শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৮:৩১ পূর্বাহ্ন
Banner
আজকের শিরোনাম :
‘কোন ডিসেম্বরে আসবেন, ক্লিয়ার করেন’, শেখ হাসিনাকে দুলু স্বাস্থ্যখাত ঢেলে সাজাতে প্রযুক্তি ও গবেষণায় বড় রাষ্ট্রীয় বিনিয়োগের পরিকল্পনা : স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী কিডনি রোগীদের জন্য বড় সুখবর, সব জেলা-উপজেলায় মিলবে ডায়ালাইসিস সেবা স্থানীয় সরকার নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার ক্ষেত্রে শিক্ষাগত যোগ্যতার প্রয়োজন নেই : স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী দেশের সবার জন্য স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করা হবে : ডা. জুবাইদা রহমান শরীরের এই অঙ্গটি নীরবে আমাদের সুস্থ রাখতে কাজ করে যাচ্ছে   সেপ্টেম্বরে জ্বালানি তেলের দাম নির্ধারণ মানুষের মৌলিক স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে সরকার পরিকল্পিতভাবে কাজ করছে : স্বাস্থ্যমন্ত্রী ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে ৬ শিশুর মৃত্যু নীরবে থাইরয়েড ক্যানসার বাড়ছে না তো? খেয়াল রাখুন ৫ লক্ষণ

দেশের প্রতিটি উপজেলায় ১৫০ শয্যার স্বাস্থ্যকমপ্লেক্স হবে : স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক / ২০ বার দেখা হয়েছে
আপডেট : August 20, 2026
দেশের প্রতিটি উপজেলায় ১৫০ শয্যার স্বাস্থ্যকমপ্লেক্স হবে : স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক : 

চিকিৎসাসেবা জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে দেশের প্রতিটি উপজেলায় ৫০ শয্যার স্বাস্থ্যকমপ্লেক্সকে ১৫০ শয্যায় উন্নীত করার কাজ পুরোদমে চলছে বলে জানিয়ে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিত বলেন, অসুস্থ হওয়ার পর চিকিৎসার পেছনে দৌড়ানোর চেয়ে রোগ প্রতিরোধের মাধ্যমেই জনস্বাস্থ্য সুরক্ষা নিশ্চিত করাকেই বর্তমান সরকার সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে। এজন্য দেশের ইতিহাসে এবারের বাজেটে স্বাস্থ্য খাতে সর্বোচ্চ বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।

বুধবার (২০ আগস্ট) সকালে রাজধানীর তেজগাঁওতে সারা দেশব্যাপী ওরাল কলেরা টিকাদান ক্যাম্পেইনের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধনকালে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

তিনি বলেন, মানুষ অসুস্থ হওয়ার পর চিকিৎসার পেছনে দৌঁড়ানোর চেয়ে রোগ প্রতিরোধের মাধ্যমে জনস্বাস্থ্য সুরক্ষা নিশ্চিত করতে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে বর্তমান সরকার।

অনুষ্ঠানে টিকাদান ক্যাম্পেইনের উদ্বোধনের পাশাপাশি একজন প্রতিবন্ধীকে টিকা দিয়ে দেশব্যাপী সবার মধ্যে এটি ছড়িয়ে দেওয়ার আহ্বান করেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী।

প্রতিমন্ত্রী ড এম এ মুহিত বলেন, চিকিৎসার চেয়ে প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থার দিকে জোর দিলে মানুষ যেমন সুস্থ থাকবে, তেমনি জাতীয় স্বাস্থ্য ব্যবস্থার ওপর বাড়তি রোগীর চাপ কমে আসবে।

কলেরা ও ডায়রিয়াজনিত অসুস্থতা দূর করতে টিকাদানের গুরুত্ব তুলে ধরে স্বাস্থ্যপ্রতিমন্ত্রী বলেন, এটি একটি সহজে গ্রহণযোগ্য ওরাল (মুখে খাওয়ার) ভ্যাকসিন। শহর থেকে দূরবর্তী গ্রাম, দুর্গম চরাঞ্চল কিংবা পাহাড়ের প্রত্যন্ত জনপদে প্রতিটি মানুষের কাছে এই টিকা পৌঁছে দিতে হবে। এ জন্য সব সামাজিক সংগঠন ও স্থানীয় নেতৃবৃন্দকে সঙ্গে নিয়ে টিকাদানকে একটি কার্যকর ‘সামাজিক আন্দোলনে’ রূপ দেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

আন্তর্জাতিক জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ড মুহিত উল্লেখ করেন, শুধু টিকাই নয়, কলেরা ও ডায়রিয়ার মতো মারাত্মক পানিবাহিত রোগ থেকে সুরক্ষিত থাকতে ৩টি বিষয় কঠোরভাবে মেনে চলতে হবে।

পান করা, রান্না এবং দৈনন্দিন গৃহস্থালির প্রতিটি কাজে শতভাগ বিশুদ্ধ ও নিরাপদ পানির ব্যবহার এবং সংরক্ষণ নিশ্চিত করা। বৈশ্বিক ‘ওয়াশ’ নির্দেশিকা অনুযায়ী নিয়মিত ও সঠিকভাবে সাবান দিয়ে হাত ধোয়ার চর্চা গড়ে তোলা। খোলা স্থানে মলত্যাগ বর্জন এবং সারা দেশে স্বাস্থ্যসম্মত সেনিটেশন নিশ্চিত করা।

দেশব্যাপী সফলভাবে পরিচালিত সাম্প্রতিক হামের টিকাদান কর্মসূচির প্রসঙ্গ টেনে আশাবাদ ব্যক্ত করেন যে, স্বাস্থ্যকর্মী ও সামাজিক সহযোগিতায় এই ওরাল কলেরা টিকাদান কর্মসূচিও শতভাগ সফল হবে।

অনুষ্ঠানে টিকাদান ক্যাম্পেইনের উদ্বোধনের পাশাপাশি একজন প্রতিবন্ধীকে টিকা খাইয়ে দিয়ে দেশব্যাপী সবার মধ্যে এটি ছড়িয়ে দেওয়ার আহ্বান জানান স্বাস্থ্যপ্রতিমন্ত্রী। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের সচিব মো. কামরুজ্জামান চৌধুরী।

 


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির অন্যান্য খবর