শীত এলেই যেন অলসতা বেড়ে যায়। আরামদায়ক কম্বল থেকেই বের হতে মন চায় না। সেইসঙ্গে যোগ হয় নিজেকে সুস্থ রাখার বিষয়টিও। এসময় সুস্থ থাকাটা যেন বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়ায়। এর বিস্তারিত....
শীত শুরু হয়েছে। আর এ ঋতুর শুরুতেই সবার আগে যে সমস্যা দেখা দেয় তা হলো ঠোঁট ফাটা। খুব সাধারণ সমস্যা হলেও অধিকাংশ মানুষই ভোগে থাকেন এই যন্ত্রণায়। বিশেষ করে যারা
আমাদের পঞ্চেন্দ্রিয়ের মধ্যে সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য অঙ্গ হচ্ছে চোখ। চোখ ছাড়া পুরো পৃথিবী অন্ধকার। তাই চোখ সুস্থ রাখা খুবই জরুরি। বয়স যত বাড়তে থাকবে, শরীরের প্রতিটি অঙ্গই ধীরে ধীরে অচল হতে
অ্যাসিডিটি ঘটে যখন পেট অত্যধিক গ্যাস্ট্রিক অ্যাসিড তৈরি করে, যা পেটের আস্তরণে জ্বালা সৃষ্টি করে এবং অস্বস্তির কারণ হতে পারে। এর ফলে সাধারণত বুকে বা উপরের পেটে জ্বালাপোড়া হয়। অতিরিক্ত
দরজায় কড়া নাড়ছে শীত। এই মৌসুমে তাপমাত্রা কমার সঙ্গে সঙ্গে বাতাসের আর্দ্রতাও কমবে। আর এই আবহাওয়ায় শ্বাসকষ্টের সমস্যা বাড়ে অনেকের। বিশেষ করে কারও হাঁপানি থাকলে শ্বাসকষ্টের সমস্যা অনেকটাই বেড়ে যেতে
আজকের ব্যস্ত জীবনে মানসিক চাপ খুব সাধারণ বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। অফিসের কাজের চাপ, সংসারের দায়িত্ব এসব মিলিয়ে মনের ওপর চাপ যেন আরও বেড়েই চলেছে। চাপের এই পরিস্থিতিতে চাইলেই শান্ত থাকা
শীতে চারপাশে বহমান শীতল বাতাসে মুহুর্তেই ঠান্ড লেগে যায়। আর এই ঠান্ডার থেকে বুকে কফ জমে। খুব বেশী কফ জমে থাকার কারণে শ্বাসকষ্টও দেখা দেয়। তবে শুধু বড় মানুষরা না,
বর্তমান সময়ে অ্যালার্জি কমন একটি সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে। অনেকেই আবার চোখের অ্যালার্জিতেও ভুগে থাকেন। বায়ুদূষণ এর অন্যতম কারণ। চোখে অ্যালার্জি হলে চোখ চুলকায় ও লালচে রং ধারণ করে। এমনকি রোদে