মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ০৬:২৮ পূর্বাহ্ন
Banner
আজকের শিরোনাম :
ক্যান্সার চিকিৎসায় আসছে ১৭ রেডিওথেরাপি মেশিন, রোবটিক সার্জারির ৫টিও এ বছর ২৪ ঘণ্টায় হাম ও উপসর্গে  ৬ জনের মৃত্যু একনেকে ১৬ হাজার কোটি টাকার ১৩ প্রকল্প অনুমোদন ২ কোটি শিশু হামের টিকার আওতায়, এক মাসে আরও ৩৫ লাখকে টিকা : স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ডেঙ্গু পরিস্থিতি মোকাবিলায় সারা দেশে স্বাস্থ্যসেবা জোরদার সরকারের ওজন কমাতে কেন এই পাঁচ চা খাবেন? নারীদের হার্ট অ্যাটাকের গোপন ৪ সংকেত, যা অবহেলা করলেই বিপদ নতুন গবেষণা, গর্ভাবস্থায় সংক্রমণ হলে প্রতিবন্ধী হতে পারে শিশু এলপিজির সংকট নেই, মজুতদারি করলে ব্যবস্থা : প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা হৃদয়ের সতর্কসংকেত উপেক্ষা করা যাবে না : স্বাস্থ্যমন্ত্রী

বয়স অনুযায়ী ঠিক কতটা সুগার হওয়া উচিত

প্রতিনিধির নাম / ১০৪ বার দেখা হয়েছে
আপডেট : November 7, 2024
বয়স অনুযায়ী ঠিক কতটা সুগার হওয়া উচিত

বিশ্বজুড়ে এখন ডায়াবেটিসের বাড়বাড়ন্ত। ভারতও তার ব্যতিক্রম নয়। নেপথ্যে জীবনযাত্রার পরিবর্তন, খাওয়াদাওয়ায় অনিয়ম সহ একাধিক কারণ। অগ্ন্যাশয় যখন ইনসুলিন তৈরি করা বন্ধ করে দেয় বা কমিয়ে দেয়, তখনই রক্তে শর্করার মাত্রা বাড়তে থাকে। দীর্ঘদিন ধরে ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে না রাখলে নানা ধরনের রোগের ঝুঁকি বাড়তে থাকে। তাই ব্লাড সুগার নিয়ন্ত্রণে রাখা জরুরি।

আজকাল অল্প বয়স থেকেই ডায়াবেটিসে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা থাকে। ফলে বয়স ৩০-এর কোটা পেরোতে না পেরোতেই রক্তে শর্করার মাত্রা বেশি রয়েছে কিনা তা চিন্তার ভাঁজ পড়ে কপালে। কিন্তু বয়স অনুযায়ী ঠিক কতটা সুগার হওয়া উচিত? ভুল ধারণা না রেখে জানুন আসল হিসেব।

বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ অনুযায়ী, ৬ বছরের নীচে শিশুদের ফাস্টিং সুগার হওয়া উচিত ৮০ থেকে ১৮০ মিলিগ্রাম/ডিএল-এর মধ্যে। আবার ৮০ থেকে ১৮০ মিলিগ্রাম/ডিএল-এর মধ্যে ফাস্টিং সুগার হওয়া উচিত ৬ থেকে ১২ বছরের শিশুদের। এরপর ১৩ থেকে ১৯ বছর বয়সিদের ৭০ থেকে ১৫০ মিলিগ্রাম/ডিএল-এর মধ্যে ফাস্টিং সুগার হওয়া উচিত। আর ২০ বছরের বেশি বয়সিদের ফাস্টিং সুগার ১০০ মিলিগ্রাম/ডিএল-এর নীচে থাকাই শ্রেয়।

যে কোনও বয়সে বিশেষ করে ৩০ বছরের পর বেশ কিছু লক্ষণ দেখলে সতর্ক হন। যার মধ্যে রয়েছে ঘন ঘন প্রস্রাবের অভ্যাস। আসলে রক্তে শর্করা বাড়লে তা শরীর থেকে বের করার জন্য কিডনিতে চাপ দেয়। এছাড়াও হাত-পা কিংবা আঙুল অবশ হয়ে যাওয়া, অতিরিক্ত জল তেষ্টা, শরীরে কোনও ঘা না শুকানো, হঠাৎ দৃষ্টিশক্তি কমে যাওয়া, দ্রুত ক্লান্ত হয়ে পড়া, দুর্বলতা। এই ধরনের কোনও লক্ষণ দেখলেই রক্ত পরীক্ষা করে সুগারের মাত্রা পরীক্ষা করা উচিত।

কয়েকদিন আগেও ৪৫ বছরের পর বছরে একবার ডায়াবেটিস পরীক্ষার পরামর্শ দেওয়া হয়। কিন্তু এখন বিশেষজ্ঞদের মত, ৩০ বছর পার হলেই রক্তে শর্করার মাত্রার দিকে নজর দিতে হবে।

 


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির অন্যান্য খবর