বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন ২০২৬, ০৪:২৮ অপরাহ্ন
Banner
আজকের শিরোনাম :
নিরাপত্তার ঘেরাটোপ যেন জনগণ থেকে দূরে না রাখে : এসএসএফকে প্রধানমন্ত্রী বাচ্চা খেতে না চাইলে যে নিয়ম অনুসরণ করা দরকার দীর্ঘক্ষণ বসে কাজ করলে যে ব্যায়াম করা উচিত যে নতুন রক্ত পরীক্ষায় জানা যাবে ভবিষ্যতের রোগের ঝুঁকি সাগর-রুনি হত্যা মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল ২২ জুলাই শুধু চিকিৎসকদের দিয়ে স্বাস্থ্যখাত এগিয়ে নেওয়া সম্ভব না : স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী বিশ্বপরিসরেও অবদান রাখছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী : সেনাপ্রধান স্বাস্থ্যের পিআইসিইউ প্রকল্পে ভয়াবহ দুর্নীতি দেশের এইচএসসির লেভেল সিঙ্গাপুরের ক্লাস সিক্সের সমান : সংসদে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী এবার সরকারি মেডিকেল কলেজ পেল নরসিংদী

সাগর-রুনি হত্যা মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল ২২ জুলাই

নিজস্ব প্রতিবেদক / ০ বার দেখা হয়েছে
আপডেট : June 18, 2026
সাগর-রুনি হত্যা মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল ২২ জুলাই

নিজস্ব প্রতিবেদক : 

সাংবাদিক দম্পতি সাগর সারোয়ার ও মেহেরুন রুনি হত্যা মামলার তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার তারিখ একশ সাতাশ বারের মতো পেছানো হলো। আগামী ২২ জুলাই প্রতিবেদন দাখিলের পরবর্তী দিন ধার্য করেছেন আদালত।

বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আরিফুর রহমানের আদালত এ দিন ধার্য করেন।

এদিন মামলাটির তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য দিন ধার্য ছিল। তবে তদন্তকারী কর্মকর্তা প্রতিবেদন দাখিল করতে পারেননি। এজন্য আদালত প্রতিবেদন দাখিলের নতুন এ তারিখ ঠিক করেন। প্রসিকিউশন বিভাগের উপ-পরিদর্শক রফিকুল ইসলাম রাসেল এতথ্য নিশ্চিত করেন।

আলোচিত এ হত্যা মামলায় রুনির বন্ধু তানভীর রহমানসহ মোট আসামি আটজন। অন্য আসামিরা হলেন— বাড়ির নিরাপত্তারক্ষী এনাম আহমেদ ওরফে হুমায়ুন কবির, রফিকুল ইসলাম, বকুল মিয়া, মিন্টু ওরফে বারগিরা মিন্টু ওরফে মাসুম মিন্টু, কামরুল হাসান অরুণ, পলাশ রুদ্র পাল ও আবু সাঈদ। আসামিদের প্রত্যেককে একাধিকবার রিমান্ডে নেওয়া হলেও তাদের কেউই স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেননি।

২০১২ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি রাতে ঢাকার পশ্চিম রাজাবাজারে মাছরাঙা টেলিভিশনের বার্তা সম্পাদক সাগর সারোয়ার ও এটিএন বাংলার জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক মেহেরুন রুনি নিজেদের ভাড়া বাসায় নির্মমভাবে খুন হন। পরদিন ভোরে তাদের ক্ষতবিক্ষত মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

এরপর নিহত রুনির ভাই নওশের আলম রোমান রাজধানীর শেরে বাংলা নগর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। প্রথমে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ছিলেন ওই থানার এক এসআই। চার দিন পর চাঞ্চল্যকর এ হত্যা মামলার তদন্তভার ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) কাছে হস্তান্তর করা হয়। দুই মাসেরও বেশি সময় তদন্ত করে রহস্য উদঘাটনে ব্যর্থ হয় ডিবি। পরে হাইকোর্টের নির্দেশে একই বছরের ১৮ এপ্রিল হত্যা মামলাটির তদন্তভার র‌্যাবের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

এদিকে গত বছরের ৩০ সেপ্টেম্বর এ মামলার তদন্তে বিভিন্ন বাহিনীর অভিজ্ঞ তদন্ত কর্মকর্তাদের সমন্বয়ে উচ্চক্ষমতা সম্পন্ন টাস্কফোর্স গঠনের নির্দেশ দেন হাইকোর্ট। তাদেরকে ছয় মাসের মধ্যে তদন্ত শেষ করতে বলা হয়। একইসঙ্গে মামলার তদন্ত থেকে র‌্যাবকে সরিয়ে দেওয়ারও আদেশ দেওয়া হয়। রাষ্ট্রপক্ষের আবেদনের শুনানি নিয়ে বিচারপতি ফারাহ মাহবুব ও বিচারপতি মুহাম্মদ মাহবুব উল ইসলামের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন। পরে ১৭ অক্টোবর হাইকোর্টের নির্দেশে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জন নিরাপত্তা বিভাগ থেকে টাস্কফোর্স গঠন করে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। এতে পিবিআই প্রধানকে আহ্বায়ক করে ৪ সদস্যের উচ্চপর্যায়ের টাস্কফোর্স কমিটি গঠন করা হয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির অন্যান্য খবর