বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:১৫ পূর্বাহ্ন
Banner
আজকের শিরোনাম :
‘কোন ডিসেম্বরে আসবেন, ক্লিয়ার করেন’, শেখ হাসিনাকে দুলু স্বাস্থ্যখাত ঢেলে সাজাতে প্রযুক্তি ও গবেষণায় বড় রাষ্ট্রীয় বিনিয়োগের পরিকল্পনা : স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী কিডনি রোগীদের জন্য বড় সুখবর, সব জেলা-উপজেলায় মিলবে ডায়ালাইসিস সেবা স্থানীয় সরকার নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার ক্ষেত্রে শিক্ষাগত যোগ্যতার প্রয়োজন নেই : স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী দেশের সবার জন্য স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করা হবে : ডা. জুবাইদা রহমান শরীরের এই অঙ্গটি নীরবে আমাদের সুস্থ রাখতে কাজ করে যাচ্ছে   সেপ্টেম্বরে জ্বালানি তেলের দাম নির্ধারণ মানুষের মৌলিক স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে সরকার পরিকল্পিতভাবে কাজ করছে : স্বাস্থ্যমন্ত্রী ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে ৬ শিশুর মৃত্যু নীরবে থাইরয়েড ক্যানসার বাড়ছে না তো? খেয়াল রাখুন ৫ লক্ষণ

সুস্থ থাকতে প্রতিদিন যে অভ্যাস মেনে চলা উচিত

প্রতিনিধির নাম / ৩০ বার দেখা হয়েছে
আপডেট : August 22, 2026
সুস্থ থাকতে প্রতিদিন যে অভ্যাস মেনে চলা উচিত

‘সুস্থ দেহ প্রশান্ত মন, কর্মব্যস্ত সুখী জীবন’ বাণীটি আমাদের সবারই জানা। তবে, সুস্থ থাকার কথা উঠলেই অনেকের মনে আসে জিমের খরচ, দামি খাবার, স্পা কিংবা নানা ধরনের ওয়েলনেস প্রোগ্রাম।

কিন্তু শরীর ও মন ভালো রাখতে সবসময় বড় অঙ্কের টাকা খরচ করার প্রয়োজন নেই। প্রতিদিনের জীবনে কিছু সহজ অভ্যাস মেনে চললেই নিজের সুস্থতার দিকে নজর দেওয়া যায়।

স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, নিয়মিত শরীরচর্চা, প্রকৃতির কাছাকাছি থাকা, পছন্দের কাজে সময় দেওয়া এবং মানসিক চাপ কমানোর মতো অভ্যাসগুলো সুস্থ জীবনযাপনের গুরুত্বপূর্ণ অংশ হতে পারে। এসবের অনেক কিছুই বিনামূল্যে বা খুব সামান্য খরচে করা সম্ভব।

ব্যায়াম 

নিয়মিত হাঁটা, দৌড়ানো কিংবা নিজের শরীরের ওজন ব্যবহার করে ব্যায়াম করা যায় বাড়িতেই। স্কোয়াট, পুশ-আপ, লাঞ্জ বা হালকা স্ট্রেচিংয়ের মতো ব্যায়ামে বিশেষ সরঞ্জামের প্রয়োজন হয় না। বাসার ছাদ, খোলা মাঠ বা পার্কেও এসব করা সম্ভব। নতুন করে ব্যায়াম শুরু করলে ধীরে ধীরে সময় ও পরিমাণ বাড়ানো ভালো। মূল বিষয় হলো নিয়মিত থাকা।

বাগান 

প্রকৃতির একটা আলাদা স্পর্শ আছে। তাই বাগান করার অভ্যাস শুধু বাড়ির সৌন্দর্য বাড়ায় না, মানসিক স্বস্তিও দিতে পারে। গবেষণায় দেখা গেছে, যারা নিয়মিত বাগান করেন, তাদের মানসিক সুস্থতার মাত্রা তুলনামূলক ভালো এবং চাপের মাত্রাও কম হতে পারে। নিজের বাড়িতে জায়গা না থাকলেও সমস্যা নেই। বারান্দা বা ছাদে কয়েকটি টব দিয়ে শুরু করা যায়।

শখ 

নিজের শখকে প্রাধান্য দিতে চেষ্টা করুন। ছোটবেলায় যে কাজগুলো করতে ভালো লাগত, সেগুলোর কোনো একটি আবার শুরু করতে পারেন। বই পড়া, ছবি আঁকা, পাখি দেখা, সেলাই, ক্রোশে, রান্না কিংবা হাতের কাজ হতে পারে এর মধ্যে। পাখি দেখার মতো শখের জন্য বিশেষ কোনো খরচের প্রয়োজন নেই। কাছের পার্ক বা খোলা জায়গায় গেলেই শুরু করা যায়।

বন্ধু

সুস্থ থাকার জন্য সবসময় একা সময় কাটানোও জরুরি নয়। বন্ধু বা পরিচিতদের নিয়ে হাঁটা, যোগব্যায়াম, ধ্যান কিংবা সাধারণ আড্ডার আয়োজন করা যেতে পারে। অনেক জায়গায় মানুষ নিজেরাই বিনামূল্যে বা কম খরচে এমন ছোট আয়োজন করছেন। বন্ধুদের নিয়ে পার্কে হাঁটা, সকালে ব্যায়াম কিংবা সপ্তাহে একদিন বই পড়ার আড্ডা শুরু করা যেতে পারে।

মোবাইল আসক্তি

ব্যস্ততম এই নাগরিক জীবনে দিনের বড় একটা সময় ফোন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও নানা ধরনের স্ক্রিনে কেটে যায়। তাই প্রতিদিন কিছু সময় এসব থেকে বিরতি নেওয়া যেতে পারে। এই সময়টায় বই পড়া, হাঁটা, গান শোনা, পরিবারের সঙ্গে কথা বলা কিংবা চুপচাপ বিশ্রাম নেওয়া যেতে পারে। বিশেষ করে ঘুমানোর আগে দীর্ঘ সময় ফোন ব্যবহার না করে শান্ত কোনো কাজে সময় দেওয়া উচিত।

সুস্থ থাকার জন্য একসঙ্গে জীবনযাত্রায় বড় পরিবর্তন আনার প্রয়োজন নেই। প্রতিদিন কিছুটা হাঁটা, গাছের যত্ন নেওয়া, পছন্দের কাজে সময় দেওয়া কিংবা কিছুক্ষণ ফোন থেকে দূরে থাকার মতো ছোট অভ্যাস দিয়েই শুরু করা যায়।

সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো এমন অভ্যাস বেছে নেওয়া, যা নিজের দৈনন্দিন জীবনের সঙ্গে সহজে মানিয়ে যায় এবং নিয়মিত করা সম্ভব।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির অন্যান্য খবর