রবিবার, ০১ নভেম্বর ২০২৬, ১০:৪৮ পূর্বাহ্ন
Banner
আজকের শিরোনাম :
ক্যান্সার চিকিৎসায় আসছে ১৭ রেডিওথেরাপি মেশিন, রোবটিক সার্জারির ৫টিও এ বছর ২৪ ঘণ্টায় হাম ও উপসর্গে  ৬ জনের মৃত্যু একনেকে ১৬ হাজার কোটি টাকার ১৩ প্রকল্প অনুমোদন ২ কোটি শিশু হামের টিকার আওতায়, এক মাসে আরও ৩৫ লাখকে টিকা : স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ডেঙ্গু পরিস্থিতি মোকাবিলায় সারা দেশে স্বাস্থ্যসেবা জোরদার সরকারের ওজন কমাতে কেন এই পাঁচ চা খাবেন? নারীদের হার্ট অ্যাটাকের গোপন ৪ সংকেত, যা অবহেলা করলেই বিপদ নতুন গবেষণা, গর্ভাবস্থায় সংক্রমণ হলে প্রতিবন্ধী হতে পারে শিশু এলপিজির সংকট নেই, মজুতদারি করলে ব্যবস্থা : প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা হৃদয়ের সতর্কসংকেত উপেক্ষা করা যাবে না : স্বাস্থ্যমন্ত্রী

কচু খেয়ে গলা চুলকালে তেঁতুল ছাড়াই মিলবে সমাধান

প্রতিনিধির নাম / ৬৮ বার দেখা হয়েছে
আপডেট : August 22, 2026
কচু খেয়ে গলা চুলকালে তেঁতুল ছাড়াই মিলবে সমাধান

কচু শাক কিংবা ওল- দুটিই স্বাদে যেমন ভালো, তেমনি পুষ্টিগুণেও সমৃদ্ধ। তবে অনেকেই এসব খাবার এড়িয়ে চলেন একটি অস্বস্তিকর সমস্যার কারণে। কচু বা ওল খাওয়ার পর হঠাৎ গলা চুলকানো, খসখসে অনুভূতি কিংবা গলায় অস্বস্তি শুরু হতে পারে। এ কারণে অনেকের কাছেই কচু খাওয়ার বিষয়টি আতঙ্কের হয়ে দাঁড়ায়। এ ধরনের অস্বস্তি হলে এতদিন তেঁতুলের টক খাওয়াকেই প্রচলিত ঘরোয়া সমাধান হিসেবে ধরা হতো। কিন্তু হাতের কাছে তেঁতুল না থাকলেও দুশ্চিন্তার কারণ নেই। কিছু সহজ উপায়ে সাময়িকভাবে গলার অস্বস্তি কমানো যেতে পারে।

কচু খেলে গলা চুলকায় কেন?

কচু ও কচুজাতীয় কিছু সবজিতে প্রাকৃতিকভাবে ক্যালসিয়াম অক্সালেটের সূক্ষ্ম স্ফটিক থাকতে পারে। এগুলো দেখতে অনেকটা ক্ষুদ্র সূচের মতো। খাবারের সঙ্গে এসব স্ফটিক মুখ ও গলার নরম টিস্যুর সংস্পর্শে এলে খসখসে ভাব, চুলকানি বা জ্বালাপোড়ার মতো অস্বস্তি তৈরি হতে পারে।

অম্লীয় বা টকজাতীয় কিছু উপাদান এই ধরনের স্ফটিকের প্রভাব কমাতে সহায়তা করতে পারে। তবে ঘরোয়া কোনো উপায় ব্যবহার করার আগে উপসর্গ গুরুতর হলে সতর্ক থাকা জরুরি।

তেঁতুল না থাকলে কী করবেন?

ভিনেগার: বাড়িতে সাধারণ ভিনেগার থাকলে এক গ্লাস উষ্ণ পানিতে অল্প পরিমাণ ভিনেগার মিশিয়ে কুলকুচি করা যেতে পারে। তবে সরাসরি বেশি ভিনেগার পান করা উচিত নয়।

মধু: গলার শুষ্কতা ও অস্বস্তি কমাতে এক চামচ মধু ধীরে ধীরে খাওয়া যেতে পারে। চাইলে সামান্য উষ্ণ পানির সঙ্গে মিশিয়েও নেওয়া যায়। এতে গলায় সাময়িক আরাম মিলতে পারে।

গুড় বা মিছরি: এক টুকরো গুড় বা মিছরি মুখে রেখে ধীরে ধীরে গলালে লালা নিঃসরণ বাড়তে পারে। এর ফলে গলার শুষ্কতা ও অস্বস্তি কিছুটা কম অনুভূত হতে পারে।

রান্নার সময় কীভাবে গলা চুলকানো এড়াবেন?

কচু রান্নার আগে ভালোভাবে পরিষ্কার করে পর্যাপ্ত সময় ধরে সেদ্ধ বা ভাপিয়ে নেওয়া গুরুত্বপূর্ণ। প্রয়োজনে সেদ্ধ করার পর সেই পানি ফেলে দিয়ে নতুন পানি দিয়ে রান্না করা যেতে পারে। এ ছাড়া কচুর বিভিন্ন পদ রান্নার সময় লেবুর রস, আমচুর বা দইয়ের মতো টকজাতীয় উপাদান ব্যবহার করা হয়। এগুলো খাবারের স্বাদ বাড়ানোর পাশাপাশি কচুর কারণে তৈরি হওয়া অস্বস্তি কমাতেও সহায়ক হতে পারে। তবে কচু বা ওল খাওয়ার পর যদি গলা ফুলে যায়, শ্বাস নিতে কষ্ট হয়, জিহ্বা বা ঠোঁট ফুলে ওঠে কিংবা তীব্র অ্যালার্জির লক্ষণ দেখা দেয়, তাহলে ঘরোয়া উপায়ের ওপর নির্ভর না করে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।

কচু রান্নার আগে ভালোভাবে পরিষ্কার করে পর্যাপ্ত সময় ধরে সেদ্ধ বা ভাপিয়ে নেওয়া গুরুত্বপূর্ণ। প্রয়োজনে সেদ্ধ করার পর সেই পানি ফেলে দিয়ে নতুন পানি দিয়ে রান্না করা যেতে পারে। এ ছাড়া কচুর বিভিন্ন পদ রান্নার সময় লেবুর রস, আমচুর বা দইয়ের মতো টকজাতীয় উপাদান ব্যবহার করা হয়। এগুলো খাবারের স্বাদ বাড়ানোর পাশাপাশি কচুর কারণে তৈরি হওয়া অস্বস্তি কমাতেও সহায়ক হতে পারে। তবে কচু বা ওল খাওয়ার পর যদি গলা ফুলে যায়, শ্বাস নিতে কষ্ট হয়, জিহ্বা বা ঠোঁট ফুলে ওঠে কিংবা তীব্র অ্যালার্জির লক্ষণ দেখা দেয়, তাহলে ঘরোয়া উপায়ের ওপর নির্ভর না করে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির অন্যান্য খবর