সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ০৬:০৮ অপরাহ্ন
Banner
আজকের শিরোনাম :
ক্যান্সার চিকিৎসায় আসছে ১৭ রেডিওথেরাপি মেশিন, রোবটিক সার্জারির ৫টিও এ বছর ২৪ ঘণ্টায় হাম ও উপসর্গে  ৬ জনের মৃত্যু একনেকে ১৬ হাজার কোটি টাকার ১৩ প্রকল্প অনুমোদন ২ কোটি শিশু হামের টিকার আওতায়, এক মাসে আরও ৩৫ লাখকে টিকা : স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ডেঙ্গু পরিস্থিতি মোকাবিলায় সারা দেশে স্বাস্থ্যসেবা জোরদার সরকারের ওজন কমাতে কেন এই পাঁচ চা খাবেন? নারীদের হার্ট অ্যাটাকের গোপন ৪ সংকেত, যা অবহেলা করলেই বিপদ নতুন গবেষণা, গর্ভাবস্থায় সংক্রমণ হলে প্রতিবন্ধী হতে পারে শিশু এলপিজির সংকট নেই, মজুতদারি করলে ব্যবস্থা : প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা হৃদয়ের সতর্কসংকেত উপেক্ষা করা যাবে না : স্বাস্থ্যমন্ত্রী

যে কয়েকটি অভ্যাস চুলপড়া কমায়

প্রতিনিধির নাম / ১০০ বার দেখা হয়েছে
আপডেট : April 3, 2025
যে কয়েকটি অভ্যাস চুলপড়া কমায়

আপনার মাথার চুলপড়ার অনেক কারণ থাকতে পারে। এই যেমন— মানসিক চাপ, হরমোনের ভারসাম্যহীনতা ও খাদ্যাভ্যাস। আবার এগুলোর পাশাপাশি আমাদের কিছু অভ্যাসের কারণেও মাত্রাতিরিক্ত চুল ঝরে যেতে পারে। এই যেমন— চুলে অতিরিক্ত রঙ বা কেমিক্যাল ব্যবহার করা, শক্ত করে চুল বাঁধার অভ্যাস কিংবা চুল জোরে জোরে ঝাড়া। তাই চুলপড়া নিয়ন্ত্রণ করতে ও চুল শক্তিশালী করতে স্বাস্থ্যকর কিছু অভ্যাসের কোনো বিকল্প নেই। যেমন— সঠিক খাদ্যাভ্যাস।

চুলের স্বাস্থ্য ভালো রাখার জন্য অপরিহার্য হচ্ছে— সঠিক খাদ্যাভ্যাস। কোন খাবার খাচ্ছেন এবং কোন কোন পুষ্টি পাচ্ছেন, সেটির ওপর নির্ভর করে চুলের স্বাস্থ্য। তাই সুষম খাদ্য নিশ্চিত করা অপরিহার্য। প্রোটিন, ভিটামিন ও খনিজ মাথার ত্বকের পুষ্টি এবং চুলের ফলিকলগুলোকে শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

আর খাদ্যতালিকায় পর্যাপ্ত প্রোটিন রাখুন। আমাদের চুল কেরোটিন দিয়ে তৈরি, যা এক ধরনের প্রোটিন। প্রোটিনসমৃদ্ধ খাবার চুল বৃদ্ধি করে। চর্বিহীন মাংস, মাছ, ডিম, মটরশুঁটি, বাদাম ও ডালের মতো খাবার অন্তর্ভুক্ত করুন খাদ্যতালিকায়।

এ ছাড়া আয়রনের ঘাটতি চুলপড়ার আরও একটি কারণ হতে পারে। পর্যাপ্ত আয়রন পেতে পালংশাক, গরুর কলিজা, মসুর ডাল ও মটরশুঁটি খেতে পারেন।

ভিটামিন ‘সি’ শরীরকে আয়রন আরও ভালোভাবে শোষণ করতে সাহায্য করে এবং কোলাজেন উৎপাদন বাড়ায়। সাইট্রাস ফল, স্ট্রবেরির পাশাপাশি সবুজ শাকসবজি খান এ ভিটামিন পেতে। এ ছাড়া বায়োটিন ও ভিটামিন বি কমপ্লেক্স চুলের স্বাস্থ্যের জন্য অপরিহার্য। ডিম, অ্যাভোকাডো, মিষ্টি আলু বায়োটিন ও বি ভিটামিনের চমৎকার উৎস।

এদিকে নিয়মিত ঘুমানো ও স্ট্রেস কমানো উচিত। কারণ চুলপড়ার অন্যতম প্রধান কারণ হলো স্ট্রেস। উচ্চচাপের জীবনধারা সরাসরি প্রভাব ফেলে চুলের ওপর। ঘুমের অভাব এই সমস্যাকে আরও বাড়িয়ে তোলে। কারণ শরীরের নিজেকে মেরামত করার জন্য পর্যাপ্ত সময় নেই। মনকে শান্ত করতে এবং চাপ কমাতে ধ্যান, যোগব্যায়াম বা গভীর শ্বাস-প্রশ্বাসের ব্যায়ামের মতো শিথিলকরণ কৌশল অনুশীলন করুন। প্রতি রাতে ৭-৮ ঘণ্টা ঘুম নিশ্চিত করুন, যাতে শরীর চুলের ফলিকল মেরামত ও পুনরুজ্জীবিত করতে পারে।

এ ছাড়া নিয়মিত ব্যায়াম করুন। কারণ এটি স্ট্রেসের মাত্রা কমাতে সাহায্য করে এবং সামগ্রিক রক্ত সঞ্চালন উন্নত করে, যা চুলের স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী।

আর চুলপড়া বন্ধ করার সবচেয়ে সহজ ও কার্যকর উপায়ের মধ্যে একটি হচ্ছে— মাথার ত্বক ম্যাসাজ করা। এতে রক্ত সঞ্চালন বৃদ্ধি পায়, যা চুলের ফলিকলকে উদ্দীপিত করে ও চুলের বৃদ্ধি করে। রাতে ঘুমানোর আগে বৃত্তাকার গতিতে মাথার ত্বকে আলত করে ম্যাসাজ করুন। দিনে ম্যাসাজ করতে চাইলে নারিকেল তেল, আরগান তেল কিংবা বাদাম তেলের মতো তেল ব্যবহার করতে পারেন। চুলে প্রয়োজনীয় পুষ্টি সরবরাহ করবে এসব তেল।

এ ছাড়া স্ট্রেইটনার, কার্লার ও ব্লো ড্রায়ারের মতো তাপ প্রদানকারী স্টাইলিং সরঞ্জামগুলো ঘন ঘন ব্যবহার করলে চুলের ভীষণ ক্ষতি হয়। অতিরিক্ত তাপ চুল ভেঙে যাওয়ার অন্যতম কারণ। আবার চুল রঙ করার মতো কেমিক্যাল ট্রিটমেন্ট চুলের গোড়া দুর্বল করে দিতে পারে, যার ফলে চুল পড়ে যাওয়ার ঝুঁকি বেশি থাকে। চুল ও তাপের মধ্যে বাধা তৈরি করতে স্টাইল করার আগে তাপ সুরক্ষাকারী স্প্রে ব্যবহার করুন। যদি চুলে রঙ করতেই হয়, তাহলে প্রাকৃতিক, অ্যামোনিয়ামুক্ত রঙ ব্যবহার করার চেষ্টা করুন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির অন্যান্য খবর