল আরো ৬ শিশুর ‘কোন ডিসেম্বরে আসবেন, ক্লিয়ার করেন’, শেখ হাসিনাকে দুলু স্বাস্থ্যখাত ঢেলে সাজাতে প্রযুক্তি ও গবেষণায় বড় রাষ্ট্রীয় বিনিয়োগের পরিকল্পনা : স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী

সঞ্চয়পত্রের মুনাফা বাড়ালে কেউ ব্যাংকে টাকা রাখবে না : অর্থ উপদেষ্টা

ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা প্রতিনিধি / ২৩৬ বার দেখা হয়েছে
আপডেট : July 5, 2025
সঞ্চয়পত্রের মুনাফা বাড়ালে কেউ ব্যাংকে টাকা রাখবে না : অর্থ উপদেষ্টা

ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা প্রতিনিধি : 

অন্তর্বর্তী সরকারের অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ বলেন, খারাপ ব্যাংকগুলোকে বাংলাদেশ ব্যাংক পুনর্বাসনের চেষ্টা করছে। ইসলামী ব্যাংক এর একটি উদাহরণ। এ ব্যাংকে মানুষের আস্থা ফিরছে। অন্য ব্যাংকগুলোর জন্য ‘ব্যাংক রেজুলেশন অ্যাক্ট’ প্রণয়ন করা হয়েছে। এর প্রথম শর্ত হলো যারা ব্যাংকে টাকা জমা দিয়েছে, তাদের অর্থ ফেরত দেওয়ার জন্য সরকার অঙ্গীকারবদ্ধ। কারও টাকা নষ্ট হবে না। কিছুটা সময় লাগতে পারে, কারণ অনেকেই টাকা নিয়ে পালিয়ে গেছে। পৃথিবীর কোনো দেশে এমন ঘটনা ঘটে না।

শনিবার (৫ জুলাই) দুপুর দেড়টার দিকে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে সরকারি কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন তিনি।

সঞ্চয়পত্রের মুনাফা হার কমানো নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে অর্থ উপদেষ্টা বলেন, সঞ্চয়পত্রের মুনাফা হার বাড়িয়ে দিলে সবাই সঞ্চয়পত্র কিনবে, তখন কেউ ব্যাংকে টাকা রাখবে না। অথচ ব্যাংকেরও তারল্য বজায় রাখা জরুরি। বিষয়টি ব্যালেন্স করে দেখতে হবে। সবাই যদি সঞ্চয়পত্রে বিনিয়োগ করে, তাহলে ব্যাংক টাকা পাবে কোথা থেকে?

এনবিআরে চলমান অস্থিরতা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের সমস্যা সমাধানে তাদের সঙ্গে আলোচনা চলছে। আলোচনার মাধ্যমে যা যা প্রয়োজন, আমরা তা করব। ইতোমধ্যে পাঁচ সদস্যের একটি শক্তিশালী কমিটিও গঠন করা হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, বিদেশি বিনিয়োগকারীদের আকৃষ্ট করতে আমরা নিশ্চিত করছি যেন ব্যবসার জন্য ১০-১২টি দপ্তরে না যেতে হয়। যত ধরনের ছাড়পত্র লাগে, সেগুলো আমরা কেন্দ্রীভূত করার চেষ্টা করছি।

এ সময় উপদেষ্টার সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন ব্রাহ্মণবাড়িয়ার জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ দিদারুল আলম, নবীনগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রাজীব চৌধুরী, নবীনগর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার পিয়াস বসাক প্রমুখ।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির অন্যান্য খবর