মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:৫৮ অপরাহ্ন
Banner
আজকের শিরোনাম :
ক্যান্সার চিকিৎসায় আসছে ১৭ রেডিওথেরাপি মেশিন, রোবটিক সার্জারির ৫টিও এ বছর ২৪ ঘণ্টায় হাম ও উপসর্গে  ৬ জনের মৃত্যু একনেকে ১৬ হাজার কোটি টাকার ১৩ প্রকল্প অনুমোদন ২ কোটি শিশু হামের টিকার আওতায়, এক মাসে আরও ৩৫ লাখকে টিকা : স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ডেঙ্গু পরিস্থিতি মোকাবিলায় সারা দেশে স্বাস্থ্যসেবা জোরদার সরকারের ওজন কমাতে কেন এই পাঁচ চা খাবেন? নারীদের হার্ট অ্যাটাকের গোপন ৪ সংকেত, যা অবহেলা করলেই বিপদ নতুন গবেষণা, গর্ভাবস্থায় সংক্রমণ হলে প্রতিবন্ধী হতে পারে শিশু এলপিজির সংকট নেই, মজুতদারি করলে ব্যবস্থা : প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা হৃদয়ের সতর্কসংকেত উপেক্ষা করা যাবে না : স্বাস্থ্যমন্ত্রী

২ কোটি শিশু হামের টিকার আওতায়, এক মাসে আরও ৩৫ লাখকে টিকা : স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক / ৮ বার দেখা হয়েছে
আপডেট : October 7, 2026
২ কোটি শিশু হামের টিকার আওতায়, এক মাসে আরও ৩৫ লাখকে টিকা : স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক : 

হাম-রুবেলা টিকাদান কর্মসূচির আওতায় সারা দেশে ইতোমধ্যে দুই কোটি শিশুকে টিকা দেয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ডা. মোহাম্মদ আব্দুল মুহিত। তিনি জানান, আগামী এক মাসে আরও প্রায় ৩৫ লাখ শিশুকে এই টিকাদান কর্মসূচির আওতায় আনার লক্ষ্য নিয়ে কাজ করা হচ্ছে।

বুধবার (৭ অক্টোবর) হাম-রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইন উপলক্ষে রাজধানীর কড়াইল টিএনটি মাঠে আয়োজিত অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, হাম-রুবেলা টিকাদান কর্মসূচির আওতায় সারা দেশে এরইমধ্যে দুই কোটি শিশুকে টিকা দেওয়া হয়েছে। আগামী এক মাসে আরও প্রায় ৩৫ লাখ শিশুকে এই টিকাদান কর্মসূচির আওতায় আনার লক্ষ্য নিয়ে কাজ করা হচ্ছে। এছাড়াও বিভিন্ন টিকাদান কর্মসূচি অব্যাহত রাখার বিষয়টি সরকার গুরুত্বের সঙ্গে দেখছে। এ ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্র সরকার, গ্যাভি, ইউনিসেফ এবং বিশেষ করে ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনসহ দেশের বিভিন্ন পর্যায়ের স্বাস্থ্যকর্মী ও মাঠপর্যায়ের কর্মীরা সহযোগিতা করছেন।

স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের স্বাস্থ্যব্যবস্থাকে পুনর্গঠনের ক্ষেত্রে যে চ্যালেঞ্জগুলো রয়েছে, সেগুলো মোকাবিলায় নতুন সরকারের নেতৃত্বে কাজ করা হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে নির্বাচনি প্রচারণা ও নির্বাচনি ইশতেহারে দেশের কোটি কোটি মানুষের স্বাস্থ্যসেবাকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। স্বাস্থ্য খাতে জনগণের উৎপাদনশীলতা বাড়ানোর পাশাপাশি রোগ প্রতিরোধমূলক কর্মসূচির ওপরও বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

তিনি বলেন, বিভিন্ন টিকাদান কর্মসূচি অব্যাহত রাখার বিষয়টি সরকার গুরুত্বের সঙ্গে দেখছে। এ ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্র সরকার, গ্যাভি, ইউনিসেফ এবং বিশেষ করে ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনসহ দেশের বিভিন্ন পর্যায়ের স্বাস্থ্যকর্মী ও মাঠপর্যায়ের কর্মীরা সহযোগিতা করছেন।

