রবিবার, ০২ অগাস্ট ২০২৬, ০১:২৩ পূর্বাহ্ন
Banner
আজকের শিরোনাম :

পারফরম্যান্স খারাপ হলে মন্ত্রিসভায় রদবদল হতে পারে : তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা

নিজস্ব প্রতিবেদক / ৭ বার দেখা হয়েছে
আপডেট : July 21, 2026
পারফরম্যান্স খারাপ হলে মন্ত্রিসভায় রদবদল হতে পারে : তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা

নিজস্ব প্রতিবেদক : 

প্রধানমন্ত্রী কারও পারফরম্যান্সে সন্তুষ্ট না হলে প্রয়োজনে দপ্তর পুনর্বণ্টন কিংবা উপদেষ্টা পরিষদে নতুন মুখ যুক্ত করতে পারেন বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমান। তবে মন্ত্রিসভায় সম্ভাব্য রদবদল সরকারের ১৮০ দিনের আগে নাকি পরে হবে, সে বিষয়ে তিনি নির্দিষ্ট করে কিছু বলতে পারেননি।

মঙ্গলবার (২১ জুলাই) সচিবালয়ে তথ্য অধিদপ্তরের (পিআইডি) সম্মেলন কক্ষে সরকারের বিভিন্ন কার্যক্রমের অগ্রগতি নিয়ে সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।

সরকারের ১৮০ দিন সামনে রেখে মন্ত্রিসভায় রদবদল হতে পারে বলে এক ধরনের আলোচনা হচ্ছে। এটার বাস্তবতা কতটুকু? এ বিষয়ে উপদেষ্টা বলেন, আমিও জানি না, আমিও মিডিয়াতে দেখছি। এর বেশি কিছু না। তবে একটা জিনিস গ্রসলি আমরা মনে করতে পারি, এটা সেই পুরোনো কথা, শুধু ১৮০ দিনের কথা বলছি না। বিষয়টা হলো যে, কোনো ফ্যাসিস্ট বা মাফিয়া রেজিম দেখাতে চায়, তিনি যা করেছেন, সঠিক করেছেন। তিনি ভুলের সংশোধনী নিতে পারেন না, কোনো ভুল করতে পারেন না, তার সব ঠিক আছে। এ রকম চিন্তার ফলে তারা তাদের সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসেন না। আমরা এমনটা করতে চাই না।

উপদেষ্টা বলেন, প্রধানমন্ত্রী একটা মন্ত্রিসভা তৈরি করেছেন, একটা উপদেষ্টা পরিষদ তৈরি করেছেন। ওনার সঙ্গে কথা প্রসঙ্গে আমি বুঝি, প্রধানমন্ত্রীর যদি কখনো মনে হয় কেউ ভালো পারফর্ম করতে পারছেন না; তার জায়গায় দপ্তর পুনর্বণ্টন অথবা নতুন কাউকে দেওয়ার প্রয়োজন হলে সেটা তিনি করবেন।

তিনি বলেন, দিন শেষে আমাদের লক্ষ্য জনগণের কল্যাণ সাধন করা। প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তার কোনো চয়েজ বা সিদ্ধান্ত আরও বেটার করার সুযোগ যদি থাকে, তিনি সেটা করবেন। এটা এখন ১৮০ দিনের (সরকারের ১৮০ দিন ) পরপর হবে, নাকি তার চেয়ে একটু সময় লাগবে, সেটা এখনই নিশ্চিতভাবে বলা যাবে না।

ঝিনাইদহে বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমানের আবক্ষ ভাস্কর্যটি স্থানান্তরের সিদ্ধান্ত সরকারের বলে জানিয়েছেন তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান। একই সঙ্গে ভাস্কর্য অপসারণের ঘটনাকে ঘিরে ছড়িয়ে পড়া বিভিন্ন তথ্যের বিষয়ে সতর্ক থাকার আহ্বান জানান তিনি।

কয়েক দিন আগে বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমানের ভাস্কর্য ভাঙার ঘটনায় সরকার বা প্রশাসনের পক্ষ থেকে দৃশ্যমান কোনো কঠোর ব্যবস্থা দেখা যায়নি। এ বিষয়ে সরকারের অবস্থান কী? জানতে চাইলে ডা. জাহেদ উর রহমান বলেন, ঘটনাটি জানার পর তিনি ব্যক্তিগতভাবে সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসনের সঙ্গে যোগাযোগ করে খোঁজ নিয়েছেন।

তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান বলেন, ঘটনাটি নিয়ে নানা ধরনের বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রচার হচ্ছে। প্রশাসনের কাছ থেকে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, এটি জঙ্গি হামলা বা ভাঙচুরের ঘটনা নয়; বরং অসমাপ্ত ভাস্কর্যটি অন্যত্র স্থানান্তর করে নতুনভাবে নির্মাণের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, প্রশাসনের কাছ থেকে যে তথ্য পেয়েছি, তাতে জানা গেছে ভাস্কর্যটির নির্মাণকাজই এখনো সম্পূর্ণ হয়নি। এটি ২০১৯-২০ সালের দিকে শুরু হয়েছিল, কিন্তু শেষ হয়নি।

তথ্য উপদেষ্টা জানান, প্রশাসনের কাছে দুটি অভিযোগ এসেছে। প্রথমত, আবক্ষ ভাস্কর্যের মুখাবয়ব বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমানের সঙ্গে যথাযথভাবে সাদৃশ্যপূর্ণ নয়। দ্বিতীয়ত, ভাস্কর্যটি একটি গুরুত্বপূর্ণ সড়কের সংযোগস্থলে উঁচু বেদির ওপর নির্মাণ করায় যান চলাচলে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করছে এবং দুর্ঘটনার ঝুঁকি বাড়াচ্ছে।

তিনি বলেন, প্রাথমিকভাবে আমিও বিস্মিত হয়েছিলাম। পরে বিষয়টি বিস্তারিত জানার পর জেলা প্রশাসন জানিয়েছে, বর্তমান স্থান থেকে এটি সরিয়ে এমন একটি উপযুক্ত স্থানে নতুনভাবে বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমানের আবক্ষ ভাস্কর্য নির্মাণ করা হবে, যেখানে তাঁর অবয়ব স্পষ্টভাবে ফুটে উঠবে এবং মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিও যথাযথভাবে তুলে ধরা হবে।

এক প্রশ্নের জবাবে তিনি নিশ্চিত করেন, ভাস্কর্যটি স্থানান্তরের সিদ্ধান্ত সরকারের।

ডা. জাহেদ উর রহমান বলেন, যাচাই-বাছাই ছাড়া কোনো ঘটনাকে জঙ্গি হামলা বা নাশকতা হিসেবে প্রচার করা ঠিক নয়। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নানা ধরনের অনুমানভিত্তিক মন্তব্য বিভ্রান্তি তৈরি করতে পারে।

তিনি বলেন, কোনো নাগরিক যদি আগের কোনো ঘটনার সঙ্গে মিলিয়ে অনুমান করেন, সেটি এক বিষয়। কিন্তু যাচাই ছাড়া সেটিকে সত্য হিসেবে প্রচার করা ডিসইনফরমেশন হতে পারে। তাই তথ্য যাচাই করেই বক্তব্য দেওয়া প্রয়োজন।

তথ্য উপদেষ্টা জানান, ভুয়া তথ্য ও বিভ্রান্তিকর প্রচার মোকাবিলায় সরকার ইতোমধ্যে একটি বিশেষ প্যানেল গঠন করেছে, যা এ ধরনের বিষয় যাচাই করে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেবে।

ডিসইনফরমেশন, মিসইনফরমেশন এবং বিশেষ করে নারীদের বিরুদ্ধে সাইবার বুলিং মোকাবিলায় আইনগত ব্যবস্থা জোরদার করতে আইনজীবীদের একটি বিশেষ প্যানেল গঠন করেছে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়। আগামী কয়েকদিন বা চলতি সপ্তাহের মধ্যেই এ-সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি হবে বলে জানিয়ে ডা. জাহেদ উর রহমান বলেন, তথ্যের অপব্যবহার করে মানুষকে হয়রানি, বিভ্রান্তি ছড়ানো কিংবা সাইবার বুলিংয়ের শিকার করার ঘটনা উদ্বেগজনকভাবে বাড়ছে। বিশেষ করে নারীরা অনলাইনে সবচেয়ে বেশি ঝুঁকির মধ্যে থাকেন। এ বাস্তবতায় তথ্য মন্ত্রণালয় একটি আইনজীবী প্যানেল গঠনের উদ্যোগ নিয়েছিল, যার কাজ এখন সম্পন্ন হয়েছে।

