সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ০৫:০৯ অপরাহ্ন
Banner
আজকের শিরোনাম :
ক্যান্সার চিকিৎসায় আসছে ১৭ রেডিওথেরাপি মেশিন, রোবটিক সার্জারির ৫টিও এ বছর ২৪ ঘণ্টায় হাম ও উপসর্গে  ৬ জনের মৃত্যু একনেকে ১৬ হাজার কোটি টাকার ১৩ প্রকল্প অনুমোদন ২ কোটি শিশু হামের টিকার আওতায়, এক মাসে আরও ৩৫ লাখকে টিকা : স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ডেঙ্গু পরিস্থিতি মোকাবিলায় সারা দেশে স্বাস্থ্যসেবা জোরদার সরকারের ওজন কমাতে কেন এই পাঁচ চা খাবেন? নারীদের হার্ট অ্যাটাকের গোপন ৪ সংকেত, যা অবহেলা করলেই বিপদ নতুন গবেষণা, গর্ভাবস্থায় সংক্রমণ হলে প্রতিবন্ধী হতে পারে শিশু এলপিজির সংকট নেই, মজুতদারি করলে ব্যবস্থা : প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা হৃদয়ের সতর্কসংকেত উপেক্ষা করা যাবে না : স্বাস্থ্যমন্ত্রী

ত্বকের বলিরেখা কমিয়ে ফেলার উপায়

প্রতিনিধির নাম / ১৯৪ বার দেখা হয়েছে
আপডেট : September 8, 2024
ত্বকের বলিরেখা কমিয়ে ফেলার উপায়

সময় ঘড়ির কাটা যখন তারুণ্যের কোঠা পেরোতে থাকে তখন যেন ত্বকের বলিরেখার কথা হরহামেশাই শোনা যায়। এই বলিরেখাকে বুড়িয়ে যাবার লক্ষণ ধরে স্বাভাবিক মনে মেনে নেই। কিন্তু মাঝে মাঝে সমবয়সী কাউকে যখন খুব সুন্দর টানটান ত্বকের অধিকারী দেখেন, তখন অজান্তেই মনটা খারাপ হয়ে যায়। তাই না? আচ্ছা, সমবয়সী হবার পরও দুজনের ত্বকের এমন ভিন্নতা কেন? বলিরেখা একজনের আগে আবার একজনের পরে দেখা যায় কেন? আজ আপনাদের সাথে ত্বকের বলিরেখা নিয়েই আলোচনা করব। চলুন তবে জেনে নেই ত্বকের বলিরেখা কী, এর কারণ ও কিভাবে এটি রোধ বা দূর করা যায়!

বলিরেখা কী?

আমাদের যখন বয়স বাড়ে, তখন কোষের কার্যক্ষমতা কমে যায়। অর্থাৎ, জৈবিক ক্ষমতা হ্রাস পায়। এই প্রক্রিয়াটি শরীরে, বিশেষ করে ত্বকে সহজেই ফুটে ওঠে। মানুষের বয়স হলে এনজাইম কাজ করা বন্ধ করে দেয়। তখন ত্বকে যে রেখা ফুটে উঠে তাই বলিরেখা।

বলিরেখা হবার কারণ

ত্বকের স্তর

অনেক কারণে একজন ব্যক্তির শরীরে বা ত্বকে বয়সের ছাপ পড়তে পারে। যেমন- বংশগতি, জীবনধারা, খাদ্যাভ্যাস এবং যে পরিবেশে সে বাস করে ইত্যাদি। বয়স বাড়ার সাথে সাথে হাসলে বেশির ভাগ মানুষের ক্ষেত্রে গালে, চোখের চারপাশে বলিরেখার ভাঁজের সৃষ্টি হয়। যা বয়সের সবচেয়ে খারাপ চিহ্ন। এটা শুধু যে বয়সের চিহ্ন তা নয় অনেক সময় কোনো কারণে কোলাজেনের উৎপাদন কমে গিয়ে ত্বকের ইলাস্টিসিটি কমে গেলেও এমন হতে পারে। আবার অন্যান্য কারণেও হতে পারে যেমন অত্যাধিক মানসিক চাপ, অতিরিক্ত ধূমপান, পানি কম খাওয়া, কম ঘুমানো, ত্বকে অতিরিক্ত আলট্রা ভায়োলেট রশ্মির প্রভাব ইত্যাদি।

