চিকিৎসার মাধ্যমে মুখের কিছু পরিবর্তন করেছেন অনেক তারকা। এতে করে তারা আগের থেকেও বেশি সুন্দরী হয়েছেন। বর্তমানে আরও একটি সৌন্দর্য বা ত্বকের চিকিৎসা আছে যা বেশ ট্রেন্ডিং। এটি হলো লিপ ফিলার। আপনি নিশ্চয়ই লক্ষ্য করেছেন যে অনেক অভিনেত্রীর ঠোঁট অতিরিক্ত মোটা, ফোলা বা ফুলে গিয়েছে। এটি ঠোঁট ফিলারের বিস্ময়।
বিশেষজ্ঞদের মতে, লিপ ফিলার হলো এক ধরণের প্রসাধনী চিকিৎসা। যাদের ঠোঁত পাতলা, তারাই সাধারণত এই পদ্ধতি গ্রহণ করে ঠোঁটের সৌন্দর্য বাড়ান। এই ফিলারগুলো প্রাথমিকভাবে হায়ালুরোনিক অ্যাসিড দিয়ে তৈরি, যা একটি প্রাকৃতিক পদার্থ।
এটি ত্বকের আর্দ্রতা বজায় রাখতে সাহায্য করে। হায়ালুরোনিক অ্যাসিড ছাড়া আরও কিছু ফিলার আছে, যেগুলো কোলাজেন বা ক্যালসিয়াম হাইড্রোক্সিলাপেটাইট থেকে তৈরি।
লিপ ফিলারের পদ্ধতি: সাধারণত লিপ ফিলারের দাম ২০-৫০ হাজার টাকা পর্যন্ত হতে পারে। মাত্র আধা ঘণ্টার মধ্যেই এই ফিলার ট্রিটমেন্ট গ্রহণ করা সম্ভব। তাই হাসপাতালে থাকার প্রয়োজন নেই।
এক্ষেত্রে প্রথমেই একজন পেশাদার চর্মরোগ বিশেষজ্ঞ বা প্লাস্টিক সার্জনের সঙ্গে পরামর্শ করা জরুরি। যাতে তিনি আপনার চাহিদা ও প্রয়োজনীয়তাগুলো ভালোভাবে বুঝতে পারেন।
লিপ ফিলারের সময় ঠোঁটে একটি স্থানীয় অ্যানেস্থেটিক ক্রিম প্রয়োগ করা হয়। যাতে প্রক্রিয়া চলাকালীন কোনো ব্যথা না লাগে। এরপর খুব পাতলা সুই দিয়ে ফিলারটি ঠোঁটে ঢুকিয়ে দেওয়া হয়।
প্রক্রিয়াটি খুব সংবেদনশীল, তবে সাধারণত এটি ব্যথার কারণ হয় না। ঠোঁট ফিলার প্রক্রিয়া সম্পন্ন হলে আপনার ঠোঁট সামান্য ফোলা ও লাল দেখাতে পারে। এই লক্ষণগুলো সাধারণত কয়েক দিনের মধ্যেই সমাধান হয়ে যায়।
লিপ ফিলারের উপকারিতা: ঠোঁটের আকার বাড়ায়- পদ্ধতিটি ঠোঁটকে আরও পূর্ণ ও আকর্ষণীয় করে তুলতে সাহায্য করে।
লিপ ফিলারের ক্ষতিকর দিক: ফোলাভাব ও লালভাব- এই প্রক্রিয়াটির কয়েকদিন পরে সামান্য ফোলাভাব ও লালভাব হতে পারে।
ব্যথা ও অস্বস্তি- কিছু মানুষ যেখানে ফিলার স্থাপন করা হয়েছিল সেখানে হালকা ব্যথা ও অস্বস্তি অনুভব করতে পারে।
অমসৃণতা ও পিণ্ড- কখনো কখনো ফিলার অসমভাবে ছড়িয়ে পড়তে পারে ও ছোট পিণ্ড তৈরি করতে পারে।
অ্যালার্জি- অত্যন্ত বিরল ক্ষেত্রে কিছু লোকের অ্যালার্জি হতে পারে, যা ত্বকে ফুসকুড়ি বা চুলকানি হিসেবে প্রকাশ হতে পারে।