সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ০৫:১০ অপরাহ্ন
Banner
আজকের শিরোনাম :
ক্যান্সার চিকিৎসায় আসছে ১৭ রেডিওথেরাপি মেশিন, রোবটিক সার্জারির ৫টিও এ বছর ২৪ ঘণ্টায় হাম ও উপসর্গে  ৬ জনের মৃত্যু একনেকে ১৬ হাজার কোটি টাকার ১৩ প্রকল্প অনুমোদন ২ কোটি শিশু হামের টিকার আওতায়, এক মাসে আরও ৩৫ লাখকে টিকা : স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ডেঙ্গু পরিস্থিতি মোকাবিলায় সারা দেশে স্বাস্থ্যসেবা জোরদার সরকারের ওজন কমাতে কেন এই পাঁচ চা খাবেন? নারীদের হার্ট অ্যাটাকের গোপন ৪ সংকেত, যা অবহেলা করলেই বিপদ নতুন গবেষণা, গর্ভাবস্থায় সংক্রমণ হলে প্রতিবন্ধী হতে পারে শিশু এলপিজির সংকট নেই, মজুতদারি করলে ব্যবস্থা : প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা হৃদয়ের সতর্কসংকেত উপেক্ষা করা যাবে না : স্বাস্থ্যমন্ত্রী

গাড়িতে উঠলেই বমি, কী করবেন

প্রতিনিধির নাম / ২০৬ বার দেখা হয়েছে
আপডেট : September 12, 2024
গাড়িতে উঠলেই বমি, কী করবেন

গাড়ির ভেতরে আবদ্ধ বা ভ্যাপসা ভাব থাকলে বমির সমস্যা হয় শিশু থেকে বড়দেরও। কী করবেন? তবে দুশ্চিন্তায় ভ্রমণের পরিকল্পনা বাতিল করার কোনো কারণই নেই। সাধারণত গাড়ি চলা বন্ধ হলেই বমি বমি ভাব আর হবে না। অনেক শিশুই ভ্রমণ সহ্য করতে পারে না, গাড়িতে উঠলেই বমি করে।

কারও পেটে কেমন করে, কারও মাথা ঘোরে। এই ধরনের সমস্যাকে ‘মোশন সিকনেস’ বলা হয়। এই সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে নিচের চেষ্টাগুলো করা যেতে পারে—

যাত্রাপথ বেশি দীর্ঘ হলে রাস্তায় মাঝেমধ্যে যাত্রাবিরতি দিতে হবে। যাত্রার শুরুতে শিশুকে হালকা খাবার দেওয়া যেতে পারে। ভারী খাবার দিয়ে পেট ভর্তি করে যাত্রা, অথবা একেবারে খালি পেটে বা ক্ষুধা নিয়ে যাত্রা—দুটিই বমি ভাব বাড়িয়ে দিতে পারে।

মোশন সিকনেসের অস্বস্তিকর অনুভূতি থেকে শিশুর মনোযোগ সরানোর জন্য তার সঙ্গে গল্প করা যেতে পারে, গান শোনানো যেতে পারে।

জানালা দিয়ে বাইরের প্রকৃতি দেখানো যেতে পারে, এতে শিশু আনন্দ পাবে, মোশন সিকনেসও কিছুটা কমবে।

অনেকের ক্ষেত্রে বই, পত্রিকা ইত্যাদি পড়তে থাকলে বমি বমি ভাব বা বমি হওয়ার আশঙ্কা বেশি হয়, সেক্ষেত্রে যাত্রাপথে এই অভ্যাস পরিহার করাই ভালো।

গাড়ির ভেতর পর্যাপ্ত বাতাস চলাচলের ব্যবস্থা মোশন সিকনেস কমাতে ভূমিকা রাখে। তাই বমিভাব লাগলে জানালাটা খুলে দিলেও ভালো লাগবে।

যদি এসবের কোনটাই কাজে না আসে, তবে কিছুক্ষণ চোখ বন্ধ করে কাঁধে বা কোলে মাথা রেখে শিশুকে শুইয়ে দেওয়া যেতে পারে। তন্দ্রাচ্ছন্নভাব কিছুটা উপকারে আসতে পারে।

বেশ কিছু ওষুধ আছে, যা এই সমস্যায় বেশ কার্যকর। যদি আগে থেকেই জানা থাকে যে শিশুর মোশন সিকনেস আছে, তাহলে ভ্রমণ পরিকল্পনার শুরুতেই চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে রাখা যেতে পারে। ওষুধগুলো ওভার দ্য কাউন্টার ড্রাগ হলেও চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী সেবন করানোটাই ভালো।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির অন্যান্য খবর