সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ০৫:২৮ অপরাহ্ন
Banner
আজকের শিরোনাম :
ক্যান্সার চিকিৎসায় আসছে ১৭ রেডিওথেরাপি মেশিন, রোবটিক সার্জারির ৫টিও এ বছর ২৪ ঘণ্টায় হাম ও উপসর্গে  ৬ জনের মৃত্যু একনেকে ১৬ হাজার কোটি টাকার ১৩ প্রকল্প অনুমোদন ২ কোটি শিশু হামের টিকার আওতায়, এক মাসে আরও ৩৫ লাখকে টিকা : স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ডেঙ্গু পরিস্থিতি মোকাবিলায় সারা দেশে স্বাস্থ্যসেবা জোরদার সরকারের ওজন কমাতে কেন এই পাঁচ চা খাবেন? নারীদের হার্ট অ্যাটাকের গোপন ৪ সংকেত, যা অবহেলা করলেই বিপদ নতুন গবেষণা, গর্ভাবস্থায় সংক্রমণ হলে প্রতিবন্ধী হতে পারে শিশু এলপিজির সংকট নেই, মজুতদারি করলে ব্যবস্থা : প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা হৃদয়ের সতর্কসংকেত উপেক্ষা করা যাবে না : স্বাস্থ্যমন্ত্রী

মোটা হতে চাইলে যেসব খাবার খাবেন

প্রতিনিধির নাম / ৯৩ বার দেখা হয়েছে
আপডেট : January 31, 2025
মোটা হতে চাইলে যেসব খাবার খাবেন

আমাদের দেশে সঠিক মানের ও সুষম খাবারের অভাবে অনেক মানুষের স্বাস্থ্য খুব চিকন। চিকন স্বাস্থ্যের জন্য অনেকেই অনেক জায়গায় অবহেলা ও অবজ্ঞার শিকার হয়ে থাকে।

এই বঞ্চনা থেকে মুক্তি পেতে অনেকেই মোটা হতে বিভিন্ন ধরনের প্রক্রিয়া অবলম্বন করে থাকেন। যেগুলো খেলে আপনার ইচ্ছানুযায়ী বাড়াতে পারবেন স্বাস্থ্য। কয়েকটি খাবার রয়েছে, যেগুলো খেলে ওজন সহজেই বাড়বে। স্বাস্থ্যকর উপায়ে ও সহজে মোটা হতে চাইলে খেতে পারেন এসব খাবার। চলুন,তাহলে জেনে নেওয়া যাক।

কিসমিস

মোটা হওয়ার জন্য সবচেয়ে শক্তিশালী ও কার্যকর খাবার হচ্ছে কিসমিস। কিসমিস আঙুর ফলের শুকনা রূপ। যা তৈরি হয় সূর্যের তাপ অথবা মাইক্রোওয়েভ ওভেনের সাহায্যে। কিসমিস সহজেই হজমযোগ্য। ফসফরাস, ক্যালসিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম, কপার, জিংক, লৌহ, ফ্লোরাইড, পটাশিয়াম, ফোলাট, নিয়াসিন, কোলিন, ভিটামিন বি-৬ এবং রিবোফ্লাবিন জাতীয় পুষ্টিগুণ রয়েছে কিসমিসে। যা রাতে ১ গ্লাস পানিতে ভিজিয়ে রেখে সকালে খালি পেটে খেলে শরীরের শক্তি, ওজন বৃদ্ধি ও মোটা হওয়া নিশ্চিত।

খিচুড়ি

খিচুড়িতে বিদ্যমান কার্বোহাইড্রেড ও প্রোটিন মোটা হতে কার্যকর ভূমিকা পালন করে। খিচুড়ি তৈরির অন্যতম উপাদান ডালে রয়েছে প্রচুর পরিমাণ ভিটামিন-সি, ফসফরাস, পটাসিয়াম, ক্যালসিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম, খাদ্যআঁশ ও অ্যামাইনো এসিড। খিচুড়ি রান্নার সঙ্গে যদি বিভিন্ন ধরনের সবুজ শাক সবজি দেওয়া যায় তাহলে খাবারটি সুষম হয়। তাই খিচুড়ি একটি পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াহীন মোটা হওয়ার অন্যতম খাবার।

আলু

আলু আমরা প্রতিনিয়ত বিভিন্ন তরকারির সঙ্গে রান্না করে খাই। আলু সিদ্ধতে রয়েছে শর্করা, তন্ত্র, খনিজ লবণ, ভিটামিন ও উদ্ভিজ্জ প্রোটিন। প্রতিদিন খাদ্য তালিকায় আলু থাকলে মোটা হওয়া অবশ্যম্ভাবী। প্রতিদিন দুটি করে আলু সিদ্ধ খেলেও মোটা হওয়া যায়। যা পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াহীন একটি খাবার।