বলিরেখা দূর করার উপায়

সানস্ক্রিন ব্যাবহার করুন

সূর্যের ক্ষতিকারক রশ্নির ক্ষয়ক্ষতি থেকে ত্বককে রক্ষার জন্য থেকে সানস্ক্রিন ব্যবহার অনেক জরুরি তা তো আমরা জানি। কিন্তু আমরা অনেকেই হয়তো এটা জানি না যে সানস্ক্রিন ত্বকে বয়সের ছাপ পড়ে যাওয়ার সমস্যা সমাধানেও দূর্দান্ত কাজ করে এবং ত্বকের রিঙ্কলস এর সমস্যাও ক্রমশ কমিয়ে আনে। এমনকি নিয়মিত ভাবে এসপিএফ(ঝচঋ) যুক্ত সানস্ক্রিন ইউজ করতে থাকলে ত্বকের ক্যানসার হওয়ার সম্ভাবনাও কমে আসে অনেকটাই। অবশ্যই মিনিমাম এসপিএফ ৩০ এর ওপরে থাকা রেটিংযুক্ত সানস্ক্রিন চুজ করার ট্রাই করতে হবে।

প্রতিদিনকার ময়েশ্চারাইজিং সানস্ক্রিন ত্বকের রিঙ্কলস বা বলিরেখার সমস্যা একেবারে তো দূর করতে পারবে না কিন্তু ত্বকে এসবের ছাপ পড়ে যাওয়ার ব্যাপারটা করে তুলবে আশ্চর্যরকম ধীরগতির। এতদিন যদি সানস্ক্রিন ইউজ না করে থাকেন, তবে যত তাড়াতাড়ি সম্ভব স্কিন কেয়ার রুটিনে সানস্ক্রিন এড করে ফেলতে পারলে ততোই ভালো ত্বকের জন্য। মুখের বলিরেখা দূর করতে সাহায্য করবে। এরপর কথা বলব নাকের পাশে বলিরেখা দূর করার উপায় সম্পর্কে।

শরীরে চিনি গ্রহনের পরিমান কমিয়ে ফেলতে হবে

চিনি বা চিনিসমৃদ্ধ খাবার আমাদের শরীরে যতটা না উপকারীতা দেয় তারচেয়ে অনেকটাই ক্ষতি করে। সাধারনত আমরা বেশির ভাগ মানুষই হয়তো এতটুকুই জানতাম যে চিনি জাতীয় খাবার ডায়বেটিসের ঝুঁকি বাড়ায় বা ওবিসিটি বাড়িয়ে তোলে। কিন্তু বর্তমানে বিভিন্ন মেডিক্যাল রিসার্চের কারণে আমরা এখন চিনি বা চিনিসমৃদ্ধ খাবার গ্রহনের কারনে শরীরে হওয়া আরো নানাবিধ ক্ষতিকর প্রভাব সম্পর্কে জানতে পারছি। হয়তো ভবিষ্যতে আমরা আরো বিশদ জানতে পারবো। চিনি শরীরে প্রবেশ করে গ্লাইকেশন নামক একটি প্রক্রিয়া শুরু করে এবং মাত্রাতিরিক্ত পর্যায় যেয়ে শরীরে অএঊং এর প্রকোপ ঘটায়। এটার মানে হলো শরীরে থাকা প্রটিন আর ফ্যাট এর সাথে চিনি যখন রক্তের মধ্যে প্রবেশ করে তখন এই সমস্যাটা তৈরী হয়। এমনকি উচ্চতাপে তৈরীকৃত খাদ্যবস্তু প্রস্তুতিকরণের পদ্ধতি থেকেও এই ব্যাপারটি ঘটে থাকে।

