মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ০৩:১২ অপরাহ্ন
Banner
আজকের শিরোনাম :
ক্যান্সার চিকিৎসায় আসছে ১৭ রেডিওথেরাপি মেশিন, রোবটিক সার্জারির ৫টিও এ বছর ২৪ ঘণ্টায় হাম ও উপসর্গে  ৬ জনের মৃত্যু একনেকে ১৬ হাজার কোটি টাকার ১৩ প্রকল্প অনুমোদন ২ কোটি শিশু হামের টিকার আওতায়, এক মাসে আরও ৩৫ লাখকে টিকা : স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ডেঙ্গু পরিস্থিতি মোকাবিলায় সারা দেশে স্বাস্থ্যসেবা জোরদার সরকারের ওজন কমাতে কেন এই পাঁচ চা খাবেন? নারীদের হার্ট অ্যাটাকের গোপন ৪ সংকেত, যা অবহেলা করলেই বিপদ নতুন গবেষণা, গর্ভাবস্থায় সংক্রমণ হলে প্রতিবন্ধী হতে পারে শিশু এলপিজির সংকট নেই, মজুতদারি করলে ব্যবস্থা : প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা হৃদয়ের সতর্কসংকেত উপেক্ষা করা যাবে না : স্বাস্থ্যমন্ত্রী

শীতে পায়ের গোড়ালি ফেটে গেলে করণীয়

প্রতিনিধির নাম / ১৪৫ বার দেখা হয়েছে
আপডেট : January 7, 2025
শীতে পায়ের গোড়ালি ফেটে গেলে করণীয়

শীতে অনেকেরই পা ফাটে। পা না ফাটলেও ত্বক শুষ্ক হয়ে পড়ে, কারও চামড়া ওঠে। তাই সবারই কমবেশি আলাদা করে পায়ের যত্ন নেওয়া উচিত। পায়ের গোড়ালি ফেটে যাওয়া কষ্টকর ও বিব্রতকর সমস্যা।

কারণ

শীতে পানি কম পান করার কারণে শরীর ডিহাইড্রেট থাকে। তা ছাড়া শীতে বাতাসে আর্দ্রতা কম থাকে। আবার পা নোংরা থাকার কারণেও ফাটতে থাকে। পা ফাটার অন্যান্য কারণ হলো:

• খালি পায়ে হাঁটা, দীর্ঘ সময় দাঁড়িয়ে কাজ করা, শক্ত জুতা পরা, ধুলাবালুতে কাজ করা, পরিমিত পানি পান না করা। ভিটামিন এ, সি এবং ই–এর অভাব।

• কিছু রোগের কারণেও পা ফাটে, যেমন জিনবাহিত রোগ পামোপ্ল্যান্টার কেরাটোডার্মায় রোগীর ত্বক পুরু হয়। মোটা ও পুরু চামড়া সংগত কারণেই খসখসে এবং শক্ত হতে থাকে, যা অত্যধিক শুষ্কতায় ফেটে যায়।

• সোরিয়াসিস একধরনের চর্মরোগ; যার প্রকোপ বাড়ে শীতে। এ রোগে হাত–পায়ে চাকা দাগ হয়, চুলকানি দেখা দেয়। চামড়া ওঠাও এ রোগের লক্ষণ। হাত–পায়ের তালুতে সোরিয়াসিস হলে আক্রান্ত স্থান ফেটে গিয়ে লাল মাংস দেখা যায়। শীতে এ ফাটা বেড়ে যায়।

• টিরিয়াসিস রুব্রা পাইলারিস জিনবাহিত রোগটি যাঁদের আছে, শীতে তাঁদের হাত–পা প্রচণ্ড শুষ্ক হয়ে যায় এবং পা ফেটে যায়।

পা ফাটা কেন খারাপ

পা ফাটলে গোড়ালিতে যন্ত্রণা হয়। পায়ের ত্বকে ইনফেকশন হতে পারে, পায়ে ব্যথা অনুভূত হয়, পা ফুলে যায় এবং দৈনন্দিন চলাফেরা ব্যাহত হয়। ফাটা স্থানে জীবাণুর সংক্রমণের ফলে ঘা হতে পারে। বিশেষ করে ডায়াবেটিস থাকলে সমস্যা প্রকট হতে পারে।

করণীয়

• পা ফাটা সমস্যা প্রতিকারের প্রথম ও প্রধান শর্ত, ত্বক নরম রাখা। তাই শীতের সময় যা করতে হবে তা হলো, খালি পায়ে না হাঁটা। আরামদায়ক নরম জুতা ও সুতি মোজা পরা।

• রোজ দুই থেকে আড়াই লিটার পানি পান করা। নিয়মিত পা ধুয়ে–মুছে কিছুটা ভেজা থাকা অবস্থায় লোশন বা ভ্যাসলিন ব্যবহার করা।

• পা ফাটা থাকলে ঝামা পাথর বা পিউমিস পাথর দিয়ে ঘষে মরা চামড়া তুলে ফেলা এবং পরে নারকেল তেল মালিশ করা।

• আধা বালতি কুসুম গরম পানিতে এক চিমটি লবণ দিয়ে পা আধা ঘণ্টা ডুবিয়ে রাখলে বেশ আরাম পাওয়া যায়। এ ছাড়া সমপরিমাণ গ্লিসারিন ও গোলাপজলের মিশ্রণ পায়ের ফাটা স্থানে লাগিয়ে সারা রাত রেখে দিন। এতে পা ফাটা ও ব্যথা কমবে।

নিয়মিত যত্নের পরও যদি পা ফাটা সমস্যা না কমে, তবে অবশ্যই ত্বক বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের কাছে যেতে হবে।

 


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির অন্যান্য খবর