সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ০৫:০৮ অপরাহ্ন
Banner
আজকের শিরোনাম :
ক্যান্সার চিকিৎসায় আসছে ১৭ রেডিওথেরাপি মেশিন, রোবটিক সার্জারির ৫টিও এ বছর ২৪ ঘণ্টায় হাম ও উপসর্গে  ৬ জনের মৃত্যু একনেকে ১৬ হাজার কোটি টাকার ১৩ প্রকল্প অনুমোদন ২ কোটি শিশু হামের টিকার আওতায়, এক মাসে আরও ৩৫ লাখকে টিকা : স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ডেঙ্গু পরিস্থিতি মোকাবিলায় সারা দেশে স্বাস্থ্যসেবা জোরদার সরকারের ওজন কমাতে কেন এই পাঁচ চা খাবেন? নারীদের হার্ট অ্যাটাকের গোপন ৪ সংকেত, যা অবহেলা করলেই বিপদ নতুন গবেষণা, গর্ভাবস্থায় সংক্রমণ হলে প্রতিবন্ধী হতে পারে শিশু এলপিজির সংকট নেই, মজুতদারি করলে ব্যবস্থা : প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা হৃদয়ের সতর্কসংকেত উপেক্ষা করা যাবে না : স্বাস্থ্যমন্ত্রী

স্বাস্থ্যকর হলেও যে খাবারগুলো ওজন বাড়িয়ে দেয়

প্রতিনিধির নাম / ১৮৯ বার দেখা হয়েছে
আপডেট : September 12, 2024
স্বাস্থ্যকর হলেও যে খাবারগুলো ওজন বাড়িয়ে দেয়

স্বাস্থ্যকর জীবনযাপনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বিষয় ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখা। অতিরিক্ত ওজন একাধিক শারীরিক সমস্যার কারণ হতে পারে। প্রতিদিন নিয়ম করে শরীর চর্চা ও হাঁটাহাঁটি করার পরও যদি ওজন বেড়ে যায় তাহলে বুঝবেন আপনার ডায়েটে যেসব খাবার আছে সেগুলো ওজন বাড়ার পেছনে দায়ী।

কিছু খাবার রয়েছে যা স্বাস্থ্যকর হলেও ওজন বৃদ্ধির কারণ হতে পারে। চলুন এমন কিছু খাবার সম্পর্কে জেনে নিই-

বাদাম

প্রোটিন আর ফাইবারের সমৃদ্ধ একটি খাবার বাদাম। স্বাস্থ্যের জন্য এটি ভীষণভাবে উপকারী। প্রতিদিন বাদাম খেলে হৃদরোগের সমস্যা কমে। এটি মস্তিষ্কের কার্যকারিতা উন্নত করে। এত স্বাস্থ্যকর খাবার হওয়া সত্ত্বেও প্রতিদিন বাদাম খেলে শরীরে ১৫০ থেকে ২০০ ক্যালোরি বেড়ে যেতে পারে। প্রতিদিন বাদাম খেলে কম পরিমাণে খান।

অ্যাভোকাডো

এটি একটি সুপারফুড যা মনোস্যাচুরেটেড ফ্যাট এবং উচ্চ পুষ্টিকর উপাদানের জন্য পরিচিত। শুধু তাই নয়, অ্যাভোকাডোতে আছে প্রচুর পরিমাণ ফাইবার, পটাশিয়াম ও প্রয়োজনীয় ভিটামিন। হার্টের জন্য স্বাস্থ্যকর এই ফলটি রোজ খাওয়া ভালো। তবে একটি মাঝারি অ্যাভোকাডোতে ২৪০ গ্রাম ক্যালরি থাকে। তাই স্মুদি বা সালাডে অতিরিক্ত অ্যাভোকাডো খেলে শরীরের ওজন বেড়ে যায় খুব তাড়াতাড়ি।

গ্রানোলা

ওটস, বাদাম এবং শস্য বীজে পূর্ণ একটি স্বাস্থ্যকর খাবার গ্রানোলা। তবে এতে থাকে অতিরিক্ত ফাইবার, স্বাস্থ্যকর চর্বি, ক্যালরি এবং অতিরিক্ত শর্করা। ৪ ভাগের ১ ভাগ গ্রানোলায় থাকে ২০০ থেকে ৩০০ গ্রাম ক্যালোরি। অতিরিক্ত গ্রানোলা খেলে ওজন বৃদ্ধি হওয়ার পাশাপাশি শরীরের শর্করার মাত্রাও বেড়ে যায়।

শুকনো ফল

কিশমিশ, খেজুর, অ্যাপ্রিকটের মতো শুকনো ফলগুলো স্বাস্থ্যকর খাবার হিসেবে খাওয়া হয় কারণ এতে থাকে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন খনিজ এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট। কিন্তু এই ফলগুলো যখন শুকনো হয় তখন এর মধ্যে অতিরিক্ত শর্করা এবং ক্যালোরি যুক্ত হয়। তাই শুকনো ফল খাওয়ার থেকে তাজা ফল খেলে ওজন বেড়ে যাওয়া আশঙ্কা থাকে না।

স্মুদি বা জুস

অনেকেই আছেন যারা তাজা ফল বা শাকসবজি দিয়ে স্মুদি বা জুস করে খান। এই স্মুদি তৈরি করার সময় যে মাখন, কলা, দই বা মধু যোগ করা হয় সেগুলো কিন্তু উচ্চ ক্যালরিযুক্ত হয়। শুধু স্মুদি না, তাজা ফল দিয়ে তৈরি ফলের রসেও কিন্তু অতিরিক্ত শর্করা থাকে যার। যার কারণে খিদে বেড়ে যায় এবং শরীরের ওজন বৃদ্ধি হয়। তাই সুস্বাস্থ্যের জন্য তাজা গোটা ফল খাওয়াই উচিত।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির অন্যান্য খবর