সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ০৫:১০ অপরাহ্ন
Banner
আজকের শিরোনাম :
ক্যান্সার চিকিৎসায় আসছে ১৭ রেডিওথেরাপি মেশিন, রোবটিক সার্জারির ৫টিও এ বছর ২৪ ঘণ্টায় হাম ও উপসর্গে  ৬ জনের মৃত্যু একনেকে ১৬ হাজার কোটি টাকার ১৩ প্রকল্প অনুমোদন ২ কোটি শিশু হামের টিকার আওতায়, এক মাসে আরও ৩৫ লাখকে টিকা : স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ডেঙ্গু পরিস্থিতি মোকাবিলায় সারা দেশে স্বাস্থ্যসেবা জোরদার সরকারের ওজন কমাতে কেন এই পাঁচ চা খাবেন? নারীদের হার্ট অ্যাটাকের গোপন ৪ সংকেত, যা অবহেলা করলেই বিপদ নতুন গবেষণা, গর্ভাবস্থায় সংক্রমণ হলে প্রতিবন্ধী হতে পারে শিশু এলপিজির সংকট নেই, মজুতদারি করলে ব্যবস্থা : প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা হৃদয়ের সতর্কসংকেত উপেক্ষা করা যাবে না : স্বাস্থ্যমন্ত্রী

ডিমের কুসুমে দাগ থাকলে কি খাওয়া যায়?

প্রতিনিধির নাম / ১০২ বার দেখা হয়েছে
আপডেট : April 13, 2025
ডিমের কুসুমে দাগ থাকলে কি খাওয়া যায়?

ডিম খাওয়া আমাদের শরীরে জন্য খুবই উপকারী। সকালের নাশতায় কিংবা শরীরে প্রোটিনের সহজ জোগান হলো ডিম। দিনে একাধিক ডিমও অনেকে খেয়ে থাকেন। বিভিন্নভাবে ডিম খাওয়া যায়, যেমন— ডিমের পোচ, ডিমের অমলেট, ডিম সেদ্ধ।

ডিম ভাঙার পর কখনো কখনো কুসুমে লাল রক্তের দাগ দেখা যায়, অনেক সময় মাংসের টুকরোও লক্ষ্য করা যায়। এমন ডিম যদি খেয়েও ফেলেন তাহলে কী হয় শরীরে? তা জানাতেই আজকের প্রতিবেদন। চলুন, জেনে নেওয়া যাক।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ডিমের কুসুমে রক্তের দাগ থাকলে তা শরীরের পক্ষে ক্ষতিকারক নয়, যদি সেটি ভালো করে রান্না করা হয়।

অর্থাৎ সঠিক সময় ধরে যদি সেটি ভাজা বা সিদ্ধ করা হয়, তাহলে সেই ডিম খেলে কোনো ক্ষতি হয় না। অনেকে আবার রক্তের অংশটি চামচ দিয়ে তুলে নিয়ে রান্না করেন, তাতেও কোনো ক্ষতি নেই।

অনেকের মতে, ডিম্বনালি দিয়ে ডিম যাওয়ার সময় অনেক সময়ই তাতে মাংসের টুকরো বা রক্ত মিশে যায়। এতে শরীরে ক্ষতি করার মতো কিছু থাকে না।

তবে যদি ডিমের সাদা অংশটি কখনো গোলাপি, লাল বা সবুজ রঙের হয়, তাহলে কিন্তু সেই ডিম শরীরের ব্যাপক ক্ষতি করবে। সিউডোমোনাস ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণের ফলে এমন হয় বলে এ ধরনের ডিম খাওয়া উচিত নয়। এ ছাড়া সবুজ ডিমেও সিউডোমোনাস ব্যাকটেরিয়ার থাকে বলে এই ধরনের ডিম খাওয়াও উচিত নয়। কিছু জীবাণু সবুজাভ, উজ্জ্বল ও পানিতে দ্রবণীয় রঞ্জক উৎপন্ন করে, যা মানুষের জন্য ক্ষতিকর।

বিশেষজ্ঞদের মতে, এসব ডিমে বিষাক্ত ব্যাকটেরিয়ার প্রভাবের ফলেই সেটির রং বদলে যায়।

এক্ষেত্রে এমন ডিম না খেয়ে ফেলে দিতে হবে। সাধারণত ১ শতাংশ ডিমের কুসুমে এমন রক্তের দাগ দেখা যায়। ডিম বাজারে আসার আগে সেটি ক্যান্ডলিং পদ্ধতিতে পরীক্ষা হয়। জোরালো আলো দিয়ে কুসুমের ভেতরটি দেখা হয়, সেখানেই রক্তের দাগযুক্ত ডিম বাতিল হয়ে যায়। ফলে খুব কম সময়ই এমন ডিম আমাদের হাতে পড়ে।

তবে সাদা খোলের চেয়ে খয়েরি রঙের খোলযুক্ত ডিমে রক্তের দাগযুক্ত কুসুম বেশি পাওয়া যায়। কারণ খয়েরি খোলের রং অনেক সময়ই সেই দাগকে ঢেকে দেয়। ফলে পরীক্ষার সময় সেটি ধরা পড়ে না। বাজারে চলে আসে। তবে অনেক সময় ডিমের সাদা অংশেও রক্তের দাগ দেখা যায়। এতেও শরীরে কোনো ক্ষতি হয় না বলেই মত বিশেষজ্ঞদের।

ডিমের মধ্যে ব্লাড স্পট বা অন্য কোনো অস্বাভাবিকতা নির্ণয়ের জন্য কোনো খাবার তৈরির সময় এর সঙ্গে ডিম যোগ করার আগে একটি আলাদা পাত্রে একটি একটি করে ডিম ভাঙ্গা উচিত।

এতে আপনার পুরো রেসিপিটি নষ্ট হওয়ার ভয় থাকেনা এবং ডিমের খোসা মিশে যাওয়ারও ভয় থাকেনা। ইচ্ছে করলে পরিষ্কার একটি ছুরি দিয়ে ডিমের কুসুমের রক্তের চিহ্নটি সরিয়ে তারপর রান্না করতে পারেন। এটিসহ রান্না করলেও কোনো সমস্যা নেই।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির অন্যান্য খবর