সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ০৪:০৩ অপরাহ্ন
Banner
আজকের শিরোনাম :
ক্যান্সার চিকিৎসায় আসছে ১৭ রেডিওথেরাপি মেশিন, রোবটিক সার্জারির ৫টিও এ বছর ২৪ ঘণ্টায় হাম ও উপসর্গে  ৬ জনের মৃত্যু একনেকে ১৬ হাজার কোটি টাকার ১৩ প্রকল্প অনুমোদন ২ কোটি শিশু হামের টিকার আওতায়, এক মাসে আরও ৩৫ লাখকে টিকা : স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ডেঙ্গু পরিস্থিতি মোকাবিলায় সারা দেশে স্বাস্থ্যসেবা জোরদার সরকারের ওজন কমাতে কেন এই পাঁচ চা খাবেন? নারীদের হার্ট অ্যাটাকের গোপন ৪ সংকেত, যা অবহেলা করলেই বিপদ নতুন গবেষণা, গর্ভাবস্থায় সংক্রমণ হলে প্রতিবন্ধী হতে পারে শিশু এলপিজির সংকট নেই, মজুতদারি করলে ব্যবস্থা : প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা হৃদয়ের সতর্কসংকেত উপেক্ষা করা যাবে না : স্বাস্থ্যমন্ত্রী

ঠান্ডা-কাশির পরে টুথব্রাশ বদলানো কি দরকার?

প্রতিনিধির নাম / ৮৯ বার দেখা হয়েছে
আপডেট : April 25, 2025
ঠান্ডা-কাশির পরে টুথব্রাশ বদলানো কি দরকার?

অনেক সংক্রামক রোগ হাঁচি-কাশি বা মুখের লালার মাধ্যমে ছড়ায়। তাই স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন আসে—এই ধরনের রোগ টুথব্রাশের মাধ্যমেও কি ছড়াতে পারে? আর ঠান্ডা-কাশির মতো সংক্রমণ হলে কি টুথব্রাশ বদলে ফেলা উচিত?

টুথব্রাশ জীবাণু ছড়ায় কি?

স্বাভাবিকভাবে আমাদের মুখ ও শরীরে কিছু উপকারী জীবাণু থাকে, যাদের বলা হয় ‘নরমাল ফ্লোরা’। এরা সাধারণত আমাদের ক্ষতি করে না, বরং অন্য ক্ষতিকর জীবাণুর আক্রমণ ঠেকাতে সাহায্য করে। তবে একজনের নরমাল ফ্লোরা অন্য কারও শরীরে গেলে সংক্রমণ ঘটতে পারে। টুথব্রাশ ব্যবহারের পর ধুয়ে রাখলেও এতে মুখের জীবাণু রয়ে যেতে পারে। তাই একজনের টুথব্রাশ থেকে অন্যজনের মধ্যে জীবাণু ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা থাকে। বিশেষজ্ঞরাও এই বিষয়ে সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছেন।

রোগ ছড়ানোর ঝুঁকি

আপনি যদি অসুস্থ অবস্থায় থাকেন—বিশেষ করে ঠান্ডা, কাশি বা সর্দির মতো সংক্রমণে—তাহলে ব্যবহৃত টুথব্রাশে জীবাণু জমা হতে পারে। এমনকি অন্য কেউ যদি সেই টুথব্রাশ ব্যবহার না-ও করে, শুধু পাশে থাকা অন্য টুথব্রাশের সংস্পর্শে এলেও জীবাণু ছড়াতে পারে। এতে পরিবারের অন্য সদস্যরাও সংক্রমিত হতে পারেন।

নিজের শরীরে জীবাণু ফেরত আসবে?

অনেকেই মনে করেন, একবার অসুস্থ হওয়ার পর পুরনো টুথব্রাশ ব্যবহার করলে সেই জীবাণু আবার শরীরে ফিরে আসতে পারে। তবে বিজ্ঞান বলছে, শরীর একবার কোনো জীবাণুর বিরুদ্ধে লড়াই করলে সাধারণত সেই জীবাণুর বিরুদ্ধে প্রতিরোধ ক্ষমতা তৈরি হয়। তাই নিজের পুরনো জীবাণু দিয়ে নিজেই আবার সংক্রমিত হওয়ার সম্ভাবনা খুব কম। তবে যাদের রোগ প্রতিরোধক্ষমতা কম—যেমন শিশু, বয়োজ্যেষ্ঠ, ডায়াবেটিস রোগী, কিডনির দীর্ঘমেয়াদি রোগে আক্রান্ত ব্যক্তি বা স্টেরয়েডজাতীয় ওষুধ সেবনকারী—তাদের ক্ষেত্রে ঝুঁকি থেকেই যায়। এই ধরনের মানুষদের ক্ষেত্রে অসুস্থতা সেরে ওঠার পর টুথব্রাশ বদলে ফেলা উচিত।

যত্নে থাকুক টুথব্রাশ

  • সবারই প্রতি ৩-৪ মাস অন্তর টুথব্রাশ বদলানো উচিত।
  • ব্যবহারের পর টুথব্রাশ ভালোভাবে ধুয়ে পানি ঝরিয়ে ফেলুন।
  • এমন কভার ব্যবহার করুন যাতে বাতাস চলাচল করতে পারে।
  • একাধিক ব্যক্তির টুথব্রাশ এক হোল্ডারে রাখবেন না। আলাদা হোল্ডার ব্যবহার করুন এবং একাধিক টুথব্রাশের মধ্যে কয়েক ইঞ্চি দূরত্ব বজায় রাখুন।
  • টুথব্রাশ শুকনো জায়গায় রাখার চেষ্টা করুন। চাইলে বাথরুমের বাইরে দেয়ালে হোল্ডার লাগিয়ে নিতে পারেন।

সতর্কতা ও পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতাই হতে পারে সংক্রমণ থেকে রক্ষার সেরা উপায়।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির অন্যান্য খবর