তিনি বলেন, প্যানেল গঠনের জন্য বিজ্ঞাপন প্রকাশ, সাক্ষাৎকার গ্রহণ, প্রয়োজনীয় যাচাই-বাছাই এবং প্রশাসনিক সব প্রক্রিয়া শেষ হয়েছে। এখন শুধু আনুষ্ঠানিক প্রজ্ঞাপন জারি বাকি। এটি হলে প্যানেলটি আনুষ্ঠানিকভাবে কাজ শুরু করবে।

তথ্য উপদেষ্টা বলেন, এই উদ্যোগ সাধারণ মানুষের জন্য সুখবর হলেও যারা ইচ্ছাকৃতভাবে ডিসইনফরমেশন ছড়ান, ভুয়া ছবি-ভিডিও তৈরি করেন বা সাইবার বুলিং করেন, তাদের জন্য এটি সতর্কবার্তা। সরকার এসব অপরাধের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নেবে।

তিনি বলেন, প্যানেলটি শুধু সরকারের বিরুদ্ধে ছড়ানো বিভ্রান্তিকর তথ্য নিয়েই কাজ করবে না, বরং ভুয়া তথ্য, অপপ্রচার বা সাইবার হয়রানির শিকার নাগরিকের সুরক্ষার বিষয়েও প্রয়োজনীয় আইনগত পদক্ষেপ নেবে। নির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে যেমন ব্যবস্থা নেওয়া হবে, তেমনি প্রয়োজন হলে স্বতঃপ্রণোদিত হয়েও পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারে সচেতনতার ওপর গুরুত্ব দিয়ে ডা. জাহেদ উর রহমান বলেন, প্রচলিত গণমাধ্যমে সম্পাদনার একটি প্রক্রিয়া থাকে, কিন্তু সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সেই নিয়ন্ত্রণ নেই। ফলে ব্যবহারকারীদের আরও দায়িত্বশীল হতে হবে। বিভ্রান্তিকর তথ্য তৈরি বা প্রচার করা থেকে সবাইকে বিরত থাকার আহ্বান জানান তিনি।

নারীদের বিরুদ্ধে অনলাইন সহিংসতার প্রসঙ্গ তুলে তথ্য উপদেষ্টা বলেন, এখন শুধু শারীরিক নির্যাতনই সহিংসতা নয়; অনলাইনে অপমান, হেনস্তা ও সাইবার বুলিংও গুরুতর সহিংসতার শামিল। সরকার কোনোভাবেই এ ধরনের কর্মকাণ্ড সহ্য করবে না।

প্যানেলের কার্যপদ্ধতি সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি বলেন, প্রজ্ঞাপন জারির পর কারা প্যানেলে থাকবেন, কীভাবে কাজ করবেন এবং নাগরিকরা কীভাবে সেবা পাবেন এসব বিষয়ে বিস্তারিত জানানো হবে।

বিগত ১৭ বছরে ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে পড়া রাষ্ট্রীয় কাঠামো পুনর্গঠনই সরকারের গত পাঁচ মাসে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, বর্তমান সরকার কোনোভাবেই গুম বা বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডকে প্রশ্রয় দেবে না এবং এ ধরনের অভিযোগের তদন্তে সরকার কঠোর অবস্থান নেবে।

সরকারের পাঁচ মাসের কার্যক্রম ও প্রধান চ্যালেঞ্জ সম্পর্কে এক প্রশ্নের জবাবে ডা. জাহেদ উর রহমান বলেন, সরকার এমন একটি প্রশাসনিক ও প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামোর মধ্যে কাজ করছে, যা দীর্ঘদিন ধরে দুর্বল হয়ে পড়েছে। একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রের যেসব প্রতিষ্ঠান স্বাধীনভাবে কাজ করার কথা, সেগুলোর অনেকগুলোর কার্যকারিতা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এই ভেঙে পড়া কাঠামো পুনর্গঠন করাই এখন সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ।

আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, পুলিশ বাহিনী নির্বাচিত সরকারের অধীনে কাজ করার সুযোগ পেলেও জনগণের আস্থা পুরোপুরি ফিরে আসেনি। অতীতের নানা ঘটনার কারণে জনগণের মধ্যে যে মানসিক আঘাত বা ট্রমা তৈরি হয়েছে, তা কাটিয়ে উঠতে সময় লাগবে। একইসঙ্গে পুলিশকে দায়িত্ব পালনের সুযোগও দিতে হবে বলে মন্তব্য করেন তিনি।

