সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ০৪:১০ অপরাহ্ন
Banner
আজকের শিরোনাম :
ক্যান্সার চিকিৎসায় আসছে ১৭ রেডিওথেরাপি মেশিন, রোবটিক সার্জারির ৫টিও এ বছর ২৪ ঘণ্টায় হাম ও উপসর্গে  ৬ জনের মৃত্যু একনেকে ১৬ হাজার কোটি টাকার ১৩ প্রকল্প অনুমোদন ২ কোটি শিশু হামের টিকার আওতায়, এক মাসে আরও ৩৫ লাখকে টিকা : স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ডেঙ্গু পরিস্থিতি মোকাবিলায় সারা দেশে স্বাস্থ্যসেবা জোরদার সরকারের ওজন কমাতে কেন এই পাঁচ চা খাবেন? নারীদের হার্ট অ্যাটাকের গোপন ৪ সংকেত, যা অবহেলা করলেই বিপদ নতুন গবেষণা, গর্ভাবস্থায় সংক্রমণ হলে প্রতিবন্ধী হতে পারে শিশু এলপিজির সংকট নেই, মজুতদারি করলে ব্যবস্থা : প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা হৃদয়ের সতর্কসংকেত উপেক্ষা করা যাবে না : স্বাস্থ্যমন্ত্রী

রাগের কারণে হতে পারে হার্টের সমস্যা

প্রতিনিধির নাম / ২১৪ বার দেখা হয়েছে
আপডেট : September 5, 2024
রাগের কারণে হতে পারে হার্টের সমস্যা

অনেকে নিজের রাগ নিয়ন্ত্রণে রাখতে পারেন না। অল্পতেই রেগে যান। তাদের জন্য রয়েছে বিপদ সংকেত। রাগের কারণে শুধু সম্পর্কই নষ্ট হয় না। এর কারণে হতে পারে হার্টের অসুখসহ অনেক রোগ। যতটা সম্ভব নিজেকে নিয়ন্ত্রণে রাখুন।

হজমের সমস্যা

শুনতে অবাক লাগলেও এটা বাস্তব। আমাদের মস্তিষ্কের সঙ্গে পেটের যোগাযোগ রক্ষা করে অটোনমিক নার্ভ সিস্টেম। রাগের কারণে শরীরের ভেতর স্ট্রেস বাড়ে। আর তা বেড়ে গেলে স্নায়ুতন্ত্রের যোগাযোগ বিঘ্নিত হয়। যা থেকে হজমের সমস্যা হতে পারে।

হার্টের বিপদ

একাধিক গবেষণায় এটি প্রমাণিত হয়েছে। দেখা গেছে, রাগের কারণে স্ট্রেস হরমোনের পরিমাণ বেড়ে যায় শরীরে। যার থেকে হার্ট অ্যাটাকের সমস্যা দেখা দিতে পারে।

কারণ স্ট্রেস সরাসরি হার্টের স্পন্দনকে প্রভাবিত করে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের একটি গবেষণা বলছে, রাগের কারণে হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি অন্তত দুই গুণ বেড়ে যায়। কমবেশি চার হাজার জনের উপর এই পরীক্ষা করে দেখা হয়।

ঘুমের সমস্যা

ঘুমের ব্যাঘাত ঘটায় রাগ। বেশ কিছু গবেষণায় দেখা গিয়েছে, কম ঘুম ও রাগের মধ্যে সম্পর্ক বা কোরিলেশন রয়েছে। কোরিলেশনের অর্থাৎ একটি বাড়লে বা কমলে অন্যটিও সেই মতো বাড়ে বা কমে।

গবেষণায় দেখা গেছে, রাগলে ঘুম আসতে দেরি হয়। এমনকি একটানা ভালো করে ঘুমও হয় না। মধ্যবয়স্ক ব্যক্তিদের মধ্যে এই সমস্যার আধিক্য আছে বলে জানাচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা।

কী করলে কমবে রাগ ?

গভীর শ্বাসের ব্যায়াম অনেকটাই উপকারে আসে। দিনে দুবার ১০ মিনিট করে এটি করুন। বুক ভরে নাক দিয়ে শ্বাস নিন। মুখ দিয়ে ছাড়ুন। এতে স্নায়ুর অস্থিরতা কমে।

কথা বলার আগে এক সেকেন্ড থেমে যান। কী বলতে যাচ্ছেন ভাবুন। বলা ঠিক কি না ভেবে নিন। রাগের সময় আমরা নিজেদের প্রাধান্য দিই। ফলে প্রথমেই নিজেকে বাদ দিয়ে উল্টোদিকের ব্যক্তির কথা ভাবুন।

 


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির অন্যান্য খবর