নারীদের গর্ভাবস্থা বা বয়ঃসন্ধি এই দুই সময়েই শরীরে স্ট্রেচ মার্ক দেখা যায়। বিভিন্ন কারণে শরীরে স্ট্রেচ মার্ক হতে পারে। ওজন বৃদ্ধির পর হঠাৎ আবার ওজন কমলে এটি তৈরি হতে দেখা যায়। বাড়তি আয়তন ঢাকার জন্য চামড়াতে টান পড়ে, ওজন কমে গেলে সেই টানটান হওয়া চামড়া কুঁচকে ভাঁজ হয়ে স্ট্রেচ মার্ক হয়ে থাকে।
গর্ভবতী মহিলাদের প্রসব পরবর্তী সময়ে স্ট্রেচ মার্ক হয়। হাঁটুর নিচে, ঘাড়ে, বাহুতে, পেটে ও কোমরের দিকে স্ট্রেচ মার্ক বেশি দেখা যায়। অনেকের মেদ ঝরে যাওয়ার পর নতুন করে চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে শরীরের বিভিন্ন অংশের স্ট্রেচ মার্ক! স্ট্রেচ মার্কস দূর করার নানা রকম ক্রিম রয়েছে। তবে রাতারাতি এই দাগ উবে যাওয়ার নয়। কিন্তু রূপচর্চা বিশেষজ্ঞেরা বলছেন, বেশ কিছু ঘরোয়া উপায় রয়েছে যেগুলো মেনে চলতে পারলে দাগ ধীরে ধীরে মিলিয়ে যাবে।
ঘরোয়া যেসব টোটকায় স্ট্রেচ মার্কসের দাগ মিলিয়ে যেতে পারে-
১. যে কোনো দাগ দূর করতে পারে অ্যালোভেরা। সেই সঙ্গে ওই অংশের ত্বককেও মোলায়েম করবে এটি। তাই যে জায়গাটায় স্ট্রেচ মার্ক রয়েছে সেখানে বিশুদ্ধ অ্যালোভেরা জেল লাগান। প্রতিদিন গোসল করার পর অ্যালোভেরা জেল লাগালে ধীরে ধীরে স্ট্রেচ মার্ক দূর হবে।
২. শরীরের যে কোনো দাগ দূর করতে নারকেল তেলের জুড়ি নেই। এছাড়া নারকেল তেল ত্বককে ভালো রাখে। যে কোনও ত্বকের ক্ষতও কম সময়ে সারানো যায় নারকেল তেল মাখলে। প্রতিদিন স্ট্রেচ মার্কের জায়গায় বিশুদ্ধ নারকেল তেল লাগালে উপকার পাবেন।
৩. অলিভ অয়েলে ভিটামিন ই-এর পরিমাণ বেশি। এছাড়া রয়েছে অ্যান্টিঅক্সিড্যান্ট। যা ত্বকে যেকোনো রকম ক্ষত সারাতে এই অয়েল একেবারে অব্যর্থ। স্তন কিংবা নিতম্বের মতো স্পর্শকাতর জায়গায় অলিভ মাখার পরামর্শ দিচ্ছেন চিকিৎসকেরা।