বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:১৪ পূর্বাহ্ন
Banner
আজকের শিরোনাম :
‘কোন ডিসেম্বরে আসবেন, ক্লিয়ার করেন’, শেখ হাসিনাকে দুলু স্বাস্থ্যখাত ঢেলে সাজাতে প্রযুক্তি ও গবেষণায় বড় রাষ্ট্রীয় বিনিয়োগের পরিকল্পনা : স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী কিডনি রোগীদের জন্য বড় সুখবর, সব জেলা-উপজেলায় মিলবে ডায়ালাইসিস সেবা স্থানীয় সরকার নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার ক্ষেত্রে শিক্ষাগত যোগ্যতার প্রয়োজন নেই : স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী দেশের সবার জন্য স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করা হবে : ডা. জুবাইদা রহমান শরীরের এই অঙ্গটি নীরবে আমাদের সুস্থ রাখতে কাজ করে যাচ্ছে   সেপ্টেম্বরে জ্বালানি তেলের দাম নির্ধারণ মানুষের মৌলিক স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে সরকার পরিকল্পিতভাবে কাজ করছে : স্বাস্থ্যমন্ত্রী ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে ৬ শিশুর মৃত্যু নীরবে থাইরয়েড ক্যানসার বাড়ছে না তো? খেয়াল রাখুন ৫ লক্ষণ

এবিসি জুস কি সত্যিই মেদ কমায়?

প্রতিনিধির নাম / ৩৭ বার দেখা হয়েছে
আপডেট : August 18, 2026
এবিসি জুস কি সত্যিই মেদ কমায়?

ওজন কমানোর চেষ্টায় অনেকেই বিভিন্ন ধরনের জুসকে খাদ্যতালিকায় রাখেন। এর মধ্যে এবিসি জুস বেশ জনপ্রিয়। আপেল, বিটরুট ও গাজর দিয়ে তৈরি এই জুসকে অনেকে মেদ কমানোর উপকারী পানীয় হিসেবে মনে করেন। তবে এটি কি সত্যিই শরীরের অতিরিক্ত মেদ কমাতে পারে?

যেসব বিষয় জানা জরুরি:

এবিসি জুস কী: এবিসি বলতে আপেল, বিটরুট ও গাজর—এই তিনটি উপাদান বোঝায়। তিনটি খাবারই বিভিন্ন ভিটামিন, খনিজ ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্টের উৎস।

মেদ কমানোর প্রমাণ নেই: এবিসি জুস পান করলেই শরীরের জমে থাকা চর্বি দ্রুত কমে যায়—এমন নির্ভরযোগ্য বৈজ্ঞানিক প্রমাণ নেই। তাই এটিকে ‘ফ্যাট বার্নার’ হিসেবে দেখা ঠিক নয়।

পুষ্টিকর পানীয় হতে পারে: পরিমিত পরিমাণে এবিসি জুস খাদ্যতালিকায় রাখা যেতে পারে। তবে এটি কোনো সুষম খাবারের বিকল্প নয়।

ফাইবারের বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ: জুস করার সময় ফল ও সবজির ফাইবারের একটি অংশ বাদ পড়ে যায়। তাই সম্ভব হলে আপেল ও গাজরসহ ফল-সবজি আস্ত খাওয়া বেশি উপকারী।

বাড়তি চিনি নয়: ওজন কমানোর লক্ষ্য থাকলে এবিসি জুসে চিনি, মধু বা সিরাপ যোগ না করাই ভালো। এতে অপ্রয়োজনীয় ক্যালরি বেড়ে যেতে পারে।

পরিমাণে নজর দিন: স্বাস্থ্যকর হলেও বেশি পরিমাণে জুস পান করলে মোট ক্যালরি গ্রহণ বেড়ে যেতে পারে। তাই পরিমিত খাওয়াই ভালো।

মেদ কমানোর মূল উপায়: শরীরের অতিরিক্ত মেদ কমাতে সুষম খাবার, প্রয়োজন অনুযায়ী ক্যালরি নিয়ন্ত্রণ এবং নিয়মিত হাঁটা বা ব্যায়াম সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।

এবিসি জুস স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাসের অংশ হতে পারে, কিন্তু শুধু এটি পান করে মেদ কমানোর আশা করা ঠিক নয়। দ্রুত ফল পাওয়ার বদলে নিয়মিত স্বাস্থ্যকর খাবার, পর্যাপ্ত ঘুম ও শারীরিক পরিশ্রমের অভ্যাস গড়ে তোলাই ওজন নিয়ন্ত্রণের কার্যকর উপায়।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির অন্যান্য খবর