মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ০২:১৮ অপরাহ্ন
Banner
আজকের শিরোনাম :
ক্যান্সার চিকিৎসায় আসছে ১৭ রেডিওথেরাপি মেশিন, রোবটিক সার্জারির ৫টিও এ বছর ২৪ ঘণ্টায় হাম ও উপসর্গে  ৬ জনের মৃত্যু একনেকে ১৬ হাজার কোটি টাকার ১৩ প্রকল্প অনুমোদন ২ কোটি শিশু হামের টিকার আওতায়, এক মাসে আরও ৩৫ লাখকে টিকা : স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ডেঙ্গু পরিস্থিতি মোকাবিলায় সারা দেশে স্বাস্থ্যসেবা জোরদার সরকারের ওজন কমাতে কেন এই পাঁচ চা খাবেন? নারীদের হার্ট অ্যাটাকের গোপন ৪ সংকেত, যা অবহেলা করলেই বিপদ নতুন গবেষণা, গর্ভাবস্থায় সংক্রমণ হলে প্রতিবন্ধী হতে পারে শিশু এলপিজির সংকট নেই, মজুতদারি করলে ব্যবস্থা : প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা হৃদয়ের সতর্কসংকেত উপেক্ষা করা যাবে না : স্বাস্থ্যমন্ত্রী

পায়ের মাংসপেশিতে টান লাগলে কী করবেন?

প্রতিনিধির নাম / ৮১ বার দেখা হয়েছে
আপডেট : December 8, 2024
পায়ের মাংসপেশিতে টান লাগলে কী করবেন?

পায়ের রগে বা পেশিতে টান হঠাৎ করেই হয়ে থাকে। আগে থেকে বুঝে উঠা মুশকিল যে কখন পেশিতে টান লাগতে পারে। মাংসপেশিতে টান পড়া বা শরীরের কোনো অংশ মচকানো বেশ সাধারণ একটি সমস্যা। যাকে বিশেষজ্ঞের ভাষায় মাসল পুল, মাসল সোরনেস, স্ট্রেইন, স্প্রেইন, ক্র্যাম্প, স্প্যাজম ইত্যাদি বলা হয়ে থাকে। পেশিতে টান পড়লে তাহলে করণীয় কী?

কেন টান পড়ে?

দীর্ঘসময় ধরে অতিরিক্ত পরিশ্রমের কারণে অনেক সময় পায়ের পেশিতে বেশি টান লাগতে পারে। আবার দীর্ঘক্ষণ বসে বা দাঁড়িয়ে থাকলেও এমনটা হতে পারে। আবার অন্য কারণেও হতে পারে। যেমন, পানিশূন্যতা, মাংসপেশি বা স্নায়ুতে আঘাত, রক্তে পটাসিয়াম, ক্যালসিয়াম ও ম্যাগনেসিয়ামের অভাব, কিছু ঔষধের পার্শ্ব-প্রতিক্রিয়া যেমন- হাইপারটেনশন ও কোলেস্টেরল, কয়েকটি বিশেষ ভিটামিনের অভাবে যেমন- ভিটামিন ‘বি’ B1, B5, B6। কিছু বদভ্যাসের কারণে যেমন- ধূমপান, মদপান।

ধূমপায়ীদের পায়ে রক্ত চলাচল কম হয় বলে সামান্য হাঁটাহাঁটিতেই তাদের পায়ে টান লাগে। গর্ভাবস্থায় বিভিন্ন স্নায়ুতে চাপ পড়ে থাকে, তাই ওই সময় পায়ের পেশিতে টান লাগা স্বাভাবিক ব্যাপার। আবার হাইপোথাইরয়েডিজম, কিডনি ফেইলিওর, মেন্সট্রুয়েশন, গর্ভসঞ্চার ইত্যাদির কারণেও পেশিতে টান লাগতে পারে।

তখন কী করবেন?

মাংসপেশি প্রসারণ: আক্রান্ত স্থানের মাংসপেশি ধীরে ধীরে টেনে প্রসারিত করুন। পায়ের আঙুল ধরে সামনের দিকে টানুন। যদি হাঁটুর পেছনের দিকে টান লাগে, পায়ের পাতা সামনে রেখে সোজা বসে ধীরে ধীরে প্রসারিত করুন।

ম্যাসাজ করুন: টান ধরা স্থানে হালকা ম্যাসাজ করলে রক্ত সঞ্চালন বাড়ে এবং ব্যথা কমে। গরম বা ঠাণ্ডা সেঁক দিতে পানির ব্যাগ বা তোয়ালে ব্যবহার করুন। প্রথমে ঠাণ্ডা সেঁক দিন এবং পরে গরম সেঁক দিন।

পানিশূন্যতা পূরণ: পর্যাপ্ত পানি পান করুন। ডিহাইড্রেশন কমাতে স্যালাইন বা ইলেকট্রোলাইট সমৃদ্ধ পানীয় খেতে পারেন।

ব্যথানাশক ওষুধ: প্রয়োজন হলে চিকিৎসকের পরামর্শে প্যারাসিটামল বা আইবুপ্রোফেন জাতীয় ওষুধ সেবন করতে পারেন।

ব্যালেন্সড ডায়েট: ক্যালসিয়াম, পটাশিয়াম ও ম্যাগনেসিয়াম সমৃদ্ধ খাবার যেমন কলা, দুধ, শাকসবজি ইত্যাদি খাওয়ার অভ্যাস করুন।

প্রতিরোধের উপায়:

নিয়মিত স্ট্রেচিং: ব্যায়ামের আগে এবং পরে স্ট্রেচিং করলে মাংসপেশির সংকোচন কম হয়।

পানি পান : দৈনিক পর্যাপ্ত পরিমাণে পানি পান করুন।

সুষম খাদ্য: প্রয়োজনীয় পুষ্টি নিশ্চিত করুন, বিশেষ করে ইলেকট্রোলাইট সমৃদ্ধ খাবার।

উপযুক্ত জুতা পরুন : আরামদায়ক এবং সঠিক মাপের জুতা ব্যবহার করুন।

পর্যাপ্ত বিশ্রাম নিন : অতিরিক্ত পরিশ্রম বা দীর্ঘক্ষণ একই অবস্থানে বসে থাকা এড়িয়ে চলুন।

কখন চিকিৎসকের পরামর্শ নেবেন?

প্রাথমিকভাবে পেশিতে টান পড়লে উপরোক্ত মাধ্যমে প্রাথমিক চিকিৎসা দিলে সহজে আরাম পাবেন। তবে যদি অতিরিক্ত ব্যথা থাকে এবং প্রাথমিক চিকিৎসা তেও কাজ না হয় তাহলে যত দ্রুত সম্ভব চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির অন্যান্য খবর