শিশুদের দাঁত ও মুখের স্বাস্থ্য সুরক্ষার জন্য ব্রাশ করানো খুবই গুরুত্বপূর্ণ। তবে এটি শিশুর বয়স, তাদের দাঁত গজানোর পর্যায়, এবং তাদের নিজস্ব সক্ষমতার ওপর নির্ভর করে।
১. দাঁত ওঠার পর থেকেই পরিচর্যা শুরু করুন (৬-১২ মাস): শিশুর প্রথম দাঁত ওঠার সঙ্গে সঙ্গে ব্রাশ করানোর প্রাথমিক ধাপ শুরু করা উচিত। প্রথম দিকে শুধু নরম কাপড় বা পরিষ্কার গজ দিয়ে দাঁত মুছে দেয়া যেতে পারে।
২. ৬ মাস থেকে ৩ বছর পর্যন্ত: নরম ব্রিসেলযুক্ত ছোট শিশুর ব্রাশ ব্যবহার করুন। ফ্লুরাইডসমৃদ্ধ খুব সামান্য (এক দানা চালের সমান) টুথপেস্ট ব্যবহার করা যেতে পারে। দিনে দুবার ব্রাশ করানোর অভ্যাস তৈরি করুন (বিশেষত সকালে ও রাতে)।
৩. ৩ বছর থেকে ৬ বছর: এই বয়সে দাঁতের যত্নে মটর দানার আকারের পরিমাণে টুথপেস্ট ব্যবহার করতে হবে। শিশুদের ব্রাশ করার সময় পর্যবেক্ষণ করুন, যাতে তারা টুথপেস্ট গিলে না ফেলে।
৪. ৬ বছর ও তার বেশি বয়সে: শিশুরা নিজেরা ব্রাশ করতে শিখবে, তবে যতক্ষণ পর্যন্ত না তারা সঠিকভাবে ব্রাশ করতে সক্ষম হয়, ততক্ষণ তাদের পর্যবেক্ষণ করা উচিত। এই বয়সে ফ্লুরাইডযুক্ত টুথপেস্ট ব্যবহার করা যেতে পারে।
গুরুত্বপূর্ণ টিপস-
১. শিশুর দাঁত গজানোর প্রথম বছরেই একজন শিশু-ডেন্টিস্টের সঙ্গে পরামর্শ করুন।
২. প্রথম থেকেই দাঁতের যত্নের সঠিক অভ্যাস তৈরি করা শিশুদের দাঁতের সমস্যার ঝুঁকি কমায়।
৩. ব্রাশ নরম এবং আকৃতিতে ছোট হওয়া উচিত, যাতে শিশুর মাড়ি এবং দাঁতে আঘাত না লাগে।
৪. আপনার শিশুর বয়স অনুযায়ী নির্দিষ্ট কোনো পরামর্শ দরকার হলে জানাতে পারেন!