শুরু হয়েছে পবিত্র রমজান মাস। এই পুরো মাস ধর্মপ্রাণ মুসলিমরা ভোর থেকে সন্ধ্যা পানাহার থেকে বিরত থেকে সিয়াম পালন করেন। হঠাৎ করে এসময় খাদ্যাভ্যাসে পরিবর্তন দেখা দেয়। তাই সুস্থভাবে পুরো বিস্তারিত....
স্থুলতা থেকে ডায়াবেটিস বাসা বাঁধে শরীরে। এমন অনেকেই আছেন, যাদের রক্তে শর্করা খুব বেশি আবার ওজনও বেড়ে চলছে সমানতালে। এমন হলে খাওয়া-দাওয়ায় নিয়ন্ত্রণ জরুরি। ডায়াবেটিস থাকলে আবার সব রকম খাবার
রমজান মাসে পুষ্টিকর সেহরি সারাদিনের রোজার শক্তি জোগায়। তাই সেহরিতে কিছু খাবার এড়িয়ে চলা উচিত, যা রোজার সময় অস্বস্তি, পানিশূন্যতা বা শারীরিক দুর্বলতা সৃষ্টি করতে পারে। জেনে নিন কোন ধরনের
স্বাস্থ্যকর জীবনযাপন এবং সঠিক খাদ্যাভ্যাস আমাদের সুস্থ থাকার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। খাবারের পরপরই কিছু অভ্যাসের কারণে আমাদের স্বাস্থ্য সমস্যায় পড়তে পারে। এই ধরনের অভ্যাসগুলো এড়িয়ে চললে আমরা অনেক ধরনের স্বাস্থ্য
রমজানের ইফতারে খেজুর খাওয়ার রীতি অনেক পুরোনো। কখনও কি ভেবে দেখেছেন কেন রোজা ভাঙার জন্য সবাই খেজুরটাই আগে মুখেপুরে? মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.) এর প্রিয় খাবারের একটি ছিল খেজুর। তিনি
রোজায় ইফতারে খাবারের উপর অনেকটাই নির্ভর করে সুস্থতা। ইফতারের সময় অনেকেই স্বাস্থ্যের জন্য ভালো নয়, এমন খাবার খেয়ে ফেলেন। যার মধ্যে ভাজাপোড়া, ফাস্টফুড, অতিরিক্ত মিষ্টি খাবার, সোডা বা কোমল পানীয়
প্রোটিন হলো পেশী রক্ষণাবেক্ষণ, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা এবং টিস্যু মেরামতসহ বিভিন্ন শারীরিক ক্রিয়াকলাপের জন্য অপরিহার্য একটি গুরুত্বপূর্ণ ম্যাক্রোনিউট্রিয়েন্ট। গুরুত্ব থাকা সত্ত্বেও অনেকে পর্যাপ্ত প্রোটিন গ্রহণ না-ও করতে পারেন, যার ফলে
মুসলমানদের জন্য অবশ্যই পালনীয় একটি বিধান হচ্ছে রমজানের রোজা। সুবহে সাদিকের পূর্ব থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত উপবাস থাকার ইফতার করতে বসেন রোজাদাররা। সারা দিন রোজা রেখে তৃষ্ণা মেটাতে প্রয়োজন পানি ও