সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ১০:০৯ পূর্বাহ্ন
Banner
আজকের শিরোনাম :
ক্যান্সার চিকিৎসায় আসছে ১৭ রেডিওথেরাপি মেশিন, রোবটিক সার্জারির ৫টিও এ বছর ২৪ ঘণ্টায় হাম ও উপসর্গে  ৬ জনের মৃত্যু একনেকে ১৬ হাজার কোটি টাকার ১৩ প্রকল্প অনুমোদন ২ কোটি শিশু হামের টিকার আওতায়, এক মাসে আরও ৩৫ লাখকে টিকা : স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ডেঙ্গু পরিস্থিতি মোকাবিলায় সারা দেশে স্বাস্থ্যসেবা জোরদার সরকারের ওজন কমাতে কেন এই পাঁচ চা খাবেন? নারীদের হার্ট অ্যাটাকের গোপন ৪ সংকেত, যা অবহেলা করলেই বিপদ নতুন গবেষণা, গর্ভাবস্থায় সংক্রমণ হলে প্রতিবন্ধী হতে পারে শিশু এলপিজির সংকট নেই, মজুতদারি করলে ব্যবস্থা : প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা হৃদয়ের সতর্কসংকেত উপেক্ষা করা যাবে না : স্বাস্থ্যমন্ত্রী

কীভাবে এবং কখন মধু খেলে উপকার পাবেন

প্রতিনিধির নাম / ২১৪ বার দেখা হয়েছে
আপডেট : August 7, 2024
কীভাবে এবং কখন মধু খেলে উপকার পাবেন

পুষ্টিগুণে সমৃদ্ধ মধু শরীরের জন্য ভীষণ উপকারী। যেকোনো ঋতুতেই মধু খাওয়া স্বাস্থ্যকর। কেউ সর্দি-কাশি কমানোর জন্য মধু খান, কেউ আবার ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখতে হালকা গরম পানিতে মধু মিশিয়ে খান। খাঁটি মধুতে যথেষ্ট পরিমাণে অ্যান্টিঅক্সিড্যান্ট, বেশ কিছু ভিটামিন ও খনিজ থাকে যা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। মধু হৃৎপিণ্ডের স্বাস্থ্যও ভালো রাখে। শরীরের যে কোনও প্রদাহ কমাতেও মধুর জুড়ি নেই।

অনেকেরই প্রশ্ন, মধু কখন ও কী ভাবে খেলে বেশি উপকার পাওয়া যাবে। পুষ্টিবিদদের মতে, দিনের যে কোনও সময়ই মধু খাওয়া যাবে। তাতে কোনও সমস্যা নেই। তবে দিনের বেলা মধু খেলেই বেশি ভালো। তবে এই নিয়ম যে সকলের জন্যই প্রযোজ্য তা নয়। কিছু ক্ষেত্রে মধু রাতেও খাওয়া যায়।

পুষ্টিবিদদের মতে, সকালে ঘুম থেকে উঠে খালি পেটে এক গ্লাস হালক গরম পানিতে মধু ও লেবু মিশিয়ে খেলে ভালো উপকার পাবেন। এতে একদিকে যেমন ওজন নিয়ন্ত্রণে থাকবে, তেমনই হজমশক্তিও বাড়বে। সকাল থেকেই শরীর তরতাজা থাকবে, ক্লান্তিভাব কমবে। যদি কারও অ্যাসিডিটির সমস্যা থাকে তা হলে লেবু বাদ দিতে পারেন। সে ক্ষেত্রে হালকা গরম পানিতে মধু মিশিয়ে খেতে পারেন অথবা এক চামচ মধু এমনিই খেয়ে নেবেন। এতে সর্দি-কাশি বা অ্যালার্জির সমস্যা থাকলে কমে যাবে। মধু খেলে ত্বকের স্বাস্থ্যও ভাল থাকবে।

শরীরচর্চা করার আগে বা পরে মধু খেলে শরীর তরতাজা থাকে। সাধারণত, শরীরচর্চা করার পরে ক্লান্তিভাব বাড়ে। তখন মধু খেলে শরীরে জোর পাওয়া যাবে। আবার যাদের ঘুমের সমস্যা রয়েছে তারা রাতে শোয়ার আগে এক চামচ মধু খেতে পারেন। এতে শরীরের টক্সিন বেরিয়ে যাবে, হজমের গোলমাল থাকলে তা ঠিক হবে। শরীরের আর্দ্রতা বজায় থাকবে। তবে ডায়াবেটিসের মতো সমস্যা থাকলে মধু না খাওয়াই ভালো।

অ্যান্টি ইনফ্ল্যামেটরি এবং অ্যান্টিবায়োটিক উপাদান থাকায় মধু ক্ষত সারাতে সাহায্য করে। খাদ্যনালিতে সংক্রমণ হলে তার জন্যও মধু উপকারী। অন্ত্রে ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়ার প্রভাব কমায় মধু। তবে মধু এক বা দু’চামচের বেশি কোনোভাবেই খাওয়া ঠিক নয়। নবজাতকদের কোনোভাবেই মধু খাওয়ানো ঠিক নয়। এতে অন্ত্রের সমস্যা হতে পারে। দুই বছরের পর তাদের মধু খাওয়াতে পারেন। সেক্ষেত্রে মধুটা খাঁটি হওয়া জরুরি।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির অন্যান্য খবর