সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ০৯:০৩ পূর্বাহ্ন
Banner
আজকের শিরোনাম :
ক্যান্সার চিকিৎসায় আসছে ১৭ রেডিওথেরাপি মেশিন, রোবটিক সার্জারির ৫টিও এ বছর ২৪ ঘণ্টায় হাম ও উপসর্গে  ৬ জনের মৃত্যু একনেকে ১৬ হাজার কোটি টাকার ১৩ প্রকল্প অনুমোদন ২ কোটি শিশু হামের টিকার আওতায়, এক মাসে আরও ৩৫ লাখকে টিকা : স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ডেঙ্গু পরিস্থিতি মোকাবিলায় সারা দেশে স্বাস্থ্যসেবা জোরদার সরকারের ওজন কমাতে কেন এই পাঁচ চা খাবেন? নারীদের হার্ট অ্যাটাকের গোপন ৪ সংকেত, যা অবহেলা করলেই বিপদ নতুন গবেষণা, গর্ভাবস্থায় সংক্রমণ হলে প্রতিবন্ধী হতে পারে শিশু এলপিজির সংকট নেই, মজুতদারি করলে ব্যবস্থা : প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা হৃদয়ের সতর্কসংকেত উপেক্ষা করা যাবে না : স্বাস্থ্যমন্ত্রী

শীতে জয়েন্টে ব্যথা থেকে মুক্তি পেতে যা করবেন

প্রতিনিধির নাম / ১২৭ বার দেখা হয়েছে
আপডেট : January 16, 2025
শীতে জয়েন্টে ব্যথা থেকে মুক্তি পেতে যা করবেন

শীতকালে জয়েন্টে ব্যথা মাত্রাতিরিক্ত বৃদ্ধি পায়। এ সময় যারা আর্থরাইটিস, রিওমাটয়েড আর্থরাইটিস ও অস্ট্রিওআর্থরাইটিসের মতো হাড়ক্ষয় রোগে ভুগছেন তাদের কষ্ট বহুলাংশে বেড়ে যায়। এ ছাড়া পেশি, লিগামেন্ট, হাড় ও স্নায়ুর ব্যথাও তীব্র হয়।

শীতকালে জয়েন্টের পুরনো ব্যথা নতুন করে শুরু হয়। অর্থোপেডিক বিশেষজ্ঞদের মতে, এই সময় জয়েন্টের ব্যথা বিশেষ করে হাঁটুর ব্যথায় আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা ১৫-২০ শতাংশ বেড়ে যায়। বিভিন্ন আঘাত বা ভিতরে কোনো রোগের বিকাশের কারণেও জয়েন্টে ব্যথা হতে পারে। বেশিরভাগ মানুষই পিঠ এবং হাঁটুর ব্যথায় ভোগেন। তবে নিতম্ব, হাত এবং কব্জিতেও ব্যথা থাকতে পারে। যা ঠাণ্ডায় বেড়ে যায়।

শীতকালে জয়েন্টের রক্তনালীগুলো সরু হয়ে যায়, এতে রক্ত চলাচল ব্যহত হয়। আমাদের জয়েন্টে সাইনোভিয়াল ফ্লুইড নামে একটি তরল থাকে। তাপমাত্রা কমে গেলে কিছুটা ঘন হয়ে যায়। ফলে জয়েন্টগুলোতে শক্ত হয়ে ব্যথা বাড়তে পারে। শীতকালে বাতাসের চাপ কমে যায়, যার ফলে টেন্ডন, পেশী এবং টিস্যু ফুলে যায়, যা জয়েন্টে ব্যথা হতে পারে।

চলুন জেনে নেয়া যাক শীতে জয়েন্টে ব্যথা থেকে মুক্তি পেতে যা যা করণীয়:

* শীতকালে আপনি ঘামছেন না তার মানে এই নয় যে আপনার শরীর থেকে তরল বের হচ্ছে না। এই ঋতুতে বাতাস শুষ্ক হয়ে যায়। যার কারণে আপনার শরীর ত্বক এবং শ্বাসের মাধ্যমে আর্দ্রতা হারায়। এ সময় বেশি পানি পান করতে না পারেন তাহলে স্যুপ, হার্বাল চায়ের মতো উষ্ণ পানীয় খান। এতে শরীর গরম থাকবে এবং আর্দ্রতাও বজায় থাকবে।

* ঠান্ডা আবহাওয়া থেকে শরীরকে বাঁচাতে কাপড়ের নিচে একটি থার্মাল স্যুট পড়া যেতে পারে। গ্লাভস এবং মোজাও পরতে পারেন। তাপমাত্রা কম হলে বাইরে ব্যয়াম না করাই ভালো। শীতে শুকনো ফল খেতে হবে। এগুলো শরীরকে উষ্ণ রাখে এবং ভিটামিন ই জয়েন্টগুলোতে লুব্রিকেশন বজায় রাখতে সহায়তা করে।

* নিয়মিত ব্যয়াম হাড় এবং পেশীকে শক্তিশালী করে। নিষ্ক্রিয় থাকার ফলে জয়েন্টগুলোতে ব্যথা এবং শক্ততা বৃদ্ধি পায়।

* ঠাণ্ডা আবহাওয়ায় শরীরকে গরম রাখতে বেশি শক্তির প্রয়োজন হয়, তাই আমরা বেশি ক্ষুধার্ত বোধ করি। ফলে এ সময় ভাজা খাবার এবং চা, কফি খাওয়া বেড়ে যায়। তাই প্রক্রিয়াজাত খাবার খাওয়া এড়িয়ে চলুন।

* ব্যথা হলে জয়েন্টগুলোতে হিটিং প্যাড ব্যবহার করুন। এতে আপনার পেশীগুলো আরাম পাবে। হালকা গরম তেল দিয়ে ম্যাসাজ করলে জয়েন্টগুলোতে আরামবোধ হয়। ব্যথা বাড়লে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী ব্যথানাশক ওষুধও খাওয়া যেতে পারে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির অন্যান্য খবর