সোমবার, ০৩ অগাস্ট ২০২৬, ০৪:৩৯ পূর্বাহ্ন
Banner
আজকের শিরোনাম :

ঘরে ঘরে স্বাস্থ্য পরীক্ষা কার্যক্রম চালু করা হবে : স্বাস্থ্যমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক / ৯ বার দেখা হয়েছে
আপডেট : July 22, 2026
ঘরে ঘরে স্বাস্থ্য পরীক্ষা কার্যক্রম চালু করা হবে : স্বাস্থ্যমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক : 

দেশের প্রতিটি নাগরিকের স্বাস্থ্যসেবা পাওয়ার অধিকার রয়েছে উল্লেখ করে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বলেন, কেউ স্বাস্থ্যসেবা থেকে বঞ্চিত হবে না। জনগণের স্বাস্থ্যের যত্ন নিশ্চিত করতে এবং মারাত্মক রোগগুলো প্রাথমিক পর্যায়ে শনাক্ত করতে সরকার সারা দেশে ‘হোম-টু-হোম হেলথ স্ক্রিনিং’ (ঘরে ঘরে স্বাস্থ্য পরীক্ষা) কার্যক্রম শুরু করবে।

বুধবার (২২ জুলাই) সন্ধ্যায় রাজধানীর গুলশানের লেক পার্কে হাইজিন ফর হেলথ বাংলাদেশের (সুস্বাস্থ্যের জন্য স্বাস্থ্যবিধি বাংলাদেশ) উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, নিয়োগ পাওয়া নারী স্বাস্থ্যকর্মীরা বাড়ি বাড়ি গিয়ে নারীদের স্তন ও জরায়ুমুখের ক্যান্সারের প্রাথমিক পরীক্ষা সম্পর্কে সচেতন করবেন এবং কীভাবে নিজেই প্রাথমিক পরীক্ষা করা যায়, সে বিষয়ে প্রশিক্ষণ দেবেন। পাশাপাশি স্বাস্থ্যকর্মীরা বিশেষ স্বাস্থ্যসেবা বক্স নিয়ে বাড়িতে গিয়ে রক্তচাপ, ওজন, ডায়াবেটিস ও লিপিড প্রোফাইলসহ বিভিন্ন প্রাথমিক স্বাস্থ্য পরীক্ষা করবেন।

তিনি বলেন, কেউ স্বাস্থ্যসেবা থেকে বঞ্চিত হবে না। জনগণের স্বাস্থ্যের যত্ন নিশ্চিত করতে এবং মারাত্মক রোগগুলো প্রাথমিক পর্যায়ে শনাক্ত করতে সরকার সারা দেশে ‘হোম-টু-হোম হেলথ স্ক্রিনিং’ (ঘরে ঘরে স্বাস্থ্য পরীক্ষা) কার্যক্রম শুরু করবে।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, সরকার এক লাখ স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগ দেবে। এর ৮০ শতাংশই হবে নারী। এই নারী কর্মীরা ঘরে ঘরে গিয়ে সাধারণ নারীদের স্তন ও জরায়ু ক্যানসার কীভাবে পরীক্ষা করতে হয়, তা শেখাবেন। যাতে প্রাথমিক অবস্থাতেই রোগ শনাক্ত করে দ্রুত চিকিৎসা দেওয়া যায়। স্বাস্থ্যকর্মীরা একটি বিশেষ বক্স নিয়ে বাড়ি বাড়ি যাবেন এবং রক্তচাপ, ওজন, ডায়াবেটিস, লিপিড প্রোফাইল পরীক্ষার পাশাপাশি ঘরে বসেই বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষা করার সুবিধা দেবেন।

তিনি বলেন, সুস্থ থাকতে হলে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন পরিবেশে থাকার বিকল্প নেই। একটি সুস্থ ও জ্ঞানভিত্তিক সমৃদ্ধ জাতি গঠনের পূর্বশর্ত হলো জনসচেতনতা ও সুস্বাস্থ্য।

সারাদেশে সিজারিয়ান সেকশন বাড়ছে উল্লেখ করে সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বলেন, বর্তমানে অধিকাংশ শিশু সিজারিয়ান সেকশনের (সিজার) মাধ্যমে জন্মগ্রহণ করছে। সিজারের পর প্রকৃতি ও সৃষ্টিকর্তার দেওয়া সবচেয়ে বড় প্রোটিনের উৎস ‘শালদুধ’ শিশুকে দেওয়া হচ্ছে না। মায়েদের কর্মব্যস্ততা, অবহেলা এবং জীবনযাত্রার পরিবর্তনের কারণে মাতৃদুগ্ধ পান করানোর হার কমে যাচ্ছে, যা শিশুদের মারাত্মক পুষ্টিহীনতার দিকে ঠেলে দিচ্ছে। নির্দিষ্ট অঞ্চলে (যেমন ব্রাজিলে) তীব্র প্রোটিনের অভাবে রোগীরা আমাশয়ে আক্রান্ত হওয়ার পরপরই মারাত্মক নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত হচ্ছেন।

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন– মিস ওয়ার্ল্ড বাংলাদেশ ২০২৬ সামানজার সাঈদ, গুলশান সোসাইটির সভাপতি ওমর সাদাত, মিস ওয়ার্ল্ড বাংলাদেশের ন্যাশনাল ডিরেক্টর আজরা মাহমুদ, মানুষের জন্য ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক শাহীন আনাম এবং গুলশান সোসাইটির সাধারণ সম্পাদক মুজিবুর রহমান মৃধা।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির অন্যান্য খবর