বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ০৯:৫০ অপরাহ্ন
Banner
আজকের শিরোনাম :
ক্যান্সার চিকিৎসায় আসছে ১৭ রেডিওথেরাপি মেশিন, রোবটিক সার্জারির ৫টিও এ বছর ২৪ ঘণ্টায় হাম ও উপসর্গে  ৬ জনের মৃত্যু একনেকে ১৬ হাজার কোটি টাকার ১৩ প্রকল্প অনুমোদন ২ কোটি শিশু হামের টিকার আওতায়, এক মাসে আরও ৩৫ লাখকে টিকা : স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ডেঙ্গু পরিস্থিতি মোকাবিলায় সারা দেশে স্বাস্থ্যসেবা জোরদার সরকারের ওজন কমাতে কেন এই পাঁচ চা খাবেন? নারীদের হার্ট অ্যাটাকের গোপন ৪ সংকেত, যা অবহেলা করলেই বিপদ নতুন গবেষণা, গর্ভাবস্থায় সংক্রমণ হলে প্রতিবন্ধী হতে পারে শিশু এলপিজির সংকট নেই, মজুতদারি করলে ব্যবস্থা : প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা হৃদয়ের সতর্কসংকেত উপেক্ষা করা যাবে না : স্বাস্থ্যমন্ত্রী

হাসিনার বিচার করতেই হবে, নইলে জনগণ আমাদের ক্ষমা করবে না : প্রধান উপদেষ্টা

প্রতিনিধির নাম / ৯০ বার দেখা হয়েছে
আপডেট : February 14, 2025
হাসিনার বিচার করতেই হবে, নইলে জনগণ আমাদের ক্ষমা করবে না : প্রধান উপদেষ্টা

নিজস্ব প্রতিবেদক : 

সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ তার সাথের সকল দোষী ব্যক্তির বিচার করতেই হবে নইলে জনগণ আমাদের ক্ষমা করবে না বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশের অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস।

ওয়ার্ল্ড গভর্নমেন্ট সামিটে অংশগ্রহণের জন্য দুবাই সফরে থাকা প্রধান উপদেষ্টা বৃহস্পতিবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) সংযুক্ত আরব আমিরাতভিত্তিক সংবাদমাধ্যম দ্য ন্যাশনালকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এ কথা বলেন।

অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস বলেন, ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সরকারের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের শাস্তি এড়ানোর সুযোগ দেবেন না। সাবেক প্রধানমন্ত্রী এবং তার জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তাদের খুঁজে বের করে দেশে ফিরিয়ে আনা হবে, যাতে তারা আইনের মুখোমুখি হন।

তিনি বলেন, আমরা ভারতকে নোটিশ পাঠিয়েছি যে শেখ হাসিনাকে প্রত্যর্পণ করতে হবে—মানবাধিকারবিষয়ক জাতিসংঘের হাইকমিশনারের প্রতিবেদনসহ আমাদের কাছে বহু তথ্যপ্রমাণ আছে। তারা যা কিছু করেছে, সেগুলোর সাক্ষ্য এটা।

প্রধান উপদেষ্টা বলেন, আমরা ইতিমধ্যে আইনি প্রক্রিয়া শুরু করেছি। তাই আমরা আশা করছি, আইনি প্রক্রিয়া অব্যাহত থাকবে এবং আমরা তাকে বিচারের আওতায় আনব। এটা করতে হবে, না হলে মানুষ আমাদের ক্ষমা করবে না।

আগামী ডিসেম্বরে জাতীয় নির্বাচনের আশা করছেন ইউনূস। দেশে বিভিন্ন খাতে সংস্কারের জন্য ১৫টি কমিশন গঠন এবং সেগুলোর প্রতিবেদন এখন আসতে শুরু করেছে বলে উল্লেখ করেন প্রধান উপদেষ্টা। এসব কমিশনের সুপারিশ নিয়ে ঐকমত্য তৈরিতে জাতীয় ঐকমত্য কমিশন গঠনের কথাও তুলে ধরেন তিনি।

প্রধান উপদেষ্টা বলেন, আমরা এসব সুপারিশ নিয়ে এখন রাজনৈতিক দলগুলো ও সুশীল সমাজের কাছে জানতে চাইব যে আপনারা এখন কোনটা বাস্তবায়ন করতে চান আর কোনটা আপনারা ভবিষ্যতে বাস্তবায়ন করতে চান এবং কোনটা একেবারেই বাস্তবায়ন করতে চান না।

এ বিষয়ে রাজনৈতিক দলগুলো ও সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা যে মতামত দেবেন, তার ভিত্তিতে সামনে এগিয়ে যাবেন বলে জানান অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস। তিনি বলেন, এর ভিত্তিতে ডিসেম্বর নাগাদ নির্বাচন অনুষ্ঠানের আশা করছেন। এরপর আরও কিছু সংস্কারের জন্য সময় নেওয়া হলে সেটা আগামী বছরের তিন মাস হতে পারে। এটা আমাদের সরকারের সময়সীমা। এরপর ১৬ বছরের মধ্যে একটি যথাযথ নির্বাচন—একটি বিশ্বাসযোগ্য, দৃশ্যমান ও স্বচ্ছ নির্বাচন অনুষ্ঠান করে আমরা সন্তুষ্ট হব। জনগণ এটা উদ্যাপন করবে এবং আমাদের দায়িত্ব শেষ হবে।

এর আগে দুবাইয়ে ওয়ার্ল্ড গভর্নমেন্ট সামিটের এক অধিবেশনে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, তার ওপর অর্পিত দায়িত্ব যখন সম্পন্ন হবে, তখন সরে গিয়ে তিনি খুশি হবেন। অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস সেখানে বলেন, এখন আমাদের একটি ঐকমত্য গঠনের কমিশন হয়েছে, যারা সব পক্ষের মতৈক্যের সুপারিশগুলো বের করে আনবে। সেসব সুপারিশ নিয়ে একটি সনদ হবে। এই সনদ সামনে রেখে চলতি বছরের ডিসেম্বরে একটি নির্বাচন হবে। যখন আমার দায়িত্ব শেষ হবে, আমি নির্বাচিত সরকারের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তর করব।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির অন্যান্য খবর