মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ০৫:০০ পূর্বাহ্ন
Banner
আজকের শিরোনাম :
ক্যান্সার চিকিৎসায় আসছে ১৭ রেডিওথেরাপি মেশিন, রোবটিক সার্জারির ৫টিও এ বছর ২৪ ঘণ্টায় হাম ও উপসর্গে  ৬ জনের মৃত্যু একনেকে ১৬ হাজার কোটি টাকার ১৩ প্রকল্প অনুমোদন ২ কোটি শিশু হামের টিকার আওতায়, এক মাসে আরও ৩৫ লাখকে টিকা : স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ডেঙ্গু পরিস্থিতি মোকাবিলায় সারা দেশে স্বাস্থ্যসেবা জোরদার সরকারের ওজন কমাতে কেন এই পাঁচ চা খাবেন? নারীদের হার্ট অ্যাটাকের গোপন ৪ সংকেত, যা অবহেলা করলেই বিপদ নতুন গবেষণা, গর্ভাবস্থায় সংক্রমণ হলে প্রতিবন্ধী হতে পারে শিশু এলপিজির সংকট নেই, মজুতদারি করলে ব্যবস্থা : প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা হৃদয়ের সতর্কসংকেত উপেক্ষা করা যাবে না : স্বাস্থ্যমন্ত্রী

দ্বিতীয় দফায় ৫ দিনের রিমান্ডে পুলিশ কর্মকর্তা কাফি

প্রতিনিধির নাম / ১৭৭ বার দেখা হয়েছে
আপডেট : September 12, 2024
দ্বিতীয় দফায় ৫ দিনের রিমান্ডে পুলিশ কর্মকর্তা কাফি

নিজস্ব প্রতিবেদক :

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন চলাকালে সাভারে গুলি করে মিলিটারি ইন্সটিটিউটের শিক্ষার্থী শাইখ আসহাবুল ইয়ামিনকে হত্যার মামলায় ঢাকা জেলার সাবেক অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আব্দুল্লাহ হিল কাফির ৫ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।

বৃহস্পতিবার (১২ সেপ্টেম্বর) ঢাকার সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো. জুলহাস উদ্দীনের আদালত শুনানি শেষে রিমান্ডের আদেশ দেন।

এদিন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা সাভার মডেল থানার পরিদর্শক আব্দুল্লাহ বিশ্বাস তার ৭ দিনের রিমান্ডের আবেদন করেন।

বাদীপক্ষে ওমর ফারুক ফারুকী, শামসুজ্জামান দিপু প্রমুখ আইনজীবী রিমান্ড মঞ্জুরের পক্ষে শুনানি করেন। আসামিপক্ষে রিমান্ড বাতিল করে জামিন চান অ্যাডভোকেট ফারজানা ইয়াসমিন। শুনানি শেষে আদালত তার ৫ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

গত ২৫ আগস্ট ইয়ামিনের বাবা বাদি হয়ে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ ৪৯ জনের বিরুদ্ধে আদালতে মামলাটি করেন।

মামলার অভিযোগে বলা হয়, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন চলাকালে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সংবাদ সম্মলনে আন্দোলন প্রতিহত করার জন্য উস্কানিমূলক বক্তব্য দেন। এতে তিনি বাংলাদেশের আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, আওয়ামী লীগ, যুবলীগ ও ছাত্রলীগ নেতাকর্মীদের আন্দোলনকারীদের নির্মূলের নির্দেশ দেন। আসামি ওবায়দুল কাদের বলেন, আন্দোলনকারী ছাত্রদের নির্মূল করার জন্য ছাত্রলীগ যথেষ্ট।

এরই পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৮ জুলাই দুপুর দেড়টায় পুলিশ ও আওয়ামী লীগ সম্মিলিতভাবে শান্তিপূর্ণ মিছিলে হামলা করে। তারা ইয়ামিনকে ধরে টেনে পুলিশের সাজোয়া যানের কাছে নিয়ে বুকের বামপাশে গুলি করে।

এ অবস্থায় দায়িত্বরত পুলিশ সদস্যরা ইয়ামিনকে টেনে পুলিশের সাজোয়া যানের উপরে ফেলে রেখে আন্দোলনরত ছাত্র জনতাকে ভীতি প্রর্দশনের জন্য গাড়িটি চালাতে থাকে। পরে ইয়ামিনকে প্রায় মৃত অবস্থায় রাস্তায় ফেলে দেয় এবং সাজোয়া যানের ভেতর থেকে একজন পুলিশ সদস্য বের হয়ে তার পায়ে পুনরায় গুলির র্নিদেশ দেয়। ওই পুলিশ সদস্য ইয়ামিনকে মৃত ভেবে গুলি না করে রাস্তার উপরের একপ্রান্ত থেকে অপর প্রান্তে টেনে নিয়ে রোড ডিভাইডারের পাশে ফেলে দেয়। পুলিশ সদস্যরা গুলিবিদ্ধ শাইখ ইয়ামিনকে ধরাধরি করে উঁচু রোড ডিভাইডারের একপাশ হতে আরেক পাশ ছুড়ে ফেলে। তাকে সাভারের এনাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

উল্লেখ্য, গত ২ সেপ্টেম্বর বিমানবন্দর থেকে আটক করা হয় আব্দুল্লাহ হিল কাফিকে। পরদিন রাজধানীর হাজারীবাগ থানার অপহরণের পর মুক্তিপণ আদায়ের মামলায় তার ৮ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির অন্যান্য খবর