ধুমপানকে না বলুন

স্বাভাবিকভাবেই এটা আমরা জানি যে ধুমপান আমাদের শরীরের জন্য কতটা ক্ষতিকারক। নানাবিধ রোগ হয় এটাতো আমরা জানি অনেকেই। কিন্তু ধুমপান যে ত্বকে প্রিম্যাচিউর এজিং তৈরী করে এটা হয়তো আমরা অনেকেই জানিনা। সম্প্রতি এটা নিয়ে চমৎকার একটা গবেষণা হয়েছে । সেখানে দুজন যমজ বাচ্চাদের মধ্যে একজনের ধুমপানের স্বভাব ছিলো এবং আরেকজনের ছিল না। এরকম ৭৯ জোড়া যমজ মানুষের ওপর রিসার্চের পর আশ্চর্যজনক একটা রেজাল্ট পাওয়া গিয়েছে।যারা ধুমপান করেননি তাদের তুলনায় যারা ধুমপান করেছেন এদের চেহারায় তারুন্যতা এবং বলিরেখার পরিমান অনেক কম ছিল। এমনকি এটাও রিসার্চে এসেছে যে নিজে ধুমপান না করলেও অধিকাংশ সময় যদি এমন মানুষ দ্বারা পরিবেস্টিত থাকতে হয় যারা ধুমপান করেন,সেক্ষেত্রেও ক্যান্সারসহ নানাবিধ রোগ,হার্ট ডিসিজ হওয়ার সম্ভাবনা তৈরী হয়।

আর ত্বকের নানাধরনের সমস্যা,ত্বকে বয়সের ছাপ পড়ে যাওয়া ও রিঙ্কলস এর সমস্যা তো যেন রয়েছেই। তাই আমরা চেস্টা করবো নিজেরাও ধুমপান না করতে এবং যারা ধুমপান করে এদের থেকেও দূরত্ব মেইনটেইন করার জন্য।

ত্বকে নারিকেল তেল এর ব্যবহার

নারিকেল তেল হল প্রাকৃতিক ইমোলিয়েন্ট। মানে হলো এটা ত্বককে অনেক ডিপলি কোমল করে। আমাদের ত্বকের এপিডার্মিস লেয়ারে যে গ্যাপ বা শূন্যতা হয়, নারিকেল তেল সেটা পূরণ করতে খুব ভালো কাজ করে। চমৎকার পুস্টিগুন সমৃদ্ধ এই অয়েলটি শুধুমাত্র ত্বক নরম,কোমল ও মসৃণই করেনা এটা ত্বকের আদ্রতা ধরে রাখতে সাহায্য করে এবং এতে করে ত্বক থাকে সতেজ ও তারুণ্যদীপ্ত। আরো টুইস্ট হিসেবে এটাও আমরা জেনে নিতে পারি যে নারিকেল তেল ড্রাই স্কিনের জন্য সুপার্ব একটা অয়েল।

তাই স্বাস্থোজ্জল, লাবন্যময় বলিরেখামুক্ত ত্বক পেতে চাইলে আজই রুপচর্চায় যোগ করতে হবে নারিকেল তেলের নিয়মিত ব্যাবহার।

