মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ০৩:৫১ অপরাহ্ন
Banner
আজকের শিরোনাম :
ক্যান্সার চিকিৎসায় আসছে ১৭ রেডিওথেরাপি মেশিন, রোবটিক সার্জারির ৫টিও এ বছর ২৪ ঘণ্টায় হাম ও উপসর্গে  ৬ জনের মৃত্যু একনেকে ১৬ হাজার কোটি টাকার ১৩ প্রকল্প অনুমোদন ২ কোটি শিশু হামের টিকার আওতায়, এক মাসে আরও ৩৫ লাখকে টিকা : স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ডেঙ্গু পরিস্থিতি মোকাবিলায় সারা দেশে স্বাস্থ্যসেবা জোরদার সরকারের ওজন কমাতে কেন এই পাঁচ চা খাবেন? নারীদের হার্ট অ্যাটাকের গোপন ৪ সংকেত, যা অবহেলা করলেই বিপদ নতুন গবেষণা, গর্ভাবস্থায় সংক্রমণ হলে প্রতিবন্ধী হতে পারে শিশু এলপিজির সংকট নেই, মজুতদারি করলে ব্যবস্থা : প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা হৃদয়ের সতর্কসংকেত উপেক্ষা করা যাবে না : স্বাস্থ্যমন্ত্রী

শরীর গরম রাখতে খেতে পারেন যেসব খাবার

প্রতিনিধির নাম / ১৬৫ বার দেখা হয়েছে
আপডেট : January 5, 2025
শরীর গরম রাখতে খেতে পারেন যেসব খাবার

গ্রামে অনেক আগেই জেঁকে বসেছে শীত। শহরে এখনো চেনা রূপে আসেনি। তবে সোমবার রাত থেকে তাপমাত্রা কমার আভাস পাওয়া যাচ্ছে, বইছে ঠান্ডা হিমেল হাওয়া। ফলে শীতে শহরও কাঁপতে চলেছে খুব শিগগির।

অনেকে তীব্র শীতেও থাকেন সতেজ, অনেকে আবার একটু শীতেই কাবু। তাই শীত মৌসুমে ঠান্ডাকে জব্দ করতে পাতে রাখতে পারেন এমন কিছু খাবার, যেগুলো খেলে শরীর গরমও থাকবে, শরীরও থাকবে ঝরঝরে। আসুন জেনে নেই সেই খাবারগুলো সম্পর্কে।

ঘি

ওজন বাড়ার ভয়ে অনেকেই ঘি খান না। তবে শীতের ডায়েটে পরিমিত মাত্রায় ঘি রাখা স্বাস্থ্যের জন্য ভাল। ঘি ওমেগা থ্রি ফ্যাটি অ্যাসিডে ভরপুর। এই ফ্যাটি অ্যাসিড পেটের চর্বি কমাতে সাহায্য করে। তাই বলাই যায়, ঘি ওজন বাড়াতে নয়, ওজন ঝরাতে কার্যকর। শরীর গরম রাখতেও সাহায্য করে ঘি।

গুড়

শীতকাল মানেই নলেন গুড়ের মৌসুম। গুড় খেলে কেবল হজমশক্তি ভালো হয় এমনটা নয়, শীতের রাতে শরীর উষ্ণ করতেও এর জবাব নেই। এর মধ্যে থাকা অ্যান্টি-অক্সিড্যান্ট রোগপ্রতিরোধ শক্তি বাড়ায়।

জাফরান

শীতে শরীর গরম রাখার মোক্ষম দাওয়াই হলো জাফরান। গরম দুধে জাফরানের সঙ্গে কিশমিশ মিশিয়ে খেলে শরীর গরম হয়।

দারুচিনি

দারুচিনি শরীর গরম রাখতে সাহায্য করে। তাই শীতের মৌসুমে ডায়েটে বেশি করে দারুচিনি রাখতে পারেন। গরম দুধে হোক বা খাবারে, কিংবা কেক-কুকিজ়ে দারুচিনি পড়লে স্বাদও বাড়বে আর শরীরও গরম থাকবে।

তিল

শীতের তিলের লাড্ডু, বরফির চাহিদা বাড়ে। তিল শ্বাসযন্ত্রের সমস্যা থেকে মুক্তি দিতে পারে। শীতকালে শ্বাসকষ্টের সমস্যা থাকলে ডায়েটে রাখতেই পারেন এই খাবার। মিষ্টি হিসাবে খেতে না চাইলেও স্যালাডে বা রান্নায় খেতে পারেন তিল।

গরম পানীয়

শরীরের ঠান্ডা কমানোর জন্য গরম কোনো পানীয় খাওয়ার অন্য কোনো বিকল্প নেই। শীতটা একটু বেশি লাগলেই চা, কফি বা পান করতে পারেন হট চকলেট কিংবা হট চকলেট মিল্ক। উপকার পাবেন সাথে সাথেই।

লাল মাংস

খাসি ও গরুর মাংস শরীরের তাপমাত্রা বাড়াতে সাহায্য করে। তবে তা বেশি পরিমাণে খাওয়া উচিত নয়।