হাম প্রতিরোধে সরকারের নেয়া কার্যক্রম তুলে ধরে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী বলেন, দায়িত্ব নেয়ার ১৫ দিন পর থেকেই সরকার যে লড়াই শুরু করেছে, তার অগ্রগতি ইতোমধ্যে দেখা যাচ্ছে। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়, স্থানীয় সরকার, সিটি কর্পোরেশন এবং স্বাস্থ্যকর্মীদের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় সারা দেশে দুই কোটি শিশুকে টিকাদান কর্মসূচির আওতায় আনা সম্ভব হয়েছে।

তিনি বলেন, দুই কোটি শিশুকে টিকা দেয়ার পরও সরকার সেখানে থেমে থাকেনি। কারণ প্রতিটি শিশুর জীবন মূল্যবান। একটি শিশুও যেন টিকাদান কর্মসূচি থেকে বাদ না পড়ে, সেটিই সরকারের লক্ষ্য। এ কারণেই এবারের কর্মসূচিকে ‘মপ-আপ ক্যাম্পেইন’ হিসেবে নেয়া হয়েছে।

এই কর্মসূচির মাধ্যমে দূরবর্তী এলাকায় থাকা শিশু, প্রতিবন্ধী শিশু এবং আগের ধাপের টিকাদান কর্মসূচি থেকে কোনো কারণে বাদ পড়ে যাওয়া শিশুদের খুঁজে বের করে টিকা দেয়ার উদ্যোগ নেয়া হয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, এসব শিশুর প্রতিটি ঘরে পৌঁছানোর চেষ্টা করা হবে। প্রতিটি শিশুর কাছে পৌঁছে তাদের নিরাপত্তা ও জীবন নিশ্চিত করাই এই কর্মসূচির লক্ষ্য।

স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী বলেন, এটি বাংলাদেশের জনগণের কাছে সরকারের অঙ্গীকার। সেই অঙ্গীকার বাস্তবায়নে আগামী এক মাসের মধ্যে আরও প্রায় ৩৫ লাখ শিশুকে এই টিকাদান কর্মসূচির আওতায় আনা সম্ভব হবে বলে তারা বিশ্বাস করেন।

টিকাদান কর্মসূচি বাস্তবায়নে সহযোগিতার জন্য সংশ্লিষ্টদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে তিনি বলেন, সবার সহযোগিতা ছাড়া এই কর্মসূচি সফল করা সম্ভব হতো না। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্র সরকার, গ্যাভি ও ইউনিসেফ সর্বাত্মক সহযোগিতা করেছে। পাশাপাশি স্বাস্থ্যকর্মী, সিটি কর্পোরেশন এবং সংশ্লিষ্ট সবাই অনেক কষ্ট করে কর্মসূচির আওতায় প্রতিটি শিশুকে খুঁজে বের করছেন। দুর্গম পাহাড়ি এলাকা কিংবা প্রত্যন্ত চরাঞ্চলে বসবাসকারী শিশুর কাছেও টিকাদান কর্মসূচির আওতায় পৌঁছানো সম্ভব হয়েছে। এটি সম্মিলিত প্রচেষ্টার ফল।

বাংলাদেশের স্বাস্থ্যব্যবস্থা পুনর্গঠনে নানা চ্যালেঞ্জের কথা উল্লেখ করে সেগুলো মোকাবিলায় নতুন সরকারে নেতৃত্বে কাজ হচ্ছে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিত। তিনি বলেন, যত বাধা বা চ্যালেঞ্জই আসুক না কেন, সরকার জনগণ এবং দেশি-বিদেশি সব প্রতিষ্ঠানকে সঙ্গে নিয়ে সেগুলো মোকাবিলা করবে। স্বাস্থ্যের বিষয়ে জনগণের কাছে যে অঙ্গীকার করা হয়েছে, সবাইকে সঙ্গে নিয়ে তা বাস্তবায়ন করা হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির অন্যান্য খবর