মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ১২:১৫ পূর্বাহ্ন
Banner
আজকের শিরোনাম :
ক্যান্সার চিকিৎসায় আসছে ১৭ রেডিওথেরাপি মেশিন, রোবটিক সার্জারির ৫টিও এ বছর ২৪ ঘণ্টায় হাম ও উপসর্গে  ৬ জনের মৃত্যু একনেকে ১৬ হাজার কোটি টাকার ১৩ প্রকল্প অনুমোদন ২ কোটি শিশু হামের টিকার আওতায়, এক মাসে আরও ৩৫ লাখকে টিকা : স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ডেঙ্গু পরিস্থিতি মোকাবিলায় সারা দেশে স্বাস্থ্যসেবা জোরদার সরকারের ওজন কমাতে কেন এই পাঁচ চা খাবেন? নারীদের হার্ট অ্যাটাকের গোপন ৪ সংকেত, যা অবহেলা করলেই বিপদ নতুন গবেষণা, গর্ভাবস্থায় সংক্রমণ হলে প্রতিবন্ধী হতে পারে শিশু এলপিজির সংকট নেই, মজুতদারি করলে ব্যবস্থা : প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা হৃদয়ের সতর্কসংকেত উপেক্ষা করা যাবে না : স্বাস্থ্যমন্ত্রী

পুরো ফল নাকি ফলের রস খাওয়া ভালো

প্রতিনিধির নাম / ১৬২ বার দেখা হয়েছে
আপডেট : October 20, 2024
পুরো ফল নাকি ফলের রস খাওয়া ভালো

সম্পূর্ণ ফল খাওয়ার চাইতে অনেকে ফলের রস খেতে পছন্দ করেন। আবার অনেকের মনে প্রশ্ন থাকে যে ফলে বেশি পুষ্টি নাকি ফলের রসে। এ নিয়ে বিতর্কের শেষ নেই। অনেকেই তো একসঙ্গে অনেকগুলো ফল খাওয়ার বদলে জুস বানিয়ে খেয়ে ফেলেন। সম্পূর্ণ ফল বা ফলের রস ক্ষুধা নিবারণের পাশাপাশি শরীরকে চাঙ্গা রাখে। ফলে অনেক ধরনের পুষ্টি থাকে যা আমাদের স্বাস্থ্যের জন্য খুবই উপকারী।

একটি সম্পূর্ণ ফলে গুরুত্বপূর্ণ খাদ্য উপাদানের পাশাপাশি প্রচুর পরিমাণে ফাইবার থাকে যা শরীরের জন্য খুবই উপকারী। অন্যদিকে যখন ফলকে ব্লেন্ড করা হয় তখন এর অনেক ফাইবার চলে যায়। এছাড়াও ফলের জুস বানানোর প্রক্রিয়ায় ফলের সঙ্গে বিভিন্ন ধরনের উপাদান যেমন-লবণ, চিনি, মসলা যোগ করা হয়। আর সেটির ওপরই নির্ভর করে স্বাস্থ্যগত প্রতিক্রিয়া।

একটি পুরো ফলের চেয়ে বিভিন্ন ধরনের ফলের মিশ্রণে এক গ্লাস জুসে ক্যালরি বেশি থাকে। আর এটি খেতে খুব সুস্বাদু হয়। সম্পূর্ণ একটি ফল চিবানো, হজম হওয়ার প্রক্রিয়ায় বেশ সময় নেয়। ফলে এর শর্করা রক্তের সঙ্গে মিশতে বেশ সময় নেয়। তবে এক্ষেত্রে রস খুব দ্রুত কাজ করে। এটি পরিপাকতন্ত্রে প্রবেশ করে দ্রুত গ্লুকোজ ও ফ্রুকটোজ শোষিত হয় বলে রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা বেড়ে যায়।

সম্পূর্ণ ফল এবং ফলের রস উভয়েই যথেষ্ট উপকারী এবং পুষ্টিগুণে ভরপুর। ফলে প্রচুর ফাইবার বা আঁশ থাকে, যা কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে। বার বার যাদের ক্ষুধা লাগার প্রবণতা থাকে তারা অনেক সময় হাই ক্যালরিযুক্ত খাবার খেয়ে ফেলেন। এতে ওজন বেড়ে যাওয়ার ঝুঁকি থাকে। যেহেতু ফলে আঁশ থাকে, তাই ক্ষুধা লাগলে আঁশযুক্ত ফল খেলে পেট যথেষ্ট পরিমাণে ভরা থাকে এবং ফুড ক্রেভিং বা খাবার খাওয়ার প্রতি যে তীব্র ইচ্ছা সেটি কমে যায়।

এছাড়াও প্রচণ্ড গরমে শরীর ডিহাইড্রেশন বা পানিশূন্যতার ঝুঁকি থাকে। এক্ষেত্রে ফলের রস খুবই কার্যকরী। পাশাপাশি ভিটামিন ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ ফলের রস শরীরে এনার্জি লেভেল বাড়াতেও ভূমিকা রাখে। ফলের রসে থাকে হাই পটাশিয়াম এবং ইলোক্ট্রোলাইট।

খাবেন যেভাবে

সব ধরনের ফলে স্বাস্থ্যের জন্য প্রয়োজনীয় অনেক উপাদান বিদ্যমান থাকে যা খুবই উপকারী। তবে তা যদি অন্যান্য পুষ্টি উপাদানের সাথে মিশে যায় তাহলে তা বিপরীত প্রতিক্রিয়া হতে পারে। জাম্বুরা, আনারস, পেয়ারাসহ বিভিন্ন দেশি ফল খাওয়ার সময় মসলা, লবণ, চিনি ব্যবহার করা হয়। তাই এসকল ফল খোসা ফেলে সরাসরি চিবিয়ে খাওয়া বেশি ভালো। কারণ এসকল ফলের সাথে বাড়তি কিছু মিশ্রণ করা হলে তার পুষ্টিগুণে তারতম্য হতে পারে।

যে সকল সতর্কতা অবলম্বন করবেন

ফলের রসের সাথে বাড়তি চিনি যোগ করা হলে দাঁতের ক্ষয়ের ঝুঁকি থাকে। এছাড়াও অতিরিক্তি ফলের রস খেলে প্রাকৃতিক শর্করা ও অ্যাসিড মুখের মধ্যে ক্ষতিকারক ব্যাকটেরিয়া বৃদ্ধি করতে পারে। ফলের অতিরিক্ত রস খেলে ওজন বাড়তে পারে।

ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য বেশি মিষ্টি জাতীয় ফলের রস না খাওয়ায় ভালো। মাত্রারিক্ত ফল বা ফলের রস খেলে বদহজমসহ নানা ধরনের সমস্যা দেখা দিতে পারে। তাই পুষ্টিবিদদের নির্দেশনা মেনে চলতে হবে।

 


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির অন্যান্য খবর