বিশ্বব্যাপী জনপ্রিয় পানীয়ের মধ্যে রয়েছে কফির নাম। পানির সঙ্গে ফুটিয়ে রান্না করা ‘কফি বীজ’ নামে পরিচিত এক প্রকার বীজ পুড়িয়ে গুঁড়ো করেই কফি তৈরি করা হয়। এটি সারাদিনের ক্লান্তি যেমন দূর করে দেয়, তেমনই দ্রুত কাজ সারতে অনেকেরই ভরসা এই পানীয়।
দিনভর কত কাপ যে কফি পেটে যায়, তার হিসেব থাকে না। কফির সঙ্গে টুকটাক খাবারও মুখে যেতে থাকে। কিছু খাবার কফির সঙ্গে খেতে ভালো লাগলেও, আদতে খাওয়া ঠিক হবে না। তাতে আবার হিতে বিপরীত হতে পারে।
ওটস: ওট্স দিয়ে তৈরি কোনো খাবার খাওয়ার পরেই কফিতে চুমুক দেবেন না। তাতে শরীর পুষ্টি তো পাবেই না। উল্টে আরো সমস্যা হতে পারে। ওট্সে রয়েছে জিঙ্ক। কফি খেলে শরীর জিঙ্ক শোষণ করতে পারে না। ফলে শরীরে জিঙ্কের ঘাটতি তৈরি হয়।
দুগ্ধজাতীয় খাবার: কফির সঙ্গে চিজ বল খেতে ইচ্ছা করলেও তা দমন করুন। দুগ্ধজাতীয় এই খাবারগুলো কফির সঙ্গে গেলে গ্যাস-অম্বলের সমস্যায় পড়তে হতে পারে। যাদের আগে থেকেই এই সমস্যা রয়েছে, এই ঝুঁকি না নেওয়াই শ্রেয়।
ডিম: ডিম-টোস্ট কিংবা এগ স্যান্ডউইচ খাওয়ার পর যদি কফিতে চুমুক দিতে ইচ্ছা করে, তাহলে দমন করুন। ডিমের সঙ্গে কফির জুটি একেবারেই স্বাস্থ্যকর নয়। ডিমে প্রোটিনের পরিমাণ বেশি, আবার জিঙ্কও রয়েছে। তাই ডিমের সঙ্গে কফি কোনও ভাবেই খাওয়া যাবে না।