‘বাচ্চা ঠিকমতো খাবার খায় না’-এ অভিযোগ অনেক মা-বাবারই। এ নিয়ে দুশ্চিন্তার শেষ না থাকলেও শিশু কেন খেতে চায় না, তার কারণ খুঁজে বের করেন না অনেকেই। পুষ্টিকর খাবারের চেয়ে অস্বাস্থ্যকর বিস্তারিত....
কথা বলা শিখতেই অসংখ্য প্রশ্ন করতে শুরু করে শিশুরা। চারপাশের এই নতুন জগৎ সম্পর্কে তার কৌতূহল সীমাহীন। প্রত্যেকটি ছোট ছোট বস্তুও যে তার কাছে বড়ই নতুন। তবে এ কথা না
সন্তানকে ঘিরে বাবা-মায়ের চিন্তার শেষ নেই। বিশেষ করে সন্তানের প্রতিদিনের পুষ্টি নিশ্চিত করতে পরিবারের সদস্যদের বেশ সচেতন হতে হয়। অনেক সময় দেখা যায় ঘরে বাচ্চার জন্য স্বাস্থ্যকর খাবার দিলেও অনেক
শীতে শিশুর বাড়তি যত্ন প্রয়োজন। সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিতে হয় শিশুর আরামদায়ক ঘুম নিশ্চিতকরণে। কারণ ঠাণ্ডা আবহাওয়া শিশুর আরাম এবং স্বাস্থ্যে বিরূপ প্রভাব ফেলতে পারে। শিশুকে আরামদায়ক ও সুরক্ষিত ঘুমের
শিশুদের চা বা কফি দেওয়ার ক্ষেত্রে বয়সের দিকে খেয়াল রাখা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ছোট বয়সে চা বা কফি পান করা শিশুদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশে নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। আমাদের দেশে
সন্তান যেকোন বাবা-মায়ের জন্যই অমূল্য। সব বাবা-মায়েরই চেষ্টা থাকে নিজ নিজ সন্তানকে ঠিক মতো লালন পালন করার। সে ক্ষেত্রে কিছু টিপস মাথায় রাখতে পারেন। যেমন- ১.বিভিন্ন সৃজনশীল কাজের সঙ্গে সন্তানকে
পরিবারের ছোট্ট সদস্যের খাবারের দিকে বাড়তি নজর দিতে হয়। তবে অনেক সময় শিশুখাদ্য নিয়ে অভিভাবকই বিভ্রান্তিতে পড়েন। বিভিন্ন বিজ্ঞাপন ও প্রচলিত ধারণার কারণে স্বাস্থ্যঝুঁকিতে থাকে শিশুরা। শিশুখাদ্য নিয়ে প্রচলিত আছে
হাড় ক্ষয় প্রধানত বেশি বয়সের রোগ হলেও শিশু-কিশোরদেরও কিছু কিছু সময় হাড় ক্ষয় রোগে ভুগতে দেখা যায়। যা শিশুর বৃদ্ধি, চলা ফেরার সামর্থ্যকে প্রকটভাবে ব্যাহত করতে পারে। অল্পবয়সী ছেলে-মেয়েদের পড়ে