সরকারের বিরুদ্ধে সমালোচনা ও বিভিন্ন মন্ত্রীর বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগের বিষয়ে উপদেষ্টা বলেন, গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় গণমাধ্যম এসব বিষয় তুলে ধরবে, সংশ্লিষ্টরা ব্যাখ্যা দেবেন এবং প্রয়োজন হলে সরকার ব্যবস্থা নেবে। এসব প্রক্রিয়াকেই তিনি গণতন্ত্রের স্বাভাবিক অংশ হিসেবে উল্লেখ করেন।

তিনি আরও বলেন, জনগণ বর্তমান সরকারের ওপর বড় ধরনের প্রত্যাশা নিয়ে ভোট দিয়েছে। ফলে প্রত্যাশার চাপও সরকারের অন্যতম বড় চ্যালেঞ্জ। জনগণকে কিছুটা ধৈর্য ধরার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, সরকার সেই প্রত্যাশা পূরণের চেষ্টা করছে।

বাগেরহাটের মোংলায় কোস্টগার্ড পরিচয়ে এক যুবককে তুলে নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ এবং মানবাধিকার সংগঠনের গুমের অভিযোগ সম্পর্কে জানতে চাইলে ডা. জাহেদ উর রহমান বলেন, বিষয়টি সরকার অস্বীকার করছে না। অভিযোগটি যাচাই করা হবে এবং তিনি ব্যক্তিগতভাবে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে কথা বলে এ বিষয়ে বক্তব্য দেওয়ার অনুরোধ জানাবেন। বর্তমান সরকারের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নিজেও অতীতে গুমের শিকার ছিলেন। তাই সরকার গুম বা বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের মতো অপরাধকে কোনোভাবেই প্রশ্রয় দেবে না।

ডা. জাহেদ উর রহমান বলেন, একটি রাষ্ট্র যদি কাউকে গুম করে বা বিচারবহির্ভূতভাবে হত্যা করে, তাহলে সেটি আর প্রকৃত অর্থে রাষ্ট্র থাকে না। তার মতে, রাষ্ট্রের কাজ আইনের শাসন নিশ্চিত করা, আইনবহির্ভূতভাবে কাউকে হত্যা বা গুম করা নয়।

তথ্য কমিশন, দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) ও মানবাধিকার কমিশনের মতো জবাবদিহিমূলক প্রতিষ্ঠান পুনর্গঠনে সরকারের অগ্রাধিকার কম কি না এমন প্রশ্নের জবাবে তথ্য উপদেষ্টা বলেন, এগুলো সরকারের অগ্রাধিকারের মধ্যেই রয়েছে। তথ্য কমিশনের জন্য আইনে নির্ধারিত নির্বাচন কমিটি এরইমধ্যে গঠন করা হয়েছে এবং খুব শিগগিরই কমিশন পুনর্গঠন হবে। একইভাবে দুদক পুনর্গঠনের কাজও এগিয়ে চলছে। মানবাধিকার কমিশনের ক্ষেত্রেও প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া শেষ হলে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টে পুলিশের গুলিতে নিহতদের ঘটনায় দায়ীদের বিচার নিয়ে প্রশ্নের জবাবে ডা. জাহেদ উর রহমান বলেন, সরকার মূলত সিদ্ধান্ত গ্রহণকারী উচ্চপর্যায়ের ব্যক্তিদের বিচারের আওতায় আনতে চায়।

তিনি বলেন, যুদ্ধাপরাধ বিচারের মতো ক্ষেত্রেও সবাইকে নয়, সিদ্ধান্ত গ্রহণকারী ব্যক্তিদের বিচার করা হয়েছে। একই নীতিতে যারা নীতিগত সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন, তাদের বিরুদ্ধে বিচার হবে। শুধু চাকরি থেকে অপসারণ নয়, আইনি বিচারও হবে।

উপদেষ্টা বলেন, পুরো পুলিশ বাহিনীকে অতীতের ঘটনার জন্য দায়ী করা উচিত নয়। যাদের ব্যক্তিগত অপরাধ রয়েছে, তাদের বিচার হবে। কিন্তু একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র পরিচালনায় কার্যকর পুলিশ বাহিনী অপরিহার্য। তাই পুলিশকে দায়িত্ব পালনে সহযোগিতা করার আহ্বান জানান তিনি।

 


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির অন্যান্য খবর