সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ০১:০৮ অপরাহ্ন
Banner
আজকের শিরোনাম :
ক্যান্সার চিকিৎসায় আসছে ১৭ রেডিওথেরাপি মেশিন, রোবটিক সার্জারির ৫টিও এ বছর ২৪ ঘণ্টায় হাম ও উপসর্গে  ৬ জনের মৃত্যু একনেকে ১৬ হাজার কোটি টাকার ১৩ প্রকল্প অনুমোদন ২ কোটি শিশু হামের টিকার আওতায়, এক মাসে আরও ৩৫ লাখকে টিকা : স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ডেঙ্গু পরিস্থিতি মোকাবিলায় সারা দেশে স্বাস্থ্যসেবা জোরদার সরকারের ওজন কমাতে কেন এই পাঁচ চা খাবেন? নারীদের হার্ট অ্যাটাকের গোপন ৪ সংকেত, যা অবহেলা করলেই বিপদ নতুন গবেষণা, গর্ভাবস্থায় সংক্রমণ হলে প্রতিবন্ধী হতে পারে শিশু এলপিজির সংকট নেই, মজুতদারি করলে ব্যবস্থা : প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা হৃদয়ের সতর্কসংকেত উপেক্ষা করা যাবে না : স্বাস্থ্যমন্ত্রী

পানিশূন্যতা প্রতিরোধের উপায়

প্রতিনিধির নাম / ২০১ বার দেখা হয়েছে
আপডেট : August 25, 2024
পানিশূন্যতা প্রতিরোধের উপায়

সারাদেশে চলছে তীব্র তাপপ্রবাহ। হঠাৎ তাপমাত্রার এমন উর্ধ্বগতিতে সবারই হাঁসফাঁস অবস্থা। এর ফলে একদিকে যেমন বাড়ছে অস্বস্তি, তেমনি বাড়ছে ডিহাইড্রেশন বা পানিশূন্যতা। পানিশূন্যতার কারণে অসুস্থ হয়ে পড়ছেন অনেকেই। যারা অসুস্থ হচ্ছেন তাদের অনেকেই বুঝতে পারছেন না আসলে তারা কী কারণে অসুস্থ হয়ে পড়ছেন। তবে ছোট ছোট কিছু পদক্ষেপে সহজেই এ অসুস্থতার ঝুঁকি এড়ানো সম্ভব। সেইসঙ্গে সম্ভব আশপাশে গরমে অসুস্থ হয়ে পড়া কোনো মানুষের জীবন রক্ষাও। কীভাবে বুঝবেন আপনি ডিহাইড্রেশনে ভুগছেন?

১। ক্লান্তিবোধ করা

২। মাথাব্যথা হওয়া

৩। তৃষ্ণাবোধ

৪। মাথা ঝিম ঝিম করা

৫। দুর্বলতা অনুভব করা

৬। ঘুম ঘুম ভাব

৭। গলা শুকিয়ে যাওয়া

৮। প্রস্রাব কম হওয়া

৯। মাংসপেশির দুর্বলতা

১০। হজমে সমস্য হওয়া

এ ছাড়াও শরীরে পানির ঘাটতি থাকলে আপনার ঠোঁট শুষ্ক হয়ে ফেটে যাবে। ত্বকে দেখা দেবে ব্রণের সমস্যা। ডিহাইড্রেশনের আরেকটি লক্ষণ হলো মুখের দুর্গন্ধ। পানি আমাদের মুখের ব্যাকটেরিয়াগুলোকে নিয়ন্ত্রণ করে। কিন্তু আপনি পানি কম খেতে শুরু করলে এই ব্যাকটেরিয়াগুলোকে নিয়ন্ত্রণের অভাবে আপনার মুখে দুর্গন্ধের সৃষ্টি হবে। শরীরে পানির অভাব হলে আপনি অল্পতেই ক্লান্তিবোধ করবেন। আপনার দেখা দেবে নিম্ন রক্তচাপের সমস্যা। এর ফলে আপনার হঠাৎ করেই হৃদস্পন্দন এবং শ্বাস প্রশ্বাসের গতি বেড়ে যেতে পারে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

ডিহাইড্রেশন কাটাবেন কীভাবে?

১। গ্রীষ্মের তীব্র গরমে যেহেতু শরীর থেকে পানি দ্রুত বের হয়ে যায়, তাই কিছুক্ষণ পরপর প্রচুর পরিমাণে পানি পান করা উচিত। আপনার শরীরে পানির পরিমাণ ঠিক আছে কি-না, তা বোঝার সবচেয়ে ভালো উপায় হলো- প্রস্রাবের রং কেমন আছে তা দেখা। যদি প্রস্রাব হলুদাভ হয়, তাহলে বুঝতে হবে আপনার শরীরে ডিহাইড্রেশনের সৃষ্টি হয়েছে।

২। প্রচুর পরিমাণে পানি সমৃদ্ধ ফল ও সবজি খান। সাইট্রাস ফ্রুট, স্ট্রবেরি, শসা, টমেটো, তরমুজ ইত্যাদি সার্ভিং ডিশে রাখুন। তাজা ফলের রসও খেতে পারেন। এতে রয়েছে ভিটামিন এ, ক্যালসিয়াম, ফাইবার, লোহা, পটাশিয়াম, খনিজ, ভিটামিন সি, বি-১ ও বি-২। তবে ফলের রস করে না ছেঁকে খেতে পারলে ভালো।

৩। গরমে আমিষজাতীয় খাবার না খাওয়াই ভালো। তবে ডায়েটে আমিষযুক্ত খাবার থাকলে নিশ্চিত করুন দৈনিক ৩ লিটার পানি গ্রহণের।

৪। খাবারে পানিসমৃদ্ধ ফল ও সবজি রাখুন। যেমন ডাব, তরমুজ, আনারস, লেবু, শসা, টমেটো, লাউ ইত্যাদি।

৫। প্রখর রোদে বাইরে বের হলে, খেলাধুলা করলে, ব্যায়াম কিংবা শারীরিক পরিশ্রমে ২০ মিনিট পরপর পানি বা শরবত পান করুন।

৬। গরমে হাই প্রোটিন ও অ্যালকোহলপূর্ণ খাবার বাদ দিতে হবে।

৭। তৃষ্ণা মেটাতে সোডা, শর্করাজাতীয় কোমল পানীয়, আইসক্রিম এড়িয়ে চলুন। মনে রাখবেন, স্বল্প মাত্রার ডিহাইড্রেশন পানি পান করার মাধ্যমে ঠিক হয়ে গেলেও গুরুতর ডিহাইড্রেশনে চিকিৎসকের শরণাপন্ন হতে হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির অন্যান্য খবর