সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ০৫:৪৩ অপরাহ্ন
Banner
আজকের শিরোনাম :
ক্যান্সার চিকিৎসায় আসছে ১৭ রেডিওথেরাপি মেশিন, রোবটিক সার্জারির ৫টিও এ বছর ২৪ ঘণ্টায় হাম ও উপসর্গে  ৬ জনের মৃত্যু একনেকে ১৬ হাজার কোটি টাকার ১৩ প্রকল্প অনুমোদন ২ কোটি শিশু হামের টিকার আওতায়, এক মাসে আরও ৩৫ লাখকে টিকা : স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ডেঙ্গু পরিস্থিতি মোকাবিলায় সারা দেশে স্বাস্থ্যসেবা জোরদার সরকারের ওজন কমাতে কেন এই পাঁচ চা খাবেন? নারীদের হার্ট অ্যাটাকের গোপন ৪ সংকেত, যা অবহেলা করলেই বিপদ নতুন গবেষণা, গর্ভাবস্থায় সংক্রমণ হলে প্রতিবন্ধী হতে পারে শিশু এলপিজির সংকট নেই, মজুতদারি করলে ব্যবস্থা : প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা হৃদয়ের সতর্কসংকেত উপেক্ষা করা যাবে না : স্বাস্থ্যমন্ত্রী

হলুদ নাকি কমলা, কোন রঙের ডিমের কুসুম বেশি পুষ্টিকর

প্রতিনিধির নাম / ১৩০ বার দেখা হয়েছে
আপডেট : February 18, 2025
হলুদ নাকি কমলা, কোন রঙের ডিমের কুসুম বেশি পুষ্টিকর

ডিমের কুসুমের রং বিভিন্ন হতে পারে—হালকা হলুদ, গাঢ় হলুদ, সোনালি কিংবা কমলা। কিন্তু কেন এই পার্থক্য? কুসুমের রঙ কি পুষ্টিগুণের ওপর কোনো প্রভাব ফেলে? চলুন জেনে নেওয়া যাক ডিমের কুসুমের রঙ কেন আলাদা আলাদা হয় এবং কোন রঙের কুসুমে পুষ্টি বেশি।

কুসুমের রঙের তারতম্যের কারণ

  • ডিমের কুসুমের রং মুরগি বা হাঁসের খাদ্যাভ্যাসের ওপর নির্ভর করে।
  • গমজাতীয় খাবার খেলে কুসুমের রং হয় হালকা হলুদ।
  • ভুট্টা ও সয়াজাতীয় খাবার খেলে কুসুম হয় গাঢ় হলুদ বা সোনালি।
  • প্রাকৃতিকভাবে চরে বেড়ানো হাঁস-মুরগি, যারা ঘাস, বীজ, আগাছা ও পোকামাকড় খায়, তাদের ডিমের কুসুম হয় উজ্জ্বল কমলা বা লালচে। কারণ, এসব খাবারে থাকা ক্যারোটিনই এ রঙের মূল কারণ।

পুষ্টিগুণের দিক থেকে সেরা কোনটি?

গাঢ় রঙের কুসুমে বিটা ক্যারোটিন বেশি থাকে, যা ভিটামিন ‘এ’-এর উৎস। ফলে কমলা বা লালচে কুসুমে ভিটামিন ‘এ’ বেশি থাকতে পারে। তবে ডিমের আকারও গুরুত্বপূর্ণ। ছোট ডিমের কুসুমে তুলনামূলক কম পুষ্টি থাকে, তাই পুষ্টির চাহিদা পূরণে একাধিক ছোট ডিম খেতে হবে।

কোন ডিম খাবেন?

বাণিজ্যিকভাবে উৎপাদিত ডিম বড় হলেও তা সব সময় স্বাস্থ্যকর নয়। কারণ, এসব মুরগিকে গ্রোথ হরমোন, রাসায়নিক এবং অ্যান্টিবায়োটিক খাওয়ানো হয়। তাই নিরাপদ ও পুষ্টিকর ডিমের জন্য খোলা জায়গায় চরে বেড়ানো মুরগি বা হাঁসের ডিম কেনাই ভালো। তবে নিশ্চিত হতে হবে যে কৃত্রিমভাবে কমলা বা লালচে রং আনতে কোনো রাসায়নিক ব্যবহার করা হয়নি।

সুতরাং, ডিমের কুসুমের রং যত গাঢ়, ততই তা পুষ্টিকর—তবে কেবল তখনই, যখন তা প্রাকৃতিক উপায়ে হয়। তাই পরিচিত ও নির্ভরযোগ্য উৎস থেকে ডিম কেনাই সবচেয়ে নিরাপদ।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির অন্যান্য খবর