মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ০২:১৭ অপরাহ্ন
Banner
আজকের শিরোনাম :
ক্যান্সার চিকিৎসায় আসছে ১৭ রেডিওথেরাপি মেশিন, রোবটিক সার্জারির ৫টিও এ বছর ২৪ ঘণ্টায় হাম ও উপসর্গে  ৬ জনের মৃত্যু একনেকে ১৬ হাজার কোটি টাকার ১৩ প্রকল্প অনুমোদন ২ কোটি শিশু হামের টিকার আওতায়, এক মাসে আরও ৩৫ লাখকে টিকা : স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ডেঙ্গু পরিস্থিতি মোকাবিলায় সারা দেশে স্বাস্থ্যসেবা জোরদার সরকারের ওজন কমাতে কেন এই পাঁচ চা খাবেন? নারীদের হার্ট অ্যাটাকের গোপন ৪ সংকেত, যা অবহেলা করলেই বিপদ নতুন গবেষণা, গর্ভাবস্থায় সংক্রমণ হলে প্রতিবন্ধী হতে পারে শিশু এলপিজির সংকট নেই, মজুতদারি করলে ব্যবস্থা : প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা হৃদয়ের সতর্কসংকেত উপেক্ষা করা যাবে না : স্বাস্থ্যমন্ত্রী

ফ্যাটি লিভারের রোগীদের বিপজ্জনক খাবার

প্রতিনিধির নাম / ৯২ বার দেখা হয়েছে
আপডেট : December 8, 2024
ফ্যাটি লিভারের রোগীদের বিপজ্জনক খাবার

সশরীরের গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গগুলোর মধ্যে অন্যতম হলো লিভার। যদি কোনো কারণে এ অঙ্গ কাজ করা বন্ধ করে দেয়, তাহলে শরীর অসুস্থ হয়ে পড়ে। লিভারের বিভিন্ন সমস্যার মধ্যে অন্যতম হলো ফ্যাটি লিভার। মূলত দুধরনের ফ্যাটি লিভার হতে পারে যেমন- অ্যালকোহলিক ফ্যাটি লিভার (মদ্যপানের কারণে এটি হয়) ও নন-অ্যালকোহলিক ফ্যাটি লিভার (জীবনযাত্রায় অনিয়মের কারণে ঘটে)।

ফ্যাটি লিভার কেন হয় : লিভারে সামান্য কিছু ফ্যাট বা চর্বি এমনিতেই থাকে, এর চেয়ে বেশি চর্বি সেখানে বাড়তে থাকলে তা ফ্যাটি লিভার হিসেবে বিবেচিত হয়। প্রথমদিকে ফ্যাটি লিভারের কোনো লক্ষণ দেখা দেয় না, তবে সমস্যা বাড়তে শুরু করলে ছোটখাট বিভিন্ন লক্ষণ দেখা দেয় যেমন- পেটের উপরের দিকে ব্যথা, খাওয়ার পর অস্বস্তিভাব, ক্ষুধা কম লাগা, ত্বকে চুলকানি বা ফুসকুঁড়ি, পেট বড় হয়ে যাওয়া বা ভুঁড়ি হওয়া ইত্যাদি।

ফ্যাটি লিভারের সমস্যা আরো কিছুটা বেড়ে গেলে হতে পারে লিভার সিরোসিস, যা একটি প্রাণঘাতী অসুখ। এর থেকে পরবর্তী সময়ে লিভার ক্যানসার পর্যন্ত হতে পারে। তাই লিভার সুস্থ রাখতে জীবনযাত্রায় পরিবর্তন আনা জরুরি। যারা এরই মধ্যে ফ্যাটি লিভারে ভুগছেন তারা কয়েকটি খাবার এড়িয়ে চলুন, কারণ এগুলো আপনার জন্য হতে পারে বিপজ্জনক।

ভাজাপোড়া খাবার : ভাজাপোড়া খাবারের প্রতি কমবেশি সবারই দুর্বলতা আছে। তবে বার্গার থেকে চিপস কিংবা পাস্তা বা পিজ্জা এসব মুখোরোচক খাবার কার না পছন্দের! এসব খাবার খাওয়ার আগে আপনাকে মাথায় রাখতে হবে এগুলো প্রচুর পরিমাণে তেল দিয়ে তৈরি করা হয়, যা লিভারের জন্য খুবই ক্ষতিকারক। তাই লিভার সুস্থ রাখতে এসব ডিপ ফ্রাই খাবার এড়িয়ে চলা উচিত।

ঘি বা মাখন : ঘি ও মাখনের মধ্যে থাকে স্যাচুরেটেড ফ্যাট। তাই স্বাভাবিকভাবেই লিভারের স্বাস্থ্য বজায় রাখতে ঘি বা মাখন বুঝেশুনে খাওয়া উচিত।

গরু বা খাসির মাংস : রেডমিট স্বাস্থ্যের পক্ষে যে ক্ষতিকারক তা বারবার বলেন চিকিৎসকরা। যদি একান্তই ছেড়ে দিতে না পারেন তাহলে অন্ততপক্ষে যতটা সম্ভব এড়িয়ে চলুন গরু বা খাসির মাংস।

কোল্ড ড্রিঙ্ক : লিভার সুস্থ রাখতে হলে যেকোনো ধরনের কোল্ড ড্রিঙ্কস বা সফট ড্রিঙ্কস এড়িয়ে যেতে হবে। কারণ এগুলো স্বাস্থ্যের জন্য একেবারেই ভালো না। কোল্ড ড্রিঙ্কসে থাকে অতিরিক্ত মিষ্টি উপাদান, যা লিভারে চর্বির পরিমাণ বাড়াতে পারে।

মদ্যপান : অ্যালকোহল যে শরীরের জন্য একেবারেই ভালো নয়, সে কথা সবারই জানা। অতিরিক্ত মদ্যপানের কারণে অ্যালকোহলিক ফ্যাটিতে লিভার ডিজিজ হতে পারে। যা পরবর্তী সময়ে লিভার সিরোসিসের মতো কঠিন অসুখও ডেকে আনতে পারে। খুব প্রয়োজন হলে একমাসে একদিন বা দুদিন খেতে পারেন, তবে প্রতিদিন একেবারেই নয়।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির অন্যান্য খবর