ডিম

ডিম সহজিয়া একটি খাবার। ডিম সেদ্ধ, রান্না, ভাজিও খেতে পারেন। ডিমে রয়েছে প্রচুর পরিমাণ প্রোটিন, যা আপনাকে মোটা হতে সহযোগিতা করবে। এছাড়া ডিমের কুসুমে রয়েছে প্রচুর পরিমাণ ক্যালরি। যা আপনাকে মোটা ও শক্তিশালী করে তুলবে।

দুধ ও মধু

দুধে রয়েছে ক্যালসিয়াম, পটাসিয়াম, ফসফরাস, প্রোটিন, ভিটামিন এ, ভিটামিন-ডি, ভিটামিন বি-১২, নিয়াসিন ও রিবোফ্লাভিন। এগুলো শরীরকে মোটা বানাতে সাহায্য করে থাকে। নিয়মিত মধু খেলেও শরীর মোটা হতে পারে। কারণ মধুতে রয়েছে গ্লুকোজ, ফ্রুক্টোজ, সুক্রোজ, মন্টোজ, অ্যামাইনো এসিড, খনিজ লবণ, এনকাইম, ভিটামিন বি১, বি২, বি৩, বি৫ ও বি৬। এছাড়া রয়েছে আয়োডিন, জিংক, কপার ও ক্যালরি।

বাদাম

বাদামে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ওমেগা-থ্রি, ফ্যাটি এসিড, ক্যালরি, ফাইবার, প্রোটিন ও ভিটামিন-ই সমৃদ্ধ খাবার। যা খেলে শরীরের ওজন বাড়ানোর পাশাপাশি মোটা হওয়ার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে।

ভাত ও ভাতের মাড়

সমাজ ও সংস্কৃতির কারণে ভাত আমাদের সবচেয়ে পরিচিত ও নিয়মিত খাবার। ভাতে প্রচুর কার্বো-হাইড্রেড রয়েছে। যা আমাদের মোটা হওয়ার জন্য সক্রিয় ভূমিকা পালন করে থাকে। তবে ভাতের চেয়ে ভাতের মাড় (অঞ্চলভেদে ভিন্ন নাম থাকতে পারে) মোটা হতে আরও বেশি কার্যকর ভূমিকা পালন করে থাকে।

পনির

পনিরে রয়েছে স্বাস্থ্যকর চর্বি, প্রোটিন, ক্যালসিয়াম ও ক্যালরি। যারা মোটা হওয়ার চেষ্টা করছেন, তাদের উচিত ফুলফ্যাট পনির খাওয়া।

শাকসবজি

শাকসবজি ও আঁশ জাতীয় খাবারে প্রচুর পরিমাণে ক্যালরি থাকে। তাই এটি নিয়মিত খেলে সুস্বাস্থ্য ও শক্তিবৃদ্ধি করাসহ মোটা হতে সাহায্য করে থাকে।

মাছ

মাছে রয়েছে প্রচুর প্রোটিন ও উৎকৃষ্ট আমিষ। মাছে শতকরা ১৫-২৫ শতাংশ প্রোটিন। এছাড়া মাছে রয়েছে আমাইনো এসিড, ভিটামিন, খনিজ পদার্থ- ক্যালসিয়াম, ফসফরাস, আয়রন, পটাশ, ভিটামিন ‘এ’ ও ‘বি’। যা মোটা হতে সাহায্য করে।

ফলমূল

নিয়মিত আপেল, নাশপাতি, আঙুর, কলা ইত্যাদি ফলমূল খেলে শরীরে শক্তি যেমন বাড়াবে, তেমনি মোটা হতেও সাহায্য করবে।

ডার্ক চকলেট

ডার্ক চকলেটে রয়েছে চর্বি, উচ্চ ক্যালরি ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট। যারা ওজন বাড়ানো নিয়ে ভাবছেন, তারা ডার্ক চকলেট কেনার সময় ৭০ শতাংশ কোকো রয়েছে—এমন ডার্ক চকলেট কিনুন।

খেজুর

খেজুরে রয়েছে ক্যালরি, প্রোটিন, চর্বি, শর্করা, আঁশ, পটাশিয়াম ও ম্যাগনেশিয়াম। এ ছাড়া খেজুর কপার, ম্যাংগানিজ, আয়রন ও ভিটামিন বি৬। শরীরে শক্তি জোগাতে ও সুস্বাস্থ্য ধরে রাখতে প্রতিদিন খেজুর খেতে পারেন।

 


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির অন্যান্য খবর