মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ০৪:২১ পূর্বাহ্ন
Banner
আজকের শিরোনাম :
ক্যান্সার চিকিৎসায় আসছে ১৭ রেডিওথেরাপি মেশিন, রোবটিক সার্জারির ৫টিও এ বছর ২৪ ঘণ্টায় হাম ও উপসর্গে  ৬ জনের মৃত্যু একনেকে ১৬ হাজার কোটি টাকার ১৩ প্রকল্প অনুমোদন ২ কোটি শিশু হামের টিকার আওতায়, এক মাসে আরও ৩৫ লাখকে টিকা : স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ডেঙ্গু পরিস্থিতি মোকাবিলায় সারা দেশে স্বাস্থ্যসেবা জোরদার সরকারের ওজন কমাতে কেন এই পাঁচ চা খাবেন? নারীদের হার্ট অ্যাটাকের গোপন ৪ সংকেত, যা অবহেলা করলেই বিপদ নতুন গবেষণা, গর্ভাবস্থায় সংক্রমণ হলে প্রতিবন্ধী হতে পারে শিশু এলপিজির সংকট নেই, মজুতদারি করলে ব্যবস্থা : প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা হৃদয়ের সতর্কসংকেত উপেক্ষা করা যাবে না : স্বাস্থ্যমন্ত্রী

মানুষ কখন ‘ফাইট মোড’-এ চলে যায়

প্রতিনিধির নাম / ১১৮ বার দেখা হয়েছে
আপডেট : October 30, 2024
মানুষ কখন ‘ফাইট মোড’-এ চলে যায়

সব ধরনের সম্পর্কই আমাদের ভালো থাকা, না থাকায় ভূমিকা রাখে। সঙ্গী, বন্ধু, আত্মীয়, সহকর্মী কিংবা পরিচিতজনের সঙ্গে আমাদের যে সম্পর্ক তার প্রভাব আমরা এড়াতে পারি না। মনোবিদরা বলেন, সম্পর্ক ভালো না থাকলে মানুষ ‘ফাইট মোডে’ থাকে না হয় ‘ফ্লাইট মোডে’ থাকে। ফলে মানুষ অতি প্রতিক্রিয়াশীল অথবা অতি হতাশাবাদী হয়ে পড়ে। প্রতিদিন আমাদের অনেক মানুষের সঙ্গে দেখা হয়, কথা হয়। কেউ আমাদের অল্প পরিচিত, কেউ বেশি পরিচিত। কারও সঙ্গে আমাদের গভীর সম্পর্ক আবার কারও সঙ্গে অগভীর সম্পর্ক। এই সব সম্পর্কের প্রভাবই আমাদের বয়ে বেড়াতে হয়।

প্রতিটি সম্পর্কের প্রভাব আমাদের শারীরিক এবং মানসিক স্বাস্থ্যের ওপর পড়ে। সকালে রিক্সাওয়ালার সঙ্গে বাকবিতণ্ডা হওয়ার প্রভাব এক রকম আবার তার সঙ্গে কথা বলতে বলতে হাসিখুশিভাবে গন্তব্যে পৌঁছে যাওয়ার প্রভাব আরেক রকম। চায়ের দোকানে বসে চা পান করতে করতে অপরিচিত কারও সঙ্গে হাসি বিনিয়ম করার প্রভাব একরকম। আবার ঝামেলায় জড়িয়ে যাওয়ার প্রভাব আরেক রকম।

মনোবিজ্ঞানীরা বলছেন, যেকোন নেতিবাচক সম্পর্ক স্ট্রেস হরমোনের ক্ষরণ বাড়িয়ে দেয়। ফলে আমরা এক ধরনের অস্থিরতা অনুভব করি। ইতিবাচক সম্পর্ক হ্যাপি হরমোনের ক্ষরণ বাড়িয়ে দেয় ফলে আমরা নিজেদেরকে সুখী ভাবতে শুরু করি।

মার্কিন মনোবিদ রবার্ট ওয়ালডিঙ্গার বলেছেন, ‘হাজারো জীবনকে কাছ থেকে দেখার পর আরও ৩০ বছর আগে থেকে উপলব্ধি করতে শুরু করেছি, সুসম্পর্কের সঙ্গে সুন্দর জীবন কিংবা ভালো থাকার একটা যোগসূত্র আছে। দেখেছি যে, শুধু সুসম্পর্কের কারণেও মানুষ শারীরিকভাবে সুস্থ থাকে, মস্তিষ্ক আরও চৌকস হয়। যারা সুন্দর সম্পর্ক বজায় রাখতে জানেন, তারা দ্রুত রোগ থেকে সেরে উঠতে পারেন।’

নেতিবাচক সম্পর্কগুলোর প্রভাবও বেশিরভাগ ক্ষেত্রে নেতিবাচক।

রবার্ট ওয়ালডিঙ্গার আরও বলেছেন, ‘যাদের কারও সঙ্গে সুসম্পর্ক নেই, তারা চাপ সামাল দিতে পারেন না। সেক্ষেত্রে তারা হয় ‘ফাইট মোড’ নয়তো ‘ফ্লাইট মোড’-এ থাকেন।’


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির অন্যান্য খবর