রবিবার, ০১ নভেম্বর ২০২৬, ০৬:১২ পূর্বাহ্ন
Banner
আজকের শিরোনাম :
ক্যান্সার চিকিৎসায় আসছে ১৭ রেডিওথেরাপি মেশিন, রোবটিক সার্জারির ৫টিও এ বছর ২৪ ঘণ্টায় হাম ও উপসর্গে  ৬ জনের মৃত্যু একনেকে ১৬ হাজার কোটি টাকার ১৩ প্রকল্প অনুমোদন ২ কোটি শিশু হামের টিকার আওতায়, এক মাসে আরও ৩৫ লাখকে টিকা : স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ডেঙ্গু পরিস্থিতি মোকাবিলায় সারা দেশে স্বাস্থ্যসেবা জোরদার সরকারের ওজন কমাতে কেন এই পাঁচ চা খাবেন? নারীদের হার্ট অ্যাটাকের গোপন ৪ সংকেত, যা অবহেলা করলেই বিপদ নতুন গবেষণা, গর্ভাবস্থায় সংক্রমণ হলে প্রতিবন্ধী হতে পারে শিশু এলপিজির সংকট নেই, মজুতদারি করলে ব্যবস্থা : প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা হৃদয়ের সতর্কসংকেত উপেক্ষা করা যাবে না : স্বাস্থ্যমন্ত্রী

এবিসি জুস কি সত্যিই মেদ কমায়?

প্রতিনিধির নাম / ৭৩ বার দেখা হয়েছে
আপডেট : August 18, 2026
এবিসি জুস কি সত্যিই মেদ কমায়?

ওজন কমানোর চেষ্টায় অনেকেই বিভিন্ন ধরনের জুসকে খাদ্যতালিকায় রাখেন। এর মধ্যে এবিসি জুস বেশ জনপ্রিয়। আপেল, বিটরুট ও গাজর দিয়ে তৈরি এই জুসকে অনেকে মেদ কমানোর উপকারী পানীয় হিসেবে মনে করেন। তবে এটি কি সত্যিই শরীরের অতিরিক্ত মেদ কমাতে পারে?

যেসব বিষয় জানা জরুরি:

এবিসি জুস কী: এবিসি বলতে আপেল, বিটরুট ও গাজর—এই তিনটি উপাদান বোঝায়। তিনটি খাবারই বিভিন্ন ভিটামিন, খনিজ ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্টের উৎস।

মেদ কমানোর প্রমাণ নেই: এবিসি জুস পান করলেই শরীরের জমে থাকা চর্বি দ্রুত কমে যায়—এমন নির্ভরযোগ্য বৈজ্ঞানিক প্রমাণ নেই। তাই এটিকে ‘ফ্যাট বার্নার’ হিসেবে দেখা ঠিক নয়।

পুষ্টিকর পানীয় হতে পারে: পরিমিত পরিমাণে এবিসি জুস খাদ্যতালিকায় রাখা যেতে পারে। তবে এটি কোনো সুষম খাবারের বিকল্প নয়।

ফাইবারের বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ: জুস করার সময় ফল ও সবজির ফাইবারের একটি অংশ বাদ পড়ে যায়। তাই সম্ভব হলে আপেল ও গাজরসহ ফল-সবজি আস্ত খাওয়া বেশি উপকারী।

বাড়তি চিনি নয়: ওজন কমানোর লক্ষ্য থাকলে এবিসি জুসে চিনি, মধু বা সিরাপ যোগ না করাই ভালো। এতে অপ্রয়োজনীয় ক্যালরি বেড়ে যেতে পারে।

পরিমাণে নজর দিন: স্বাস্থ্যকর হলেও বেশি পরিমাণে জুস পান করলে মোট ক্যালরি গ্রহণ বেড়ে যেতে পারে। তাই পরিমিত খাওয়াই ভালো।

মেদ কমানোর মূল উপায়: শরীরের অতিরিক্ত মেদ কমাতে সুষম খাবার, প্রয়োজন অনুযায়ী ক্যালরি নিয়ন্ত্রণ এবং নিয়মিত হাঁটা বা ব্যায়াম সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।

এবিসি জুস স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাসের অংশ হতে পারে, কিন্তু শুধু এটি পান করে মেদ কমানোর আশা করা ঠিক নয়। দ্রুত ফল পাওয়ার বদলে নিয়মিত স্বাস্থ্যকর খাবার, পর্যাপ্ত ঘুম ও শারীরিক পরিশ্রমের অভ্যাস গড়ে তোলাই ওজন নিয়ন্ত্রণের কার্যকর উপায়।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির অন্যান্য খবর