বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:২৩ পূর্বাহ্ন
Banner
আজকের শিরোনাম :
ক্যান্সার চিকিৎসায় আসছে ১৭ রেডিওথেরাপি মেশিন, রোবটিক সার্জারির ৫টিও এ বছর ২৪ ঘণ্টায় হাম ও উপসর্গে  ৬ জনের মৃত্যু একনেকে ১৬ হাজার কোটি টাকার ১৩ প্রকল্প অনুমোদন ২ কোটি শিশু হামের টিকার আওতায়, এক মাসে আরও ৩৫ লাখকে টিকা : স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ডেঙ্গু পরিস্থিতি মোকাবিলায় সারা দেশে স্বাস্থ্যসেবা জোরদার সরকারের ওজন কমাতে কেন এই পাঁচ চা খাবেন? নারীদের হার্ট অ্যাটাকের গোপন ৪ সংকেত, যা অবহেলা করলেই বিপদ নতুন গবেষণা, গর্ভাবস্থায় সংক্রমণ হলে প্রতিবন্ধী হতে পারে শিশু এলপিজির সংকট নেই, মজুতদারি করলে ব্যবস্থা : প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা হৃদয়ের সতর্কসংকেত উপেক্ষা করা যাবে না : স্বাস্থ্যমন্ত্রী

হৃদয়ের সতর্কসংকেত উপেক্ষা করা যাবে না : স্বাস্থ্যমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক / ১৬ বার দেখা হয়েছে
আপডেট : September 29, 2026
হৃদয়ের সতর্কসংকেত উপেক্ষা করা যাবে না : স্বাস্থ্যমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক : 

স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বলেন, হৃদয়ের কোনো সতর্কসংকেত বা লক্ষণ উপেক্ষা করা যাবে না। হৃদরোগ প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণে জনসচেতনতা বাড়ানোর পাশাপাশি হৃদয়ের কোনো অস্বাভাবিক সংকেত দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে।

মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে ‘বিশ্ব হার্ট দিবস ২০২৬’ উপলক্ষ্যে বাংলাদেশ কার্ডিয়াক সোসাইটি আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, অসংক্রামক রোগগুলোর মধ্যে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়েই অধিকাংশ মানুষ মৃত্যুবরণ করেন। তাই হৃদরোগ প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণে সচেতনতার কোনো বিকল্প নেই। মানুষ সচেতন হলেও অনেক সময় সেই সচেতনতাকে বাস্তব জীবনে কার্যকর করে না। হৃদরোগের ক্ষেত্রে এ প্রবণতা অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ।

তিনি বলেন, হৃদয়ের কোনো সংকেত বা সতর্কবার্তাকে অবহেলা না করে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া প্রয়োজন। শুধু হৃদরোগ নয়, সংক্রামক ও অসংক্রামক—সব ধরনের রোগ প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণেই জনসচেতনতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

চিকিৎসকদের সমাজের শ্রেষ্ঠ মানুষ হিসেবে উল্লেখ করে সরদার সাখাওয়াত হোসেন বলেন, স্রষ্টার পরেই চিকিৎসকরাই মানুষের ভরসাস্থল। মানুষের দুঃসময়ে চিকিৎসকরাই সবার আগে পাশে দাঁড়ান। করোনাকালীন মহামারি থেকে শুরু করে ডেঙ্গু ও বিভিন্ন প্রাকৃতিক দুর্যোগে চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীরা নিজেদের জীবন ও নিরাপত্তার কথা না ভেবে মানুষের সেবায় নিয়োজিত থেকেছেন। তাদের এই মানবিক ও পেশাগত দায়িত্ববোধ দেশের মানুষের জন্য অনুকরণীয়।

আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ কার্ডিয়াক সোসাইটির আহ্বায়ক অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ সফিউদ্দিন। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. মো. নাজমুল হাসান, প্রধানমন্ত্রীর সহকারী ব্যক্তিগত চিকিৎসক ডা. আ ন ম মনোয়ারুল কাদির প্রমুখ। অনুষ্ঠানের সার্বিক তত্ত্বাবধানে ছিলেন ডা. আ ফ খবির উদ্দিন আহমেদ।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির অন্যান্য খবর