বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ০৭:১৯ অপরাহ্ন
Banner
আজকের শিরোনাম :
ক্যান্সার চিকিৎসায় আসছে ১৭ রেডিওথেরাপি মেশিন, রোবটিক সার্জারির ৫টিও এ বছর ২৪ ঘণ্টায় হাম ও উপসর্গে  ৬ জনের মৃত্যু একনেকে ১৬ হাজার কোটি টাকার ১৩ প্রকল্প অনুমোদন ২ কোটি শিশু হামের টিকার আওতায়, এক মাসে আরও ৩৫ লাখকে টিকা : স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ডেঙ্গু পরিস্থিতি মোকাবিলায় সারা দেশে স্বাস্থ্যসেবা জোরদার সরকারের ওজন কমাতে কেন এই পাঁচ চা খাবেন? নারীদের হার্ট অ্যাটাকের গোপন ৪ সংকেত, যা অবহেলা করলেই বিপদ নতুন গবেষণা, গর্ভাবস্থায় সংক্রমণ হলে প্রতিবন্ধী হতে পারে শিশু এলপিজির সংকট নেই, মজুতদারি করলে ব্যবস্থা : প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা হৃদয়ের সতর্কসংকেত উপেক্ষা করা যাবে না : স্বাস্থ্যমন্ত্রী

দেশের শিক্ষাব্যবস্থা পুরোপুরি ধ্বংস করে ফেলা হয়েছে : সাবেক শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী

প্রতিনিধির নাম / ১০৭ বার দেখা হয়েছে
আপডেট : October 18, 2024
দেশের শিক্ষাব্যবস্থা পুরোপুরি ধ্বংস করে ফেলা হয়েছে : সাবেক শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক :

সাবেক শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ড. আ ন ম এহসানুল হক মিলন বলেন, আমাদের দেশের শিক্ষাব্যবস্থাকে পুরোপুরিভাবে ধ্বংস করে ফেলা হয়েছে। যেখানে পাশের দেশ শিক্ষার হাব তৈরি করেছে, সেখানে আমাদের ছেলেমেয়েরা পড়তে যাচ্ছে। এতে করে দেশের ফরেন কারেন্সিও নষ্ট হচ্ছে।

শুক্রবার (১৮ অক্টোবর) জাতীয় প্রেসক্লাবের তফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়া হলে এডুকেশন টাইমস ও ফাউন্ডেশন অব এডুকেশনাল ট্রান্সফারেন্সি (এফইটি) আয়োজিত ‘কোন পথে শিক্ষা ব্যবস্থা ও শিক্ষাক্রম সংস্কার’ শীর্ষক গোলটেবিল বৈঠকে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

এহসানুল হক মিলন বলেন, অন্তর্বর্তী সরকারের অধীনে বিভিন্ন কমিশন গঠন হলেও কোনো শিক্ষা কমিশন গঠন হয়নি, যা দুঃখজনক। অথচ আমরা একটি স্থায়ী শিক্ষা কমিশন আশা করেছিলাম। স্বাধীনতা পরবর্তীতে বেশ কয়েকবার শিক্ষা কমিশন গঠন করা হলেও তা যথাযথ সুফল বয়ে আনতে পারেনি। আমরা চাই এই দফায় একটি শিক্ষা কমিশন গঠন হবে যারা শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে সমন্বিতভাবে শিক্ষা সংস্কারে কাজ করবে।

তিনি বলেন, আমাদের দেশের শিক্ষাখাতকে ঢেলে সাজানোর মতো শিক্ষক রয়েছে, কিন্তু সে শিক্ষকদের যথাযথ মূল্যায়ন করা হচ্ছে না। একটা স্কুলের প্রধান শিক্ষকের বেতন সব মিলিয়ে ১৭ হাজার টাকা, বর্তমান বাজারে এ টাকায় চলা খুবই কঠিন।

সাবেক প্রতিমন্ত্রী বলেন, আমাদের দেশের শিক্ষাখাতকে ঢেলে সাজানোর মতো শিক্ষক রয়েছে, কিন্তু সে শিক্ষকদের যথাযথ মূল্যায়ন করা হচ্ছে না। একটা স্কুলের প্রধান শিক্ষকের বেতন অনেক কম, বর্তমান বাজারে সেই টাকা চলা খুবই কঠিন।

তিনি বলেন, একটা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাজেট তৈরি করে ইউজিসিতে পাঠানো হয়, সে বাজেট সরকারের কাছে পাঠানো হয়। তারপর সরকার সে বাজেটটা বিশ্ববিদ্যালয়ে পাঠায়। এখন উদাহরণস্বরূপ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কথা বলা হয়, সেখানকার ভিসি একটা বাজেট তৈরি করে থাকেন। কিন্তু সে বাজেটে কি যথাযথ প্রয়োজনীয়তা প্রতিফলিত হয়? যদি একটা ডিবেটের মাধ্যমে, ছাত্র সংসদের মতামতসহ একটা বাজেট তৈরি করা হতো, তাহলে তাতে যথেষ্ট স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা থাকতো। এতে শিক্ষার্থীরাও যেমন বুঝতো যে তার পেছনে সরকার কত টাকা খরচ করছে, তেমনি শিক্ষকরাও রাজনৈতিক ছায়ার ভেতরে থাকতে পারবেন না

এফইটির জেনারেল সেক্রেটারি শরীফ মোহাম্মদ সফিকুল আলমের সভাপতিত্বে হোলটেবিল বৈঠকে আরও উপস্থিত ছিলেন শিক্ষা ও শিশু রক্ষা আন্দোলনের আহ্বায়ক রাখাল রাহা, সেইভ দ্য চিলড্রেনের ডিরেক্টর (এডুকেশন প্রোগ্রাম) মেহেরুন্নিসা স্বপ্না।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির অন্যান্য খবর