মঙ্গলবার, ১০ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৪:৫৪ অপরাহ্ন
Banner

বাংলাদেশে ৪.৮ শতাংশ প্রবৃদ্ধির পূর্বাভাস বিশ্বব্যাংকের

নিজস্ব প্রতিবেদক / ৮০ বার দেখা হয়েছে
আপডেট : October 7, 2025
বাংলাদেশে ৪.৮ শতাংশ প্রবৃদ্ধির পূর্বাভাস বিশ্বব্যাংকের

নিজস্ব প্রতিবেদক : 

গুরুত্বপূর্ণ সংস্কার বাস্তবায়নের শর্তে চলতি অর্থবছর শেষে জিডিপি (মোট দেশজ উৎপাদন) প্রবৃদ্ধি ২০২৫-২০২৬ অর্থবছরে ৪.৮ শতাংশ বৃদ্ধি পাওয়ার পূর্বাভাস দিয়েছে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় উন্নয়ন সহযোগী সংস্থা বিশ্বব্যাংক। এছাড়াও একই সময়ে দক্ষিণ এশিয়ার গড় জিডিপি প্রবৃদ্ধি ৫.৮ শতাংশ হতে পারে। যা বাংলাদেশের তুলনায় ১ শতাংশ বেশি।

মঙ্গলবার (০৭ সেপ্টেম্বর) বিশ্বব্যাংকের বাংলাদেশ অফিসে আয়োজিত বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট আপডেট শীর্ষক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানানো হয়।

সংস্থাটি বলছে, ২০২৬-২৭ অর্থবছরের মধ্যে ৬.৩ শতাংশে উন্নীত হওয়ার পূর্বাভাস দেয়া হয়েছে।

বিশ্বব্যাংক জানায়, বাংলাদেশে অন্তর্ভুক্তিমূলক প্রবৃদ্ধি টিকিয়ে রাখতে সময়োপযোগী সংস্কার দরকার। চলতি অর্থ বছরের প্রথমার্ধের বিপর্যয়ের পর বাংলাদেশের অর্থনীতি দ্বিতীয়ার্ধে ঘুরে দাঁড়িয়েছে। রপ্তানি বৃদ্ধি, রেমিট্যান্স প্রবাহ এবং বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বাড়ায় অর্থনীতিতে ইতিবাচক গতি এসেছে বলে জানিয়েছে বিশ্বব্যাংক।

বিশ্বব্যাংকের বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট আপডেটে বলা হয়েছে, ২০২৫-২০২৬ অর্থবছরের প্রথম প্রান্তিকে মারাত্মক ব্যাঘাত সত্ত্বেও পরবর্তী প্রান্তিকগুলোতে জিডিপি প্রবৃদ্ধি বৃদ্ধি পেয়েছে। বহিরাগত খাতের চাপ হ্রাস পেয়েছে, রিজার্ভ হ্রাস স্থিতিশীল হয়েছে এবং মুদ্রাস্ফীতির চাপ হ্রাস পেয়েছে।

তবে উল্লেখযোগ্য চ্যালেঞ্জ রয়ে গেছে বলে মনে করে সংস্থাটি। বেসরকারি বিনিয়োগের প্রবৃদ্ধি তীব্রভাবে ধীর হয়ে গেছে এবং কর্মসংস্থান সৃষ্টি স্থবির হয়ে পড়েছে। ব্যাংকিং খাত এখনও ঝুঁকিপূর্ণ উচ্চ মাত্রার অনাদায়ী ঋণের কারণে। রাজস্ব আদায় এখনও দুর্বল।

বিশ্বব্যাংক বলছে, জিডিপি প্রবৃদ্ধি ২০২৪-২৫ অর্থবছরে সামান্য হ্রাস পেয়ে ৪.০ শতাংশে দাঁড়িয়েছে, যা ২০২৩-২৪ অর্থবছরে ছিল ৪.২ শতাংশ।

বেসরকারি বিনিয়োগ কমে যাওয়ার কারণ উল্লেখ করে তারা বলছে, দুর্বল বিনিয়োগের কারণে প্রবৃদ্ধির মন্দা দেখা দিয়েছে, যা মাত্র ০.৮ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। রাজনৈতিক অনিশ্চয়তা এবং ব্যবসা পরিচালনার উচ্চ ব্যয়ের কারণে বেসরকারি বিনিয়োগ কম ছিল।

সংস্থাটির তথ্যমতে, সরকারি বিনিয়োগও হ্রাস পেয়েছে। বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির ব্যয় এবং মূলধনী পণ্যের আমদানি যথাক্রমে ২৫.৫ শতাংশ এবং ১০.২ শতাংশ কমেছে। চাহিদা স্থিতিশীল থাকার কারণে রপ্তানিতে প্রত্যাবর্তন ঘটেছে। শক্তিশালী রেমিট্যান্স প্রবাহ ভোগকে সমর্থন করেছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির অন্যান্য খবর