সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ০৫:৪৫ অপরাহ্ন
Banner
আজকের শিরোনাম :
ক্যান্সার চিকিৎসায় আসছে ১৭ রেডিওথেরাপি মেশিন, রোবটিক সার্জারির ৫টিও এ বছর ২৪ ঘণ্টায় হাম ও উপসর্গে  ৬ জনের মৃত্যু একনেকে ১৬ হাজার কোটি টাকার ১৩ প্রকল্প অনুমোদন ২ কোটি শিশু হামের টিকার আওতায়, এক মাসে আরও ৩৫ লাখকে টিকা : স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ডেঙ্গু পরিস্থিতি মোকাবিলায় সারা দেশে স্বাস্থ্যসেবা জোরদার সরকারের ওজন কমাতে কেন এই পাঁচ চা খাবেন? নারীদের হার্ট অ্যাটাকের গোপন ৪ সংকেত, যা অবহেলা করলেই বিপদ নতুন গবেষণা, গর্ভাবস্থায় সংক্রমণ হলে প্রতিবন্ধী হতে পারে শিশু এলপিজির সংকট নেই, মজুতদারি করলে ব্যবস্থা : প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা হৃদয়ের সতর্কসংকেত উপেক্ষা করা যাবে না : স্বাস্থ্যমন্ত্রী

ত্বকে পড়া ভাঁজ রোধ করবেন যেভাবে

প্রতিনিধির নাম / ৯৬ বার দেখা হয়েছে
আপডেট : February 20, 2025
ত্বকে পড়া ভাঁজ রোধ করবেন যেভাবে

আমাদের ত্বকের নিচে রয়েছে কোলাজেন ও ইলাস্টিক ফাইবার। ত্বকের এ কোলাজেন ও ইলাস্টিক ত্বক অটুট ও দৃঢ় রাখে। কোনও কারণে যদি ত্বকের এ গুরুত্বপূর্ণ উপাদান ভেঙে যায়, তা হলে ত্বকে ভাঁজ পড়ে। এর নাম রিংকেল। নানা কারণেই ত্বকে ভাঁজ পড়তে পারে। এর মধ্যে রয়েছে বারবার মুখ ও কপাল কুচকিয়ে ভঙ্গিমা করা, বয়সজনিত সমস্যা, সান ড্যামেজ বা সূর্য কিরণে ত্বকের ক্ষতি, ধূমপান, পর্যাপ্ত পানি পান না করা এবং হরমোনের তারতম্যসহ অন্যান্য কিছু কারণ। বিশেষ করে শরীরে যদি কর্টিসোল হরমোনের মাত্রা স্বাভাবিকের চেয়ে বেড়ে যায়, তা হলে ত্বকের কোলাজেন ভেঙে যায়। ফলে ত্বকে ভাঁজ বা রিংকেল সৃষ্টি হয়। এছাড়া ডায়াবেটিস, ইনফেকশাস ডিজেজসহ নানা কারণে শরীরের ওজন কমলেও ত্বকে ভাঁজ পড়ে বা ত্বক শিথিল হতে পারে।

ত্বকের এই ভাঁজ প্রতিরোধ করতে হলে প্রচুর পানি পান, অকারণে কপাল কুচকানো বন্ধ করা, ধূমাপান সম্পূর্ণ ত্যাগ এবং কিছু কিছু কসমেটিক পদ্ধতি অনুসরণ করে ভালো ফল পাওয়া যায়। কসমেটিক পদ্ধতির মধ্যে রয়েছে মেডিক্যালি অ্যাপরুভড ব্লিচিং এজেন্ট ও কেমিক্যাল পিলিং, ক্ষেত্রবিশেষে লেজার ব্যবহার করা যেতে পারে।

বয়স বাড়লে ত্বকে ভাঁজ পড়ার কারণ হলো- আমাদের বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে প্রাকৃতিক কারণেই চামড়ার ভাঁজ পড়তে শুরু করে। কিছু পরিবেশগত প্রভাব, যেমনÑ সূর্যালোকের সংস্পর্শে এবং ধূমপানের ধোঁয়া এটা আরও বাড়িয়ে দেয়। চামড়া টান টান করে ধরে রাখতে সহায়তা করে কোলাজেন নামক যে প্রোটিন, আমাদের বয়স বাড়তে থাকলে তা ধীরে ধীরে ক্ষয় হতে থাকে। ফলে ত্বক পাতলা ও ভঙ্গুর হয়ে পড়ে। চামড়ার যে স্থিতিস্থাপকতা, সেটি আসে ইলাস্টিন থেকে এবং আর্দ্রতা ধরে রাখতে সহায়তা করে। বয়স বাড়ার প্রতিক্রিয়ার উভয় উপাদান ক্ষয় হয়ে বা পরিমাণে হ্রাস পায়। ফলে ত্বকে দেখা দেয় শুষ্কভাব, গড়ে ওঠে ভাঁজ; যাকে সাধরণভাবে বলিরেখা বলে।

এসব পরিবর্তন অপরিবর্তনীয়। তবে এটা জেনে রাখা ভালো, সূর্যের আলোর প্রতিক্রিয়া, ধূমপানের ধোঁয়া, দূষণ এবং এ ধরনের আরও অনেক কিছু ব্যাপারটা দ্রুততর করে। এসবের প্রতিক্রিয়ায় ত্বকের কোনও কোনও অংশ পুরু হয়ে যেতে পারে বা ঘটতে পারে খারাপ ধরনের কোনও অসুস্থতা বা সমস্যা। তেমন হলে ত্বকের স্থিতিস্থাপকতা, কাঠিন্য নষ্ট হয়ে যায়। ত্বক হয়ে ওঠে খসখসে, অসমান, সৃষ্টি হতে পারে গভীর বলিরেখা।

ত্বক মসৃণ ও বলিরেখামুক্ত রাখার জন্য বিদেশে বিভিন্ন ধরনের ক্রিম, লোশন, ওষুধ ব্যবহার করা হয়। আমাদের দেশেও এসবের কমতি নেই। এসবের মধ্যে এসেছে জিঙ্ক অথবা টাইটেনিয়াম সম্বলিত ক্রিম বা তেল। বয়স ঢেকে রাখার জন্য কত শত ধরনের ক্রিম বা তেল আছে- তার হিসাব করা কঠিন। তবে এগুলোর অধিকাংশ রাসায়নিক বিষ বললে ভুল বলা হবে না। প্রকৃতপক্ষে ত্বকের ভাঁজ পড়া বিলম্বিত করার সহজ উপায় আপনার হাতেই রয়েছে। এজন্য নিয়মিত ব্যায়াম করুন, পুষ্টিকর খাবার বিশেষ করে প্রচুর ফলমূল ও সবজি প্রতিদিন খেতে থাকুন। আপনার জীবনযাত্রা ও খাদ্যাভ্যাসের এ কৌশলে শরীর রোগমুক্ত রাখতে যেমন সহায়তা করবে, তেমনি তা ত্বক সুস্থ ও সতেজ রাখবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির অন্যান্য খবর