স্যুপ জাতীয় খাবার

শীত দূর করার জন্য খেতে পারেন স্যুপ বা স্টু। শীতের সন্ধ্যায় গরম গরম স্যুপের বাটি নিয়ে মজা নিন স্যুপের। এতে শরীর গরম হবে। ঠাণ্ডা দূর হবে নিমেষেই। স্যুপে একটু ঝাল যোগ করতেও ভুলবেন না যেন। এছাড়া স্যুপ স্বাস্থ্যের জন্য অনেক বেশি ভালো।

কার্বোহাইড্রেট সমৃদ্ধ খাবার

যেসব খাবারে কার্বোহাইড্রেট বেশি পরিমাণে বিদ্যমান সেসব খাবার ঠাণ্ডা দূর করতে অত্যন্ত কার্যকরী। কার্বোহাইড্রেট শরীরের থাইরয়েড ও অ্যাড্রেনাল গ্রন্থি গুলোতে পৌঁছে শরীরে তাপমাত্রা বৃদ্ধিতে সাহায্য করে। রক্ত সঞ্চালন করে। এতে করে ঠাণ্ডা অনেকাংশে কমে যায়। আটার রুটি, ভাত, চিনি, ডাল এই সবই কার্বোহাইড্রেট সমৃদ্ধ খাবার।

ডিম

ডিম শরীর গরম রাখতে সাহায্য করে। ডিম পুষ্টিগুণসমৃদ্ধ একটি খাবার। ডিমের মধ্যে রয়েছে প্রয়োজনীয় অ্যামাইনো অ্যাসিড। এছাড়া এতে রয়েছে ভিটামিন এ, বি৫, বি১২, বি৬, ডি, ই, কে, ফোলেট, ফসফরাস, সেলিনিয়াম, ক্যালিয়াম ও জিংক। প্রতিটি ডিমের মধ্যে রয়েছে পাঁচ গ্রাম প্রোটিন।

আদা

আদা হজমের প্রক্রিয়া উন্নত করার পাশাপাশি প্রক্রিয়া চলাকালীন সময়ে শরীরকে গরম করে। রক্ত সঞ্চালন বৃদ্ধি করে। এতে শীতের ঠাণ্ডা দূর হয়। খাবারে সামান্য আদা যোগ করুন। চায়ে, স্যুপে কিংবা খাবারে আদা দিন। এছাড়াও এক গ্লাস গরম পানিতে আদা ফুটিয়ে পান করতে পারেন। ঠাণ্ডা টেরও পাবেন না।

মিষ্টি আলু

শীতকালের এই সবজিটিরও রয়েছে শীত দূর করার ক্ষমতা। ফাইবার, ভিটামিন সি, ক্যালসিয়াম, পটাশিয়াম, আয়রন সমৃদ্ধ মিষ্টি আলুকে বলা হয় সুপারফুড, যার রয়েছে দেহকে নানা ধরনের রোগ থেকে মুক্ত রাখার পাশাপাশি শীত তাড়ানোর বিশেষ ক্ষমতা।

মধু

সর্দি, কাশি, ফ্লু ইত্যাদির বিরুদ্ধে লড়তে অনন্য এক উপাদান মধু। মিষ্টিজাতীয় খাবার হলেও মধুতে নেই বাড়তি ক্যালরির ঝামেলা। এ ছাড়া শরীর গরম রাখতেও বেশ উপকারী।

আপেল

আপেলে রয়েছে প্রায় ৪.৪ গ্রাম ফাইবার। আপেলের স্যলুবল এবং ইনস্যলুবল ফাইবার দুটোই আমাদের দেহের উষ্ণতা ধরে রাখতে সক্ষম। এ ছাড়াও আপেলে রয়েছে ৮৬% পানি যার ফলে আমরা শীতে কম পানি পান করলেও আমাদের দেহকে সঠিকভাবে হাইড্রেট রাখতে সহায়তা করবে।

বাদাম

বিভিন্ন জাতের বাদাম যেমন, চিনাবাদাম, আখরোট, কাঠবাদাম ইত্যাদি ভালো কোলেস্টেরল, ভিটামিন, ফাইবার ও ওমেগা-৩ ফ্যাটি এসিডের সবচেয়ে ভালো উৎস। গরমজাতীয় খাবার বলে শীতে স্যাকস হিসেবে বাদাম খেতে পারেন।

রসুন

সর্দি, কাশি ও গলা ব্যথা থেকে মুক্তি পেতে কার্যকরী রসুন। পাশাপাশি শরীরে কোলেস্টেরলের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখে। প্রতিদিন তিন, চার কোয়া রসুন সরাসরি বা রান্নায় ব্যবহার করে খেতে পারেন।

কিশমিশ

শীতের ব্রেকফাস্ট যেন কোনও দিনই বাদাম এবং কিশমিশ ছাড়া শেষ না হয়। কারণ এই ধরনের খাবারগুলো সারা দিন শরীরকে গরম রাখতে সাহায্য করে।

পেঁয়াজ

আপনাকে ঘামিয়ে দিতে পেঁয়াজের বড় ভূমিকা রয়েছে। পেঁয়াজ শরীরকে গরম রাখার পাশাপাশি শীতজনিত অনেক রোগ থেকে মুক্তি দেয়।

শুকনো ফল

খেজুর, অ্যাপ্রিকট ও অন্যান্য শুকনো ফল আপনার শরীরের যন্ত্রসমূহকে গরম ও স্বাভাবিক রাখে।

 

 


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির অন্যান্য খবর