শরীরে নিতে হবে পর্যাপ্ত বিটা ক্যারোটিন

আমরা যখন এন্টিএজিং ক্রীম কিনি তখন সেটা ভালো করে পড়লে দেখবো যে এটার প্রধান একটি উপাদানই হলো বিটা ক্যারোটিন। এটি সূর্যের অতিবেগুনি রশ্নির কারণে হওয়া ক্ষয়ক্ষতি থেকে আমাদের ত্বককে রক্ষা করে। কিন্তু বিটা ক্যারোটিন যে বাইরে থেকেই নিতে হবে এমনটা জরুরি নয়। প্রতিদিনকার খাবারের সাথে ৩০ মিলিগ্রাম পরিমান বিটা ক্যারোটিন গ্রহন আমাদের শরীরে বিটা ক্যারোটিনের চাহিদা পূরণ করবে। তাই ত্বককে রিঙ্কলস এর আক্রমন থেকে বাচাঁতে এই বিটা ক্যারোটিন গ্রহনের প্রতি রাখতে হবে বিশেষ খেয়াল।

ঘুমানোর পজিশন পরিবর্তন

আমরা ঘুমাতে গেলে যে যেভাবে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করি সেভাবেই হয়তো দীর্ঘসময় ধরে ঘুমাই। কিন্তু এতে করে আমাদের ত্বকের নিদ্রিস্ট কিছু অংশের সাথে বালিশের একটা ঘর্ষণ হয় প্রতিনিয়ত। এতে করে সেখানে কমপ্রেসন হয় এবং সেই জায়গাগুলোতে ত্বকের অন্যান্য অংশের তুলনায় বলিরেখার প্রকোপ দেখা দেয় দ্রুত।

তাই স্লিপ পজিশন একটা গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।চেস্টা করা উচিত পিঠের ওপর ভর রেখে ঘুমানোর জন্য।

এন্টিঅক্সিডেন্টস বাড়িয়ে তুলুন

আমাদের শরীরের অন্যান্য অঙ্গগুলোর তুলনায় অক্সিডেটিভ স্ট্রেস এর ধকল অনেকটাই বেশি পরিমানে দৃশ্যমান হয় আমাদের ত্বকের ওপরে। শুধুমাত্র আমাদের প্রতিদিনকার ডেইলি রুটিনের কারণেও আমাদের ত্বক ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।এন্টিঅক্সিডেন্টস আমাদের কোষের ক্ষয় রোধ করে।এ কটা সানস্ক্রিন বা রিঙ্কল রিমুভিং ক্রীম ছাড়াও আমরা খাদ্যগ্রহনের মাধ্যমেও ত্বকে এন্টিঅক্সিডেন্টের যোগান দিতে পারি। এতে করে ত্বক ভেতর থেকে বয়সের ছাপ দূর করতে নিজেকে গড়ে তোলে।

এন্টিঅক্সিডেন্টস সমৃদ্ধ খাবার যেমন ব্রকলি, গাজর, পালং শাক, মিস্টি আলু, মিস্টিকুমড়া, আঙ্গুর, পাতাকপি ইত্যাদি রাখতে হবে খাদ্যতালিকায়। এগুলো ত্বক ইয়ংগার রাখতে বিশেষ করে বলিরেখার সমস্যা কমিয়ে আনতে অনেক ভালো কাজ করে।

আল্ট্রাভায়োলেট রশ্নি থেকে সুরক্ষিত থাকার চেস্টা করতে হবে

কপালের বলিরেখা দূর করার উপায় জানতে চেয়েছেন অনেকে। আমাদের মুখ,বাহু,হাত এবং ঘাড়ে হওয়া বলিরেখার অন্যতম একটা অনুঘটক হলো সূর্যের অতিবেগুনি রশ্নি। এখন যেহেতু এই ব্যাপারটা সম্পূর্ণ এভয়েড তো করা যাবেনা,তাই চেস্টা করতে হবে পর্যাপ্ত প্রটেকশন নেবার যাতে করে এই ক্ষতির থেকে নিজেকে যতটা সম্ভব সুরক্ষিত রাখা যায় এবং বলিরেখার পরিমান কমানো যায়। বাইরে যাবার সময় এমন পোষাক চুজ করতে হবে যেন ত্বক অনেকটা আবৃত থাকে। ক্যাপ,স্কার্ফ,ছাতা এগুলোর ব্যাবহার করতে হবে। যদিও সব সময়ই এগুলোর ব্যাবহার করা সম্ভবপর হয়ে ওঠেনা হয়তো কিন্তু নিজেকে দীর্ঘদিন তারুন্যময় ও বলিরেখা থেকে দূরে রাখতে চাইলে এটুকু কস্ট তো করতেই হবে।

