শনিবার, ০৮ অগাস্ট ২০২৬, ১২:৫৪ পূর্বাহ্ন
Banner
আজকের শিরোনাম :

যে ৭ টি সবজি আপনার কিডনি নষ্ট করতে পারে

প্রতিনিধির নাম / ২১৬ বার দেখা হয়েছে
আপডেট : December 30, 2024
যে ৭ টি সবজি আপনার কিডনি নষ্ট করতে পারে

আমাদের দৈনন্দিন খাদ্যাভাসের কারণেই আমাদের শরীরের সুস্থতা আর অসুস্থতা নির্ভর করে। আমরা যা খাই সেটাই আমাদের শরীরে থেকে যায়। এবং সেগুলোই আমাদের শরীরকে চালায়। তাই আমরা কী খাচ্ছি আর কী খাচ্ছি না সেগুলো খেয়াল রাখতে হবে। এমন কোন খাবার অতিরিক্ত খাওয়া যাবে না যেগুলো রোগ সৃষ্টি করে। এর মধ্যে রয়েছে সবজিও। যদিও সব সবজিই আমাদের শরীরে কোন না কোন কাজে লাগে। তবে কোন কোন সবজি আছে যেগুলো অতিরিক্ত খেলে ক্ষতি হয় বা এমন কিছু সবজি আছে যেগুলো কিছু কিছু রোগে খেতে মানা।

আজকে আপনাদের তেমন কিছু সবজির সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দেব যেগুলো আপনার অজান্তেই কিডনকে নষ্ট করে। এসব সবজিতে ইউরিক এসিডের পরিমাণ বেশি থাকে যা কিডনিকে বিকল করে দিতে পারে। তাই আগে থেকে সতর্ক হতে হবে। চলুন জেনে নেই কোন সবজিগুলে আপনার কিডনিকে নষ্ট করে দিতে পারে-

পালংশাক

পালংশাকে থাকে উচ্চ মাত্রায় পিউরিন, যা মেটাবলিজম-এর পর ইউরিক অ্যাসিডে পরিণত হয়। যা আপনার কিডনিকে নষ্ট করে দিতে পারে।

টমেটো

শুনতে আশ্চর্য লাগলেও অতিরিক্ত টমেটো খেলে কিডনিতে পাথর দেখা দিতে পারে। টমেটোতে আছে ক্যালসিয়াম এবং অক্সালেট। থাকে প্রচুর গ্লুটামেট। যেগুলো প্রায়শই হজম হয় না এবং শরীর থেকে সহজে বের করে দেয় না। এই খনিজগুলো জমা হয় এবং এটি কিডনিতে পাথর তৈরি করতে শুরু করে। পরবর্তীতে কিডনিকে নষ্ট করে দেয়।

ঢেঁড়স

ঢেঁড়সে অক্সালেট নামে একটি যৌগ থাকে। এর ফলে কিডনিতে পাথর হতে পারে। কেউ যদি কিডনিতে পাথরের সমস্যায় ভুগে থাকেন, তাহলে ঢেঁড়স স্বাস্থ্যের ক্ষতি করতে পারে।

ব্রকলি

এই সবজিতে পিউরিন আছে, পিউরিন সমৃদ্ধ খাবার খেলে শরীরে ইউরিক অ্যাসিডের মাত্রা বাড়তে থাকে। যা পরবর্তীতে কিডনিতে পাথর ও কিডনি নষ্ট করে।

মাশরুম

মাশরুমে পিউরিনের ভাগ অনেকটা বেশি থাকে। ইউরিক অ্যাসিড তৈরি হয় পিউরিন নামক এতটি উপাদান থেকে। তাই পিউরিন সমৃদ্ধ খাবার বেশি খেলে ইউরিক অ্যাসিডের সম্ভাবনা বাড়ে।

বিট

গলব্লাডার, কিডনিতে পাথর জমার সমস্যা থাকলে বিট খাওয়া চলবে না। কারণ বিটের অক্সালেট উপাদান এই শারীরিক সমস্যাকে বাড়িয়ে তোলে।

কুমড়া

কুমড়ায় থাকা পটাসিয়াম রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে সহায়ক হলেও, কিডনি যদি সঠিকভাবে কাজ না করে, তাহলে শরীর থেকে অতিরিক্ত পটাসিয়াম বের করতে সমস্যা হয়। ফলে রক্তে পটাসিয়ামের মাত্রা বেড়ে যায়, যা হাইপারক্যালিমিয়া নামে পরিচিত।

 


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির অন্যান্য খবর