নিয়মিত মুখ ধুতে হবে

অনেক সময়ই আলস্যের কারনে হোক বা সময় সল্পতার কারনে হোক আমরা মেকাপ না তুলেই হয়তো ঘুমিয়ে পড়ছি বা দীর্ঘসময় ঐ মেকাপ নিয়েই থাকছি। মেকাপ প্রডাক্টসগুলোর ক্ষতিকর কেমিক্যাল এতে করে আমাদের ত্বকে এবজর্ব হয় এবং ত্বকে বয়সের ছাপ পড়ে যায়। তাই যত দ্রুত সম্ভব মেকাপ তুলে ফেলার চেস্টা করতে হবে। আর রাতে ঘুমানোর আগে মুখ ভালোভাবে ঠান্ডা পানি দিয়ে পরিস্কার করে নেয়ার অভ্যাস করতে হবে।

এই ছোট ছোট অভ্যাসগুলো এক ধরনের ইনভেস্টমেন্ট। দীর্ঘদিন নিজেকে ইয়ংগার দেখতে চাইলে আর বলিরেখার প্রকোপ কমানো অবস্থায় নিজেকে দেখতে চাইলে নিয়মিত ভাবে মুখ পরিস্কারের কোন বিকল্প নেই। মুখের বলিরেখা দূর করার উপায় গুলোর মধ্যে এটি অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ।

পুদিনা পাতার চা পানের অভ্যাস

ত্বকের স্বাস্থ্য রক্ষার্থে কত ধরনের হার্বাল পানীয়ই তো আমরা পান করে থাকি। কিন্তু এগুলোর মধ্যেও একেকটার গুনাবলি একেক রকম। রিসেন্টলি একটা গবেষণায় পুদিনা পাতার চায়ের চমৎকার গুনাবলির সন্ধান পাওয়া গিয়েছে। কিছু বিজ্ঞানীরা বার্লি টি এবং পুদিনা পাতার চায়ের ওপর একটি গবেষণায় এটা পেয়েছেন যে,পুদিনা পাতার চা ত্বকের বলিরেখা কমিয়ে তুলতে অনেক ভালো কাজ করেছে।

এতে রয়েছে প্রচুর পরিমানে মেন্থল,মেন্থন ও লিমোনিন এবং এগুলো ত্বক সুন্দর, সতেজ ও লাবন্যময় রাখে এবং বলিরেখা কমাতেও বিশেষ পারদর্শী।তাই ফুড হ্যাবিটে অবশ্যই এই চমৎকার পানীয়টি যুক্ত করা উচিত।

যদিও আমরা সবাইই চাই তরুন থাকতে কিন্তু আমরা কোনভাবেই আমাদের বয়স বাড়ার প্রসেস ঠেকাতে পারব না। আমরা যেটা পারবো তা হলো সঠিক কিছু জীবনাচরণ,সুষম খাদ্য গ্রহন এবং আরো কিছু নিয়ম কানুন মানার মাধ্যমে ত্বককে তুলনামুলক লাবন্যময় ও ইয়ংগার রাখতে। যত যাই হোক রিঙ্কলস আমাদের সৌন্দর্য অনেকটাই হ্রাস করে। তাই রিঙ্কলস দূর করতে উপরোক্ত ব্যাপারগুলোর প্রতি খেয়াল রাখতে হবে। সমস্যা যদি অনেক বেশি মনে হয় তাহলে ডার্মাটোলজিস্ট এর পরামর্শ গ্রহন করতে হবে। চোখের নিচের কালোদাগ দূর করার উপায় জানতে ক্লিক করুন এখানে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির অন্